ঢাকা ১২:৫৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬, ১৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
গ্রামের মানুষের ভাগ্যের উন্নয়ন করতে না পারলে দেশের প্রকৃত উন্নয়ন সম্ভব নয়: ভূমি প্রতিমন্ত্রী একনায়কতান্ত্রিক প্রবণতার অবসান ঘটিয়ে জবাবদিহিমূলক সংসদ চাই: হুইপ নিজান অকার্যকর ও সরকারনিয়ন্ত্রিত মানবাধিকার কমিশন চাপিয়ে দিলে তা আত্মঘাতী হবে: টিআইবি সাবেক প্রধান বিচারপতি খায়রুল হকের জামিন বহাল শাপলা চত্বরে হত্যা মামলায় এবার আসামি হচ্ছেন ইনু: চিফ প্রসিকিউটর মহাসচিবের কাছে পদবঞ্চিতদের নালিশ- ‘একসময়ের প্রভাবশালী যুবদল এখন মৃতপ্রায়’ ছাত্রদলের মাসব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা, ৩ আগস্ট ছাত্রসমাবেশে থাকবেন প্রধানমন্ত্রী ময়মনসিংহে স্কুলছাত্র হত্যা মামলায় দুই ভাইয়ের মৃত্যুদণ্ড ভূমিকম্পের আট দিন পর ধ্বংসস্তূপ থেকে জীবিত উদ্ধার এক ব্যক্তি বাংলাদেশ পুলিশের সঙ্গে পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদারে আগ্রহী সৌদি আরব

নওয়াজ শরিফের ১০ বছর কারাদণ্ড

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

দুর্নীতির দায়ে পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফকে দশ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে দেশটির একটি আদালত। একই সঙ্গে তার মেয়ে মরিয়ম নওয়াজকে সাত বছর ও মরিয়মের স্বামী ক্যাপ্টেন সফদারকে এক বছর কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

শুক্রবার পাকিস্তানের অ্যাকাউন্টিবিলিটি কোর্ট এই রায় ঘোষণা করেন। ডন নিউজের খবরে বলা হয়, কারাদণ্ডাদেশের পাশাপাশি নওয়াজের ৮০ লাখ ব্রিটিশ পাউন্ড ও মরিয়মের ২০ লাখ ব্রিটিশ পাউন্ড জরিমানা করা হয়েছে।

আয়ের বিপরীতে যুক্তরাজ্যের লন্ডনে চারটি বিলাসবহুল ফ্ল্যাট থাকার দায়ে তাদের এ সাজা দেয়া হলো। যুক্তরাজ্যের লন্ডনে বিলাসবহুল ফ্ল্যাট কেনার দায়ে তাকে অভিযুক্ত করা হয়।

নওয়াজ ও মরিয়ম লন্ডনে অবস্থান করছেন। নওয়াজের স্ত্রী কুলসুম নওয়াজ ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে লন্ডনে চিকিৎসাধীন। এ কারণে নওয়াজ ও মরিয়ম এই রায় অন্তত সাত দিন পিছিয়ে দেওয়ার জন্য আদালতের কাছে আবেদন করেছিলেন। কিন্তু আদালত আজই এই রায় ঘোষণা করলেন।

সুপ্রিম কোর্টের রায়ে সংসদ সদস্যপদ ও প্রধানমন্ত্রী পদ ছাড়তে হয়েছে পাকিস্তানের তিনবারের নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফকে।

পাকিস্তানের জনপ্রতিনিধিত্ব আইন-১৯৭৬ এর ৭৮ ধারায় মিথ্যা বা ভুল তথ্য দেওয়া ‘অসৎ চর্চা’ হিসেবে স্বীকৃত। আর একই আইনের ৮২ ধারায় তার জন্য শাস্তিবিধানের নির্দেশনা রয়েছে।

যে আইনে নওয়াজকে কাবু করা হয়েছে সেটা জেনারেল জিয়াউল হকের সময় করা হয়েছিল। ইসলামি নৈতিকতার ওপর ভিত্তি করে সেটা বানানো হয়েছিল। তবে এটাতে বিরোধীদের কাবু করার রসদ রয়েছে বলে মনে করেন আইনবিদরা।

