ঢাকা ০৩:৪৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬, ১৮ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ভোলায় বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষে আহত ২৭ মাঠে থাকুন, মানুষের পাশে দাঁড়ান: নেতাকর্মীদের তারেক রহমান বিএনপি ক্ষমতায় গেলে ফ্রি ইন্টারনেট পাবে সবাই: মাহদী আমিন ‘আমরা কোনো দুর্নীতিগ্রস্ত সরকার দেখতে চাই না’:জামায়াত আমীর শ্রমিক-কর্মচারীদের কর্মবিরতিতে অচল চট্টগ্রাম বন্দর দেশে পৌঁছেছে এক লাখ ৪০ হাজার প্রবাসীর পোস্টাল ব্যালট পদত্যাগের পরও সরকারি বাসায় থাকা নিয়ে যা জানালেন আসিফ মাহমুদ অবশেষে ৭০ হাজার ফিলিস্তিনিকে হত্যার কথা স্বীকার করল ইসরায়েল অসৎ কাজ থেকে বিরত থেকেছি, তাই আমার বুকের জোড় বেশি: মির্জা ফখরুল নির্বাচন ও গণভোটে কঠোর নিরাপত্তায়, সারাদেশে ৩৭ হাজারের বেশি বিজিবি সদস্য মোতায়েন থাকবে

‘ক্ষমতায় থাকতে পুলিশের সঙ্গে চুক্তি করেছে সরকার’

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ক্ষমতায় টিকে থাকতে পুলিশের সঙ্গে সরকার চুক্তি করেছে বলে মন্তব্য করেছেন গণসংহতি আন্দোলন প্রধান সমন্বয়ক জুনায়েদ সাকি। বাংলাদেশ এখন ‘পুলিশি রাষ্ট্রে’ পরিণত হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

বুধরার বিকালে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এক বিক্ষোভ সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন। আলোকচিত্রী শহীদুল হকসহ ৫৭ ধারায় আটকৃতদের মুক্তির দাবি ও ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিলের দাবিতে এই সমাবেশের আয়োজন করা হয়।

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন সম্পর্কে জুনায়েদ সাকি বলেন, ‘আমরা সম্মিলিতভাবে রুখে দাঁড়ালে এই জংলি আইন রুখে দিতে পারবো। কোটা আন্দোলন এবং নিরাপদ সড়ক আন্দোলনের সময় ৫৭ ধারা আইনকে প্রয়োগ করা হলো ছাত্রদের ওপর। ফেসবুকের সামান্য স্ট্যাটাস দেয়ার কারণে ঘর থেকে বের করে এনে রিমান্ডে দেয়া হলো। এ আইন মূলত মানুষকে বাকরুদ্ধ করার জন্যই করা হয়েছে।’

পুলিশের সমালোচনা করে সাকি বলেন, ‘ইতোমধ্যে এই রাষ্ট্রকে পুলিশি রাষ্ট্রে পরিণত করা হয়েছে। পুলিশ ঠিক করবে এদেশে কোনটা করা যাবে আর কোনটা করা যাবে না। যেদেশে আইন আদালত আছে সংবিধান আছে সেদেশে পুলিশ কীভাবে তাদের নিজেদের বানানো আইনে চলে। যেটা আদালতের ঠিক করার কথা আর এখন সেটা ঠিক করছে পুলিশ।’

সাকি বলেন, ‘পুলিশ যাতে জনগণের পকেট কেটে নিজেদের পকেট ভরতে পারে এজন্যই তাদের এতো ক্ষমতা দেয়া হয়েছে। সরকার ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য পুলিশের সাথে চুক্তি করেছে বলে মনে হচ্ছে। কেন তাদের এতো ক্ষমতা দেয়া হচ্ছে। সরকারের দুর্নীতির চিত্র যাতে না তুলে ধরতে পারে সেজন্য এই আইন করা হয়েছে। সরকারের কোনো কর্মকর্তাকে ধরতে হলে তার পূর্ব অনুমতি নিতে হবে-এটা কি কখনো সম্ভব হবে।’

‘বাংলাদেশে এখন কোনো আইনের শাসন নেই। এই সরকার স্বৈরাচারী এবং ফ্যাসিবাদী। এখন সময় হয়েছে তাদের প্রতিহত করার। সরকার এতো দুর্নীতি এবং এতো ক্ষমতার অপব্যবহার করেছে যে, ক্ষমতা হারালে তারাই বেশি আক্রান্ত হবে এটা তারাই বলে বেড়াচ্ছে।’

