ঢাকা ০৪:১৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
স্মরণকালের সেরা দুর্গাপূজা উপহার দিলেন দেশনায়ক  তারেক রহমান ঢাকার বাস টার্মিনাল ও অটোরিকশা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে সোহেল গরিবের বিচার, ধনীর বিচার এক করতে হবে —এটাই তারেক রহমানের নতুন বাংলাদেশ আইএইচএফ নেশনস ট্রফিতে ভারতের কাছে হেরে রানার্সআপ বাংলাদেশ কাতার, তুরস্ক, পাকিস্তান ও ইন্দোনেশিয়ার ঐতিহাসিক বদর প্রতিরক্ষা চুক্তি দ্বিগুণ যাত্রী সামলাতে হিমশিম দেশের বিমানবন্দরগুলো মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তির মূল দলিল পেশ করলো তুরস্ক সাইবার আইনে মতপ্রকাশ ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতা হুমকিতে ফাঁসের ঘটনায় বিএআরসির সহকারী পরিচালক আটক: যুব উন্নয়নের ৪৫তম বিসিএসে গেজেট থেকে বাদ: অনিশ্চিত জীবনে ৫৬ মেধাবী

সাঁজোয়া গাড়ি নিয়ে বিএনপি কার্যালয়ের সামনে পুলিশ

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার রায়ের দিন সকাল থেকে নয়াপল্টনে বিএনপির কার্যালয়কে ঘিরে সতর্ক অবস্থান নিয়েছে পুলিশ। কার্যালয়ে দলের নেতা-কর্মীদের আনাগোনাও কম।

রাজধানীর নাজিমউদ্দিন রোডে পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগারের পাশে স্থাপিত বিশেষ আদালতে ঢাকার-১ নম্বর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক শাহেদ নূর উদ্দিন ঘোষণা করবেন এই রায়। আর আগে সকাল থেকেই নয়াপল্টনে অবস্থান নেয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

পুলিশের সতর্ক অবস্থানের কারণে বিএনপির নেতা-কর্মীরা সকাল থেকে কার্যালয়মুখো হননি। যদিও ভেতরে দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীসহ বেশ কয়েকজন নেতা আগে থেকেই অবস্থান করছিলেন।

এই মামলায় যে ৪৯ জনের বিরুদ্ধে রায় ঘোষণা করা হবে তাদের মধ্যে অন্যতম হলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান, বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর, শিক্ষা উপমন্ত্রী আবদুস সালাম পিণ্টু, তার ভাই মাওলানা তাজউদ্দিন, প্রধানমন্ত্রী থাকাকালে বেগম খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরী, বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ, খালেদা জিয়ার ভাগ্নে সাইফুল ইসলাম ডিউক।

আসামিদের তালিকায় দলের অন্যতম শীর্ষ নেতা এবং খালেদা জিয়ার মন্ত্রিসভার বেশ কয়েকজন সদস্য থাকায় রায় দিয়ে বিএনপিতে শঙ্কা আছে। সেটি খোলাখুলিই জানিয়েছেন দলের নেতারা। আর তারেক রহমানের কিছু হলে জনগণ মেনে নেবে না-এমন সতর্কতাও এসেছে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের পক্ষ থেকে। অবশ্য রায়ের আগের দিন দলের মুখপাত্র রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, রায় যাই হোক না কেন, কর্মসূচি হবে শান্তিপূর্ণ।

পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই রায়কে ঘিরে কোনো ধরনের হুমকি নেই। তারপরও রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় ব্যবস্থা করা হয়েছে অতিরিক্ত নিরাপত্তার। আদালত চত্ত্বর ছাড়া সবচেয়ে বেশি নিরাপত্তার আয়োজন দেখা গেছে বিএনপি কার্যালয়ের সামনে।

সেখানে অস্ত্রধারী পুলিশ সদস্যদের পাশাপাশি প্রস্তুত রাখা হয়েছে পুলিশের প্রিজন ভ্যান, সাঁজোয়া গাড়ি, জল কামান। গোয়েন্দা সদস্যরা সক্রিয় আশেপাশে। রাস্তার পাশাপাশি বিভিন্ন ভবনের ছাদেও আছেন নিরাপত্তা কর্মীরা।

