ঢাকা ০৩:০৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

বিএনপি কি মগের মুল্লুক চায়, প্রশ্ন হানিফের

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের কারণেই বিএনপির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে সারাদেশে মামলা হচ্ছে। সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে মামলা হবে এটাই স্বাভাবিক। এসব মামলার বিরুদ্ধে কথা বলায় আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ বিএনপির প্রতি প্রশ্ন ছুড়ে দিয়ে বলেছেন, তাহলে কি তারা মগের মুল্লুক চায়?

রবিবার কুষ্টিয়ায় সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন। শহরের সৈয়দ মাছ-উদ রুমী কলেজ মাঠ প্রাঙ্গণে অভিভাবক ও সুধী সমাবেশ যোগ দেয়ার আগে তিনি সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন।

‘বিএনপিকে নির্বাচন থেকে সরিয়ে রাখার জন্য সরকার গায়েবি মামলা করছে’ বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের এমন অভিযোগ প্রসঙ্গে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে এর জবাব দেন হানিফ।

আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় এই নেতা বলেন, মির্জা ফখরুলের স্মরণ থাকা উচিত ২০০৩ সালে আওয়ামী লীগের কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে বিনা কারণে ৯০ হাজার নেতাকর্মীকে কারাগারে পাঠানো হয়েছিল। গত দশ বছরেও বিএনপির ৯০ হাজার নেতাকর্মীকে কারাগারে যেতে হয়েছে এমন কোনো নজির নেই।

এ সময় হানিফ প্রশ্ন ছুড়ে বলেন, বিএনপি রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের নাম করে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড করছে। সে সমস্ত কর্মকাণ্ডের জন্য কি মামলা ও বিচার হবে না?

হানিফ বলেন, ‘আপরাধ করলে আইনের আওতায় এনে তার বিচার হবে এটাই স্বাভাবিক। বিএনপি যদি আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল না হয় তাহলে তারা আইন নিয়ে কথা বলতেই পারে।’

‘বিএনপির কর্মকাণ্ড দেখে মনে হয় তাদের জন্য এমন একটা রাজত্ব তৈরি করা দরকার যেটাকে বলা হবে মগের মুল্লুক। যার যা খুশি করে যাবে, কেউ কিছু বলতে পারবে না, কেউ কিছু করতে পারবে না।’

হানিফ বলেন, ‘বাংলাদেশে আইন সবার জন্য সমান। অপরাধ যেই করুক, সে যত বড়ই নেতা হোক তাকে আইনের আওতায় আনতেই হবে।’

এ সময় জেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি হাজী রবিউল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক আজগর আলী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী ফারুক হোসেনসহ অভিভাবক ও সুধীজনেরা উপস্থিত ছিলেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

বিএনপি কি মগের মুল্লুক চায়, প্রশ্ন হানিফের

আপডেট সময় ০৮:০২:১৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ অক্টোবর ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের কারণেই বিএনপির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে সারাদেশে মামলা হচ্ছে। সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে মামলা হবে এটাই স্বাভাবিক। এসব মামলার বিরুদ্ধে কথা বলায় আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ বিএনপির প্রতি প্রশ্ন ছুড়ে দিয়ে বলেছেন, তাহলে কি তারা মগের মুল্লুক চায়?

রবিবার কুষ্টিয়ায় সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন। শহরের সৈয়দ মাছ-উদ রুমী কলেজ মাঠ প্রাঙ্গণে অভিভাবক ও সুধী সমাবেশ যোগ দেয়ার আগে তিনি সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন।

‘বিএনপিকে নির্বাচন থেকে সরিয়ে রাখার জন্য সরকার গায়েবি মামলা করছে’ বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের এমন অভিযোগ প্রসঙ্গে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে এর জবাব দেন হানিফ।

আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় এই নেতা বলেন, মির্জা ফখরুলের স্মরণ থাকা উচিত ২০০৩ সালে আওয়ামী লীগের কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে বিনা কারণে ৯০ হাজার নেতাকর্মীকে কারাগারে পাঠানো হয়েছিল। গত দশ বছরেও বিএনপির ৯০ হাজার নেতাকর্মীকে কারাগারে যেতে হয়েছে এমন কোনো নজির নেই।

এ সময় হানিফ প্রশ্ন ছুড়ে বলেন, বিএনপি রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের নাম করে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড করছে। সে সমস্ত কর্মকাণ্ডের জন্য কি মামলা ও বিচার হবে না?

হানিফ বলেন, ‘আপরাধ করলে আইনের আওতায় এনে তার বিচার হবে এটাই স্বাভাবিক। বিএনপি যদি আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল না হয় তাহলে তারা আইন নিয়ে কথা বলতেই পারে।’

‘বিএনপির কর্মকাণ্ড দেখে মনে হয় তাদের জন্য এমন একটা রাজত্ব তৈরি করা দরকার যেটাকে বলা হবে মগের মুল্লুক। যার যা খুশি করে যাবে, কেউ কিছু বলতে পারবে না, কেউ কিছু করতে পারবে না।’

হানিফ বলেন, ‘বাংলাদেশে আইন সবার জন্য সমান। অপরাধ যেই করুক, সে যত বড়ই নেতা হোক তাকে আইনের আওতায় আনতেই হবে।’

এ সময় জেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি হাজী রবিউল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক আজগর আলী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী ফারুক হোসেনসহ অভিভাবক ও সুধীজনেরা উপস্থিত ছিলেন।