বিক্ষোভ সমাবেশে আরও উপস্থিত ছিলেন গণসংহতি আন্দোলেন ভারপ্রাপ্ত সমন্বয়ক আবুল হাসান রুবেল, ছাত্র ফেডারেশনের সাবেক সভাপতি সৈকত মন্ডল, রাজনৈতিক ফেডারেশনের আহ্বায়ক ফিরোজ হোসেন প্রমুখ।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‘ক্ষমতায় থাকতে পুলিশের সঙ্গে চুক্তি করেছে সরকার’

আপডেট সময় ০৯:২৭:১৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ অক্টোবর ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ক্ষমতায় টিকে থাকতে পুলিশের সঙ্গে সরকার চুক্তি করেছে বলে মন্তব্য করেছেন গণসংহতি আন্দোলন প্রধান সমন্বয়ক জুনায়েদ সাকি। বাংলাদেশ এখন ‘পুলিশি রাষ্ট্রে’ পরিণত হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

বুধরার বিকালে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এক বিক্ষোভ সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন। আলোকচিত্রী শহীদুল হকসহ ৫৭ ধারায় আটকৃতদের মুক্তির দাবি ও ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিলের দাবিতে এই সমাবেশের আয়োজন করা হয়।

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন সম্পর্কে জুনায়েদ সাকি বলেন, ‘আমরা সম্মিলিতভাবে রুখে দাঁড়ালে এই জংলি আইন রুখে দিতে পারবো। কোটা আন্দোলন এবং নিরাপদ সড়ক আন্দোলনের সময় ৫৭ ধারা আইনকে প্রয়োগ করা হলো ছাত্রদের ওপর। ফেসবুকের সামান্য স্ট্যাটাস দেয়ার কারণে ঘর থেকে বের করে এনে রিমান্ডে দেয়া হলো। এ আইন মূলত মানুষকে বাকরুদ্ধ করার জন্যই করা হয়েছে।’

পুলিশের সমালোচনা করে সাকি বলেন, ‘ইতোমধ্যে এই রাষ্ট্রকে পুলিশি রাষ্ট্রে পরিণত করা হয়েছে। পুলিশ ঠিক করবে এদেশে কোনটা করা যাবে আর কোনটা করা যাবে না। যেদেশে আইন আদালত আছে সংবিধান আছে সেদেশে পুলিশ কীভাবে তাদের নিজেদের বানানো আইনে চলে। যেটা আদালতের ঠিক করার কথা আর এখন সেটা ঠিক করছে পুলিশ।’

সাকি বলেন, ‘পুলিশ যাতে জনগণের পকেট কেটে নিজেদের পকেট ভরতে পারে এজন্যই তাদের এতো ক্ষমতা দেয়া হয়েছে। সরকার ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য পুলিশের সাথে চুক্তি করেছে বলে মনে হচ্ছে। কেন তাদের এতো ক্ষমতা দেয়া হচ্ছে। সরকারের দুর্নীতির চিত্র যাতে না তুলে ধরতে পারে সেজন্য এই আইন করা হয়েছে। সরকারের কোনো কর্মকর্তাকে ধরতে হলে তার পূর্ব অনুমতি নিতে হবে-এটা কি কখনো সম্ভব হবে।’

‘বাংলাদেশে এখন কোনো আইনের শাসন নেই। এই সরকার স্বৈরাচারী এবং ফ্যাসিবাদী। এখন সময় হয়েছে তাদের প্রতিহত করার। সরকার এতো দুর্নীতি এবং এতো ক্ষমতার অপব্যবহার করেছে যে, ক্ষমতা হারালে তারাই বেশি আক্রান্ত হবে এটা তারাই বলে বেড়াচ্ছে।’

বিক্ষোভ সমাবেশে আরও উপস্থিত ছিলেন গণসংহতি আন্দোলেন ভারপ্রাপ্ত সমন্বয়ক আবুল হাসান রুবেল, ছাত্র ফেডারেশনের সাবেক সভাপতি সৈকত মন্ডল, রাজনৈতিক ফেডারেশনের আহ্বায়ক ফিরোজ হোসেন প্রমুখ।