ঢাকা ০২:০৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

তাড়াশে হাটু পানিতে ভিজে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের যাতায়াত

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

সিরাজগঞ্জের তাড়াশের সেরাজপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যাতায়াতের রাস্তাটি বছরের সবসময় পানিতে ডুবে থাকে। পানি শুকালে কাঁদার ভাগাড়ে পরিণত হয়। বাধ্য হয়ে হাটু পানি আবার কখনো কর্দমাক্ত রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করতে হয় বিদ্যালয়ের ৩৫১ শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের।

সরেজমিনে দেখা যায়, সেরাজপুর-ওয়াশিন আঞ্চলিক পাকা সড়কটির গাঁ ঘেষে সেরাজপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। বিদ্যালয়ে যাতায়াতের রাস্তাটির দুইপাশের স্থায়ী বাসিন্দাদের একজন বাড়ির উঠানে মাটি ফেলে উঁচু করেছেন। আরেকজন জমি উঁচু করে ইউক্যালিপটাস গাছের বাগান করে বাঁশের বেড়া দিয়ে রেখেছেন।

সরু রাস্তার এপাশ-ওপাশে মাটি ফেলায় ওই রাস্তাটিতে স্থায়ী জলাবদ্ধতার রুপ নিয়েছে। বিকল্প না থাকায় এ পথেই যাতায়াত করতে হচ্ছে শিশু শিক্ষার্থীদের।

ওই বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী শিহাব উদ্দিন, খাইরুল ইসলাম, অন্তরা পারভিন, মালিহা খাতুন, সাব্বির আহমেদ, মীম, মিথিলা সরকার বলেন, আমাদের কারো হাটু পানি হলেও অনেকের কোমর পানি পার হয়ে পানিতে ভিজে স্কুলে যাতায়াত করতে হয়। অনেক সময় বই-খাতা ভিজে যায়। সারাবছরই নোংরা পানি আর কাঁদা লেগে থাকে। আমরা রাস্তা চাই।

সেরাজপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আলতাব হোসেন বলেন, যাতায়াতের ওই ডোবা রাস্তাটুকু ব্যক্তি মালিকানাধীন। তবুও তারা বিদ্যালয়ের স্বার্থে ফাঁকা রেখেছেন। প্রকৌশল অধিদপ্তর থেকে রাস্তাটির মাপ নেওয়া হয়েছে। বছর পেরিয়ে গেলেও তার কোনো খবর নেই।

এ বিষয়ে তাড়াশ উপজেলা প্রকৌশলী মো. বাবুল আক্তার বলেন, একটি প্রস্তাবনা পাঠানো হয়েছে। তবে এখনও কিছু জানা যায়নি।

তাড়াশ উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মুস্তাফিজুর রহমান বলেন, সেরাজপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সঙ্গে আলোচনা সাপেক্ষে শিগগিরই রাস্তাটিতে মাটি ফেলে উঁচু করা হবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

তাড়াশে হাটু পানিতে ভিজে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের যাতায়াত

আপডেট সময় ০১:১১:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ অক্টোবর ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

সিরাজগঞ্জের তাড়াশের সেরাজপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যাতায়াতের রাস্তাটি বছরের সবসময় পানিতে ডুবে থাকে। পানি শুকালে কাঁদার ভাগাড়ে পরিণত হয়। বাধ্য হয়ে হাটু পানি আবার কখনো কর্দমাক্ত রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করতে হয় বিদ্যালয়ের ৩৫১ শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের।

সরেজমিনে দেখা যায়, সেরাজপুর-ওয়াশিন আঞ্চলিক পাকা সড়কটির গাঁ ঘেষে সেরাজপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। বিদ্যালয়ে যাতায়াতের রাস্তাটির দুইপাশের স্থায়ী বাসিন্দাদের একজন বাড়ির উঠানে মাটি ফেলে উঁচু করেছেন। আরেকজন জমি উঁচু করে ইউক্যালিপটাস গাছের বাগান করে বাঁশের বেড়া দিয়ে রেখেছেন।

সরু রাস্তার এপাশ-ওপাশে মাটি ফেলায় ওই রাস্তাটিতে স্থায়ী জলাবদ্ধতার রুপ নিয়েছে। বিকল্প না থাকায় এ পথেই যাতায়াত করতে হচ্ছে শিশু শিক্ষার্থীদের।

ওই বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী শিহাব উদ্দিন, খাইরুল ইসলাম, অন্তরা পারভিন, মালিহা খাতুন, সাব্বির আহমেদ, মীম, মিথিলা সরকার বলেন, আমাদের কারো হাটু পানি হলেও অনেকের কোমর পানি পার হয়ে পানিতে ভিজে স্কুলে যাতায়াত করতে হয়। অনেক সময় বই-খাতা ভিজে যায়। সারাবছরই নোংরা পানি আর কাঁদা লেগে থাকে। আমরা রাস্তা চাই।

সেরাজপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আলতাব হোসেন বলেন, যাতায়াতের ওই ডোবা রাস্তাটুকু ব্যক্তি মালিকানাধীন। তবুও তারা বিদ্যালয়ের স্বার্থে ফাঁকা রেখেছেন। প্রকৌশল অধিদপ্তর থেকে রাস্তাটির মাপ নেওয়া হয়েছে। বছর পেরিয়ে গেলেও তার কোনো খবর নেই।

এ বিষয়ে তাড়াশ উপজেলা প্রকৌশলী মো. বাবুল আক্তার বলেন, একটি প্রস্তাবনা পাঠানো হয়েছে। তবে এখনও কিছু জানা যায়নি।

তাড়াশ উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মুস্তাফিজুর রহমান বলেন, সেরাজপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সঙ্গে আলোচনা সাপেক্ষে শিগগিরই রাস্তাটিতে মাটি ফেলে উঁচু করা হবে।