ঢাকা ১২:০৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
তারুণ্যের আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করে দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলা হবে: মাহ্দী আমিন আমরা বৈষম্যহীন বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখি: হাসনাত আবদুল্লাহ চাঁদপুরে শিশু ধর্ষণ মামলায় একজনের যাবজ্জীবন এমপি গাজী নজরুলের বিষয়ে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবে ইসি ধর্মের নামে বিভাজনের রাজনীতির সুযোগ নেই : মির্জা ফখরুল প্রতিটি নাগরিকের স্বাস্থ্যসেবা পাওয়ার অধিকার রয়েছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী হরমুজে প্রতিটি হামলার জন্য একটি করে ইরানি সেতু বা বিদ্যুৎ কেন্দ্র গুঁড়িয়ে দেওয়া হবে: ট্রাম্প ২১ দিনে রেমিট্যান্স এলো প্রায় ২৫ হাজার ৭৬৮ কোটি ৫০ লাখ টাকা গত ১৭ বছর দেশে জনগণের নির্বাচিত সরকার ছিল না: খায়রুল কবির খোকন পোশাক শিল্পের বিকাশে প্রতিবন্ধকতা দ্রুত দূর করার নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রীর

রাজশাহীতে মনোনয়নপত্র জমা দিলেন বুলবুল

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন (রাসিক) নির্বাচনে আবারও মেয়র পদে লড়তে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন মহানগর বিএনপির সভাপতি মোহাম্মদ মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল।

বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে জেলা নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয়ে রিটার্নিং অফিসার সৈয়দ আমিরুল ইসলামের কাছে তিনি মনোনয়নপত্র জমা দেন।

এ সময় বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও সাবেক সিটি মেয়র মিজানুর রহমান মিনু, বিএনপির রাজশাহী বিভাগের সহসাংগঠনিক সম্পাদক শাহীন শওকত, জেলা বিএনপির সভাপতি তোফাজ্জল হোসেন তপু, মহানগরের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট শফিকুল হক মিলন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার পর ২০ দলীয় জোটের প্রার্থী মোহাম্মদ মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল বলেন, নির্বাচন কমিশনের প্রতি তাদের আস্থা নেই। তবে ভোট সুষ্ঠু হলে রাজশাহীতে ধানের শীষ প্রতীকের বিজয় নিশ্চিত।

নির্বাচনে অংশ নেয়াকে বিএনপি কারাবন্দি চেয়ারপারসনের মুক্তির আন্দোলনের একটা অংশ হিসেবে নিয়েছে। আর সে জন্যই কমিশনের প্রতি আস্থা না থাকলেও তিনি নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন বলে জানান।

১৯৯১ থেকে ২০০৭ সাল পর্যন্ত একটানা ১৬ বছর রাসিকের মেয়র ছিলেন বিএনপি নেতা মিজানুর রহমান মিনু। ২০০৮ সালের নির্বাচনে তিনি কারাগারে থাকায় নির্বাচনে অংশ নিতে পারেননি। তাই দলীয় সমর্থন পেয়ে সেবারই প্রথমবারের মতো মেয়র পদে লড়াইয়ের সুযোগ পান তৎকালীন মহানগর যুবদলের সভাপতি মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল।

ওই নির্বাচনে তিনি মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটনের কাছে পরাজিত হন। তবে পাঁচ বছর পর ২০১৩ সালের নির্বাচনে লিটনকে পরাজিত করে মেয়র হন বুলবুল। কিন্তু দায়িত্বগ্রহণের পর ফৌজদারি মামলায় অভিযুক্ত হওয়ায় বুলবুল মেয়র পদ থেকে বরখাস্ত হন একাধিকবার। দুদফায় জেল খাটেন প্রায় ছয় মাস। পাঁচ বছরের মধ্যে সব মিলিয়ে তিনি দায়িত্বপালন করেছেন ২৬ মাস।

এবার নির্বাচনেও অংশ নিতে রাজশাহী থেকে একমাত্র নেতা হিসেবে তিনি বিএনপির মনোনয়ন ফরম কিনেছিলেন। দলের মনোনয়নও পেয়েছেন।

আগামী ৩০ জুলাইয়ের এই নির্বাচনে অংশ নিতে বুধবার মেয়র পদ থেকে পদত্যাগ করেন মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

তারুণ্যের আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করে দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলা হবে: মাহ্দী আমিন

রাজশাহীতে মনোনয়নপত্র জমা দিলেন বুলবুল

আপডেট সময় ০৬:০৮:১০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ জুন ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন (রাসিক) নির্বাচনে আবারও মেয়র পদে লড়তে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন মহানগর বিএনপির সভাপতি মোহাম্মদ মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল।

বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে জেলা নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয়ে রিটার্নিং অফিসার সৈয়দ আমিরুল ইসলামের কাছে তিনি মনোনয়নপত্র জমা দেন।

এ সময় বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও সাবেক সিটি মেয়র মিজানুর রহমান মিনু, বিএনপির রাজশাহী বিভাগের সহসাংগঠনিক সম্পাদক শাহীন শওকত, জেলা বিএনপির সভাপতি তোফাজ্জল হোসেন তপু, মহানগরের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট শফিকুল হক মিলন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার পর ২০ দলীয় জোটের প্রার্থী মোহাম্মদ মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল বলেন, নির্বাচন কমিশনের প্রতি তাদের আস্থা নেই। তবে ভোট সুষ্ঠু হলে রাজশাহীতে ধানের শীষ প্রতীকের বিজয় নিশ্চিত।

নির্বাচনে অংশ নেয়াকে বিএনপি কারাবন্দি চেয়ারপারসনের মুক্তির আন্দোলনের একটা অংশ হিসেবে নিয়েছে। আর সে জন্যই কমিশনের প্রতি আস্থা না থাকলেও তিনি নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন বলে জানান।

১৯৯১ থেকে ২০০৭ সাল পর্যন্ত একটানা ১৬ বছর রাসিকের মেয়র ছিলেন বিএনপি নেতা মিজানুর রহমান মিনু। ২০০৮ সালের নির্বাচনে তিনি কারাগারে থাকায় নির্বাচনে অংশ নিতে পারেননি। তাই দলীয় সমর্থন পেয়ে সেবারই প্রথমবারের মতো মেয়র পদে লড়াইয়ের সুযোগ পান তৎকালীন মহানগর যুবদলের সভাপতি মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল।

ওই নির্বাচনে তিনি মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটনের কাছে পরাজিত হন। তবে পাঁচ বছর পর ২০১৩ সালের নির্বাচনে লিটনকে পরাজিত করে মেয়র হন বুলবুল। কিন্তু দায়িত্বগ্রহণের পর ফৌজদারি মামলায় অভিযুক্ত হওয়ায় বুলবুল মেয়র পদ থেকে বরখাস্ত হন একাধিকবার। দুদফায় জেল খাটেন প্রায় ছয় মাস। পাঁচ বছরের মধ্যে সব মিলিয়ে তিনি দায়িত্বপালন করেছেন ২৬ মাস।

এবার নির্বাচনেও অংশ নিতে রাজশাহী থেকে একমাত্র নেতা হিসেবে তিনি বিএনপির মনোনয়ন ফরম কিনেছিলেন। দলের মনোনয়নও পেয়েছেন।

আগামী ৩০ জুলাইয়ের এই নির্বাচনে অংশ নিতে বুধবার মেয়র পদ থেকে পদত্যাগ করেন মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল।