ঢাকা ১১:২৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

নারীদের বিক্ষোভে পর্নো সাইটের মালিক গ্রেফতার

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

নারীদের ব্যাপক বিক্ষোভের মুখে দক্ষিণ কোরিয়ায় সোরা.নেট নামে একটি পর্নোগ্রাফি সাইটের মালিককে গ্রেফতার করেছে দেশটির আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। গোপনে ধারণ করা ভিডিওতে থাকা নারীদের অজান্তেই কুখ্যাত ওই পর্নো সাইটটিতে প্রচার করা হতো। খবর কোরিয়া হ্যারাল্ডের।

ভিডিওগুলো প্রকাশ পেলে বেশ কয়েকজন নারী আত্মহত্যা করেন। এরপর সাইটটি বন্ধ করার জন্য সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।

এ কারণে ২০১৬ সালে নিষিদ্ধ করা করা হয় সাইটটি। তারপরও সোরা.নেটের ভিউয়ার ছিল ১০ লাখেরও বেশি। সেখানে হাজার হাজার ভিডিও ছিল যেখানে ভিডিওতে থাকা নারীদের কোন অনুমতি নেয়া হয় নি। এমনকি অনেক ক্ষেত্রে তারা জানতেন না যে ভিডিও ধারণ করা হয়েছে।

২০১৫ সাল থেকে ওই পর্নো সাইটের মালিক নিউজিল্যান্ডে পালিয়ে ছিলেন। গত ১৮ জুন গোপনে কোরিয়ায় ফিরে আসলে পুলিশ তার পিছু নেয়।

পুলিশ বলছে, ওয়েবসাইটটির মালিক অবৈধ যৌনপল্লী এবং জুয়া খেলার বিজ্ঞাপন ওই সাইটে ব্যবহার করে প্রচুর অর্থ উপার্জন করেছেন।

কিন্তু সন্দেহভাজন ওই নারী যার নামের শেষের অংশ সং তিনি এ দোষ অস্বীকার করেছেন। তার দাবি, সাইটের যারা ব্যবহারকারী তারাই অবৈধ এসব ভিডিও তৈরি করেছে।

দক্ষিণ কোরিয়ায় পর্নোগ্রাফি তৈরি এবং প্রচার করা অবৈধ। সং নামের ওই নারীকে শিশু-কিশোর যৌন নিরাপত্তা আইনে অভিযুক্ত করা হয়েছে।

বিদেশি সার্ভার ব্যবহার করে ১৯৯৯ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত তিনিসহ আরও চারজন ওই সাইট চালাতেন যার মধ্যে তার স্বামীও ছিলেন।

সন্দেহভাজন আরো দুইজনকে এ কাজের সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। এই ওয়েবসাইটের বেশিরভাগ ভিডিও গোপন ক্যামেরায় ধারণ করা হয়েছে বাথরুমে বা কোন দোকানের পোশাক পাল্টানোর ঘর থেকে।

আবার অনেক ভিডিও তাদের আগের পার্টনাররা প্রতিশোধমূলক ভাবে আপলোড করেছে। এ বছরের মে মাসে ১০ হাজারের বেশি নারী রাস্তায় নেমে ডিজিটাল সেক্স ক্রাইম নিয়ে তদন্ত করার জন্য বিক্ষোভ করে। সউলে এর আগে নারীদের অধিকার নিয়ে এত বড় সমাবেশ আর হয়নি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

নারীদের বিক্ষোভে পর্নো সাইটের মালিক গ্রেফতার

আপডেট সময় ০৮:১৫:৩০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৭ জুন ২০১৮

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

নারীদের ব্যাপক বিক্ষোভের মুখে দক্ষিণ কোরিয়ায় সোরা.নেট নামে একটি পর্নোগ্রাফি সাইটের মালিককে গ্রেফতার করেছে দেশটির আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। গোপনে ধারণ করা ভিডিওতে থাকা নারীদের অজান্তেই কুখ্যাত ওই পর্নো সাইটটিতে প্রচার করা হতো। খবর কোরিয়া হ্যারাল্ডের।

ভিডিওগুলো প্রকাশ পেলে বেশ কয়েকজন নারী আত্মহত্যা করেন। এরপর সাইটটি বন্ধ করার জন্য সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।

এ কারণে ২০১৬ সালে নিষিদ্ধ করা করা হয় সাইটটি। তারপরও সোরা.নেটের ভিউয়ার ছিল ১০ লাখেরও বেশি। সেখানে হাজার হাজার ভিডিও ছিল যেখানে ভিডিওতে থাকা নারীদের কোন অনুমতি নেয়া হয় নি। এমনকি অনেক ক্ষেত্রে তারা জানতেন না যে ভিডিও ধারণ করা হয়েছে।

২০১৫ সাল থেকে ওই পর্নো সাইটের মালিক নিউজিল্যান্ডে পালিয়ে ছিলেন। গত ১৮ জুন গোপনে কোরিয়ায় ফিরে আসলে পুলিশ তার পিছু নেয়।

পুলিশ বলছে, ওয়েবসাইটটির মালিক অবৈধ যৌনপল্লী এবং জুয়া খেলার বিজ্ঞাপন ওই সাইটে ব্যবহার করে প্রচুর অর্থ উপার্জন করেছেন।

কিন্তু সন্দেহভাজন ওই নারী যার নামের শেষের অংশ সং তিনি এ দোষ অস্বীকার করেছেন। তার দাবি, সাইটের যারা ব্যবহারকারী তারাই অবৈধ এসব ভিডিও তৈরি করেছে।

দক্ষিণ কোরিয়ায় পর্নোগ্রাফি তৈরি এবং প্রচার করা অবৈধ। সং নামের ওই নারীকে শিশু-কিশোর যৌন নিরাপত্তা আইনে অভিযুক্ত করা হয়েছে।

বিদেশি সার্ভার ব্যবহার করে ১৯৯৯ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত তিনিসহ আরও চারজন ওই সাইট চালাতেন যার মধ্যে তার স্বামীও ছিলেন।

সন্দেহভাজন আরো দুইজনকে এ কাজের সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। এই ওয়েবসাইটের বেশিরভাগ ভিডিও গোপন ক্যামেরায় ধারণ করা হয়েছে বাথরুমে বা কোন দোকানের পোশাক পাল্টানোর ঘর থেকে।

আবার অনেক ভিডিও তাদের আগের পার্টনাররা প্রতিশোধমূলক ভাবে আপলোড করেছে। এ বছরের মে মাসে ১০ হাজারের বেশি নারী রাস্তায় নেমে ডিজিটাল সেক্স ক্রাইম নিয়ে তদন্ত করার জন্য বিক্ষোভ করে। সউলে এর আগে নারীদের অধিকার নিয়ে এত বড় সমাবেশ আর হয়নি।