ঢাকা ০২:০২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

ইরানে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারে আন্তর্জাতিক আদালতের নির্দেশ

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

ইরানের ওপর ফের নিষেধাজ্ঞা আরোপ করায় যুক্তরাষ্ট্রকে কঠোর তিরস্কার করেছে আন্তর্জাতিক বিচার আদালত।

পাশাপাশি মানবিক বাণিজ্য, খাদ্য, ওষুধ ও বেসামরিক বিমানের ওপর আরোপ করা বিধিনিষেধ উঠিয়ে নিতেও ওয়াশিংটনকে নির্দেশ দিয়েছে বলে ব্রিটিশ দৈনিক গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

বুধবার সকালে হেগের আদালত এ নির্দেশ দিলে এটাকে নিষেধাজ্ঞায় বিধ্বস্ত ইরানের বিজয় হিসেবে দেখা হচ্ছে। চলতি বছরের জুলাইয়ে ২০১৫ সালের বহুপক্ষীয় পারমাণবিক চুক্তি থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে প্রত্যাহার করার ঘোষণা দেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

আদালতে অভিযোগে ইরান বলেছে, পারমানবিক চুক্তি থেকে একতরফা সরে গিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ১৯৫৫ সালের বিপ্লব-পূর্ব বন্ধুত্বের চুক্তি লঙ্ঘন করেছে। এছাড়াও জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের প্রস্তাবে অনুমোদিত পারমাণবিক চুক্তির শর্তাবলী অমান্য করেছে দেশটি।

আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি সংস্থা(আইএইএ) অন্তত ১২ বার ইরানের পরমাণু কার্যক্রম পরিদর্শন করে নিশ্চিত করে বলেছে, তেহরান চুক্তির সবগুলো শর্ত মেনে চলছে।

গত আগস্টে আদালতের শুনানিতে ইরানের আইনজীবী বলেছেন, ওয়াশিংটনের নিষেধাজ্ঞা ইরানের অর্থনীতির গলা চেপে ধরেছে। সাধারণ মানুষের জীবনের সবগুলো দিকে এ নিষেধাজ্ঞা ক্ষতিকর প্রভাব ফেলছে।

আদালতের বুধবারের নির্দেশকে আপাতত হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। বিচারকরা সর্বসম্মতভাবে এ রায় দিয়েছেন। তবে চূড়ান্ত রায় পেতে কয়েক বছর লাগতে পারে।

এ রায় মেনে চলা বাধ্যতামূলক। এমনকি আপিল করারও কোনো সুযোগ নেই। কিন্তু তা কার্যকর করতে আন্তর্জাতিক আদালতের কিছু করার নেই।

ওয়াশিংটনের যুক্তি হচ্ছে, এটা তাদের জাতীয় নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিষয়।

রায়ের পর ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জাভেদ জারিফ টুইটারে বলেন, এটা নিষেধাজ্ঞা আসক্ত মার্কিন প্রশাসনের আরেকটি ব্যর্থতা। পাশাপাশি আইনের শাসনেরও বিজয়।

একতরফা মার্কিন আধিপত্যের বিরুদ্ধে সম্মিলিতভাবে প্রতিরোধ করা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের জন্য অপরিহার্য বলে তিনি মন্তব্য করেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

ইরানে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারে আন্তর্জাতিক আদালতের নির্দেশ

আপডেট সময় ১২:০৪:২২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ অক্টোবর ২০১৮

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

ইরানের ওপর ফের নিষেধাজ্ঞা আরোপ করায় যুক্তরাষ্ট্রকে কঠোর তিরস্কার করেছে আন্তর্জাতিক বিচার আদালত।

পাশাপাশি মানবিক বাণিজ্য, খাদ্য, ওষুধ ও বেসামরিক বিমানের ওপর আরোপ করা বিধিনিষেধ উঠিয়ে নিতেও ওয়াশিংটনকে নির্দেশ দিয়েছে বলে ব্রিটিশ দৈনিক গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

বুধবার সকালে হেগের আদালত এ নির্দেশ দিলে এটাকে নিষেধাজ্ঞায় বিধ্বস্ত ইরানের বিজয় হিসেবে দেখা হচ্ছে। চলতি বছরের জুলাইয়ে ২০১৫ সালের বহুপক্ষীয় পারমাণবিক চুক্তি থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে প্রত্যাহার করার ঘোষণা দেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

আদালতে অভিযোগে ইরান বলেছে, পারমানবিক চুক্তি থেকে একতরফা সরে গিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ১৯৫৫ সালের বিপ্লব-পূর্ব বন্ধুত্বের চুক্তি লঙ্ঘন করেছে। এছাড়াও জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের প্রস্তাবে অনুমোদিত পারমাণবিক চুক্তির শর্তাবলী অমান্য করেছে দেশটি।

আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি সংস্থা(আইএইএ) অন্তত ১২ বার ইরানের পরমাণু কার্যক্রম পরিদর্শন করে নিশ্চিত করে বলেছে, তেহরান চুক্তির সবগুলো শর্ত মেনে চলছে।

গত আগস্টে আদালতের শুনানিতে ইরানের আইনজীবী বলেছেন, ওয়াশিংটনের নিষেধাজ্ঞা ইরানের অর্থনীতির গলা চেপে ধরেছে। সাধারণ মানুষের জীবনের সবগুলো দিকে এ নিষেধাজ্ঞা ক্ষতিকর প্রভাব ফেলছে।

আদালতের বুধবারের নির্দেশকে আপাতত হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। বিচারকরা সর্বসম্মতভাবে এ রায় দিয়েছেন। তবে চূড়ান্ত রায় পেতে কয়েক বছর লাগতে পারে।

এ রায় মেনে চলা বাধ্যতামূলক। এমনকি আপিল করারও কোনো সুযোগ নেই। কিন্তু তা কার্যকর করতে আন্তর্জাতিক আদালতের কিছু করার নেই।

ওয়াশিংটনের যুক্তি হচ্ছে, এটা তাদের জাতীয় নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিষয়।

রায়ের পর ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জাভেদ জারিফ টুইটারে বলেন, এটা নিষেধাজ্ঞা আসক্ত মার্কিন প্রশাসনের আরেকটি ব্যর্থতা। পাশাপাশি আইনের শাসনেরও বিজয়।

একতরফা মার্কিন আধিপত্যের বিরুদ্ধে সম্মিলিতভাবে প্রতিরোধ করা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের জন্য অপরিহার্য বলে তিনি মন্তব্য করেন।