ঢাকা ০৩:২০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬, ২৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

ভারতের কাছে ক্ষুদে টাইগারদেরও আফসোসের হার

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

কয়দিন আগেই ভারতের কাছে শেষ বলে হেরে তৃতীয় বারের মত এশিয়া কাপের ফাইনাল মঞ্চ থেকে খালি হাতে ফিরে আসতে হয়েছে টাইগারদের। সেই একই প্রতিপক্ষের কাছে এবার ঘরের মাঠে ক্ষুদে টাইগারদেরও আফসোসের হার।

অনূর্ধ্ব-১৯ এশিয়া কাপের সেমিফাইনালে ভারতের কাছে ২ রানে হেরে গেল যুব টাইগাররা। মিরপুরে ম্যাচের শেষ মুহূর্তে বল হাতে থাকা সত্যেও দুই রান তুলতে পারেনি লাল-সবুজরা। বাংলাদেশকে হারিয়ে আসরের ফাইনাল নিশ্চিত করলো ভারতীয়রা।

এদিন মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে টসে জিতে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় ভারত। ৪৯.৩ ওভারে সবগুলো উইকেট হারিয়ে ১৭২ রান সংগ্রহ করে তারা।

খেলার শরু থেকেই ভারতীয় শিবিরে চাপ তৈরি করতে থাকেন শরিফুল ইসলাম ও মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরী। টাইগারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে ভারত। সফরকারী দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৩৭ রান সংগ্রহ করেন ইয়াশাভি। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৩৬ রান করেন সামির চৌধুরী।

বাংলাদেশের হয়ে ১৬ রান দিয়ে শরিফুল ৩টি উইকেট নেন। এছাড়া মৃত্যুঞ্জয়, রিসাদ, তৌহিদ নেন ২টি করে উইকেট। বাকি ১টি উইকেট নেন মিনহাজুর রহমান।

দ্বিতীয় ইনিংসে ১৭৩ রানের লক্ষ্য নিয়ে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় বাংলাদেশ। ৬ এবং ২ রান করে সাজঘরে ফেরেন দুই ওপেনার নাবিল এবং সাজিদ হোসাইন। ৮ রানে বিদায় নেন অধিনায়ক তৌহিদও।

এরপর মাহমুদুল হাসান জয়কে নিয়ে দলকে টেনে নিতে চেষ্টা চালান শামিম হোসেন। কিন্তু ২৫ রান করে দেশাইয়ের বলে ফিরে যান জয়ও। দেশাইয়ের বলেই কাটা পড়েন রিসাদ। তবে শামিম আর আকবর আলীর ব্যাটে এগিয়ে চলে স্বাগতিকদের ইনিংস। দলের পক্ষে সর্বোচ্চ রান আসে শামিমের ব্যাট থেকে। পাঁচ চার এবং দুই ছয়ে ৫৯ রান করেন তিনি। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৪৫ রান করেন আকবর। এই জুটি আউট হবার পর স্বাগতিক ব্যাটসম্যানদের কেউ আর ইনিংস বড় করতে পারেন নি। যার জন্য ৪৬.২ ওভারে ১৭০ রানে থেমে যায় বাংলাদেশের ইনিংস।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

ভারতের কাছে ক্ষুদে টাইগারদেরও আফসোসের হার

আপডেট সময় ০৪:৩৯:৫৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ অক্টোবর ২০১৮

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

কয়দিন আগেই ভারতের কাছে শেষ বলে হেরে তৃতীয় বারের মত এশিয়া কাপের ফাইনাল মঞ্চ থেকে খালি হাতে ফিরে আসতে হয়েছে টাইগারদের। সেই একই প্রতিপক্ষের কাছে এবার ঘরের মাঠে ক্ষুদে টাইগারদেরও আফসোসের হার।

অনূর্ধ্ব-১৯ এশিয়া কাপের সেমিফাইনালে ভারতের কাছে ২ রানে হেরে গেল যুব টাইগাররা। মিরপুরে ম্যাচের শেষ মুহূর্তে বল হাতে থাকা সত্যেও দুই রান তুলতে পারেনি লাল-সবুজরা। বাংলাদেশকে হারিয়ে আসরের ফাইনাল নিশ্চিত করলো ভারতীয়রা।

এদিন মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে টসে জিতে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় ভারত। ৪৯.৩ ওভারে সবগুলো উইকেট হারিয়ে ১৭২ রান সংগ্রহ করে তারা।

খেলার শরু থেকেই ভারতীয় শিবিরে চাপ তৈরি করতে থাকেন শরিফুল ইসলাম ও মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরী। টাইগারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে ভারত। সফরকারী দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৩৭ রান সংগ্রহ করেন ইয়াশাভি। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৩৬ রান করেন সামির চৌধুরী।

বাংলাদেশের হয়ে ১৬ রান দিয়ে শরিফুল ৩টি উইকেট নেন। এছাড়া মৃত্যুঞ্জয়, রিসাদ, তৌহিদ নেন ২টি করে উইকেট। বাকি ১টি উইকেট নেন মিনহাজুর রহমান।

দ্বিতীয় ইনিংসে ১৭৩ রানের লক্ষ্য নিয়ে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় বাংলাদেশ। ৬ এবং ২ রান করে সাজঘরে ফেরেন দুই ওপেনার নাবিল এবং সাজিদ হোসাইন। ৮ রানে বিদায় নেন অধিনায়ক তৌহিদও।

এরপর মাহমুদুল হাসান জয়কে নিয়ে দলকে টেনে নিতে চেষ্টা চালান শামিম হোসেন। কিন্তু ২৫ রান করে দেশাইয়ের বলে ফিরে যান জয়ও। দেশাইয়ের বলেই কাটা পড়েন রিসাদ। তবে শামিম আর আকবর আলীর ব্যাটে এগিয়ে চলে স্বাগতিকদের ইনিংস। দলের পক্ষে সর্বোচ্চ রান আসে শামিমের ব্যাট থেকে। পাঁচ চার এবং দুই ছয়ে ৫৯ রান করেন তিনি। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৪৫ রান করেন আকবর। এই জুটি আউট হবার পর স্বাগতিক ব্যাটসম্যানদের কেউ আর ইনিংস বড় করতে পারেন নি। যার জন্য ৪৬.২ ওভারে ১৭০ রানে থেমে যায় বাংলাদেশের ইনিংস।