নিরাপত্তার বিষয়ে ঢাকা মহানগর পুলিশের মতিঝিল বিভাগ পুলিশের সহকারী উপকমিশনার শিবলী নোমান সাংভাদিকদেরকে বলেন, ‘একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলার রায় আজ। এ রায়কে কেন্দ্র করে জনগণের নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে যথেষ্ট সতর্ক অবস্থানে আছি আমরা।’

‘যেকোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা মোকাবেলা করতে প্রস্তুত পুলিশ। জনগণের জানমালের নিরাপত্তার স্বার্থে আমাদের এই সর্তক অবস্থান থাকবে।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

যুক্তরাজ্যে মানব পাচারকারী চক্রের ২১ সদস্যের কারাদণ্ড

সাঁজোয়া গাড়ি নিয়ে বিএনপি কার্যালয়ের সামনে পুলিশ

আপডেট সময় ১২:২৮:০৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ অক্টোবর ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার রায়ের দিন সকাল থেকে নয়াপল্টনে বিএনপির কার্যালয়কে ঘিরে সতর্ক অবস্থান নিয়েছে পুলিশ। কার্যালয়ে দলের নেতা-কর্মীদের আনাগোনাও কম।

রাজধানীর নাজিমউদ্দিন রোডে পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগারের পাশে স্থাপিত বিশেষ আদালতে ঢাকার-১ নম্বর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক শাহেদ নূর উদ্দিন ঘোষণা করবেন এই রায়। আর আগে সকাল থেকেই নয়াপল্টনে অবস্থান নেয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

পুলিশের সতর্ক অবস্থানের কারণে বিএনপির নেতা-কর্মীরা সকাল থেকে কার্যালয়মুখো হননি। যদিও ভেতরে দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীসহ বেশ কয়েকজন নেতা আগে থেকেই অবস্থান করছিলেন।

এই মামলায় যে ৪৯ জনের বিরুদ্ধে রায় ঘোষণা করা হবে তাদের মধ্যে অন্যতম হলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান, বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর, শিক্ষা উপমন্ত্রী আবদুস সালাম পিণ্টু, তার ভাই মাওলানা তাজউদ্দিন, প্রধানমন্ত্রী থাকাকালে বেগম খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরী, বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ, খালেদা জিয়ার ভাগ্নে সাইফুল ইসলাম ডিউক।

আসামিদের তালিকায় দলের অন্যতম শীর্ষ নেতা এবং খালেদা জিয়ার মন্ত্রিসভার বেশ কয়েকজন সদস্য থাকায় রায় দিয়ে বিএনপিতে শঙ্কা আছে। সেটি খোলাখুলিই জানিয়েছেন দলের নেতারা। আর তারেক রহমানের কিছু হলে জনগণ মেনে নেবে না-এমন সতর্কতাও এসেছে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের পক্ষ থেকে। অবশ্য রায়ের আগের দিন দলের মুখপাত্র রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, রায় যাই হোক না কেন, কর্মসূচি হবে শান্তিপূর্ণ।

পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই রায়কে ঘিরে কোনো ধরনের হুমকি নেই। তারপরও রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় ব্যবস্থা করা হয়েছে অতিরিক্ত নিরাপত্তার। আদালত চত্ত্বর ছাড়া সবচেয়ে বেশি নিরাপত্তার আয়োজন দেখা গেছে বিএনপি কার্যালয়ের সামনে।

সেখানে অস্ত্রধারী পুলিশ সদস্যদের পাশাপাশি প্রস্তুত রাখা হয়েছে পুলিশের প্রিজন ভ্যান, সাঁজোয়া গাড়ি, জল কামান। গোয়েন্দা সদস্যরা সক্রিয় আশেপাশে। রাস্তার পাশাপাশি বিভিন্ন ভবনের ছাদেও আছেন নিরাপত্তা কর্মীরা।

নিরাপত্তার বিষয়ে ঢাকা মহানগর পুলিশের মতিঝিল বিভাগ পুলিশের সহকারী উপকমিশনার শিবলী নোমান সাংভাদিকদেরকে বলেন, ‘একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলার রায় আজ। এ রায়কে কেন্দ্র করে জনগণের নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে যথেষ্ট সতর্ক অবস্থানে আছি আমরা।’

‘যেকোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা মোকাবেলা করতে প্রস্তুত পুলিশ। জনগণের জানমালের নিরাপত্তার স্বার্থে আমাদের এই সর্তক অবস্থান থাকবে।’