প্রসঙ্গত, দুবাইভিত্তিক ক্যাপিটাল এফজেডই কোম্পানিতে চাকরির বিষয়টি ২০১৩ সালের নির্বাচনে মনোনয়নপত্রে উল্লেখ না করে পার্লামেন্ট এবং আদালতের সঙ্গে অসততা করায় নওয়াজ শরিফকে প্রধানমন্ত্রী পদে অযোগ্য ঘোষণা করে সুপ্রিম কোর্ট। পরে পদত্যাগ করেন নওয়াজ।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

গ্রামের মানুষের ভাগ্যের উন্নয়ন করতে না পারলে দেশের প্রকৃত উন্নয়ন সম্ভব নয়: ভূমি প্রতিমন্ত্রী

নওয়াজ শরিফের ১০ বছর কারাদণ্ড

আপডেট সময় ০৬:১৮:৫৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ জুলাই ২০১৮

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

দুর্নীতির দায়ে পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফকে দশ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে দেশটির একটি আদালত। একই সঙ্গে তার মেয়ে মরিয়ম নওয়াজকে সাত বছর ও মরিয়মের স্বামী ক্যাপ্টেন সফদারকে এক বছর কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

শুক্রবার পাকিস্তানের অ্যাকাউন্টিবিলিটি কোর্ট এই রায় ঘোষণা করেন। ডন নিউজের খবরে বলা হয়, কারাদণ্ডাদেশের পাশাপাশি নওয়াজের ৮০ লাখ ব্রিটিশ পাউন্ড ও মরিয়মের ২০ লাখ ব্রিটিশ পাউন্ড জরিমানা করা হয়েছে।

আয়ের বিপরীতে যুক্তরাজ্যের লন্ডনে চারটি বিলাসবহুল ফ্ল্যাট থাকার দায়ে তাদের এ সাজা দেয়া হলো। যুক্তরাজ্যের লন্ডনে বিলাসবহুল ফ্ল্যাট কেনার দায়ে তাকে অভিযুক্ত করা হয়।

নওয়াজ ও মরিয়ম লন্ডনে অবস্থান করছেন। নওয়াজের স্ত্রী কুলসুম নওয়াজ ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে লন্ডনে চিকিৎসাধীন। এ কারণে নওয়াজ ও মরিয়ম এই রায় অন্তত সাত দিন পিছিয়ে দেওয়ার জন্য আদালতের কাছে আবেদন করেছিলেন। কিন্তু আদালত আজই এই রায় ঘোষণা করলেন।

সুপ্রিম কোর্টের রায়ে সংসদ সদস্যপদ ও প্রধানমন্ত্রী পদ ছাড়তে হয়েছে পাকিস্তানের তিনবারের নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফকে।

পাকিস্তানের জনপ্রতিনিধিত্ব আইন-১৯৭৬ এর ৭৮ ধারায় মিথ্যা বা ভুল তথ্য দেওয়া ‘অসৎ চর্চা’ হিসেবে স্বীকৃত। আর একই আইনের ৮২ ধারায় তার জন্য শাস্তিবিধানের নির্দেশনা রয়েছে।

যে আইনে নওয়াজকে কাবু করা হয়েছে সেটা জেনারেল জিয়াউল হকের সময় করা হয়েছিল। ইসলামি নৈতিকতার ওপর ভিত্তি করে সেটা বানানো হয়েছিল। তবে এটাতে বিরোধীদের কাবু করার রসদ রয়েছে বলে মনে করেন আইনবিদরা।

প্রসঙ্গত, দুবাইভিত্তিক ক্যাপিটাল এফজেডই কোম্পানিতে চাকরির বিষয়টি ২০১৩ সালের নির্বাচনে মনোনয়নপত্রে উল্লেখ না করে পার্লামেন্ট এবং আদালতের সঙ্গে অসততা করায় নওয়াজ শরিফকে প্রধানমন্ত্রী পদে অযোগ্য ঘোষণা করে সুপ্রিম কোর্ট। পরে পদত্যাগ করেন নওয়াজ।