ঢাকা ০২:১৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
‘আগামীতে যারা ক্ষমতায় যাবেন তারা যেন প্রবাসীদের নিয়ে কাজ করেন’:নজরুল ইসলাম নির্বাচনে কোনও ব্যাঘাত ঘটলে দেশের গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন বিঘ্নিত হবে: শামসুজ্জামান দুদু নাজমুলের পদত্যাগের দাবিতে অনড় ক্রিকেটাররা, মাঠে যাননি কেউ ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই ইরানে হামলা হতে পারে: রয়টার্স আওয়ামী লীগ ভুল স্বীকার করলে রিকনসিলিয়েশন সম্ভব: প্রধান উপদেষ্টা নাজমুল পদত্যাগ না করলে খেলা বর্জনের হুমকি ক্রিকেটারদের চাঁদাবাজি-মাস্তানি করলে এখনই বিএনপি থেকে বের হয়ে যান: আমীর খসরু আগামী সপ্তাহ থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫ দেশের জন্য মার্কিন ভিসা কার্যক্রম স্থগিত একটি দল বাড়ি বাড়ি গিয়ে এনআইডি ও বিকাশ নম্বর সংগ্রহ করছে: নজরুল ইসলাম খান স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করায় বিএনপি নেতা সাজুকে বহিষ্কার

রাসেলের কেন্দ্রেও এজেন্ট নেই বিএনপির

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ৪৬ নং ওয়ার্ডের নোঁয়াগাও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও নোঁয়াগাও এম এ মজিদ মিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের ভোট কেন্দ্রে বিএনপির কোনো পোলিং এজেন্ট দেখা যায়নি।

সকাল থেকে এই কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ শুরু হয়। এই কেন্দ্রটি স্থানীয় সংসদ সদস্য জাহিদ আহসান রাসেলের বাসভবনের সামনে অবস্থিত। এখানে বিএনপির কেউ এজেন্ট হতে আবেদনই করেননি।

মেয়র পদে বিএনপি এজেন্ট না দিলেও আওয়ামী লীগের জাহাঙ্গীর আলমের নৌকার পাশাপাশি ইসলামী আন্দোলনের নাসির উদ্দিনের হাতপাখার পক্ষে এজেন্ট আছেন।

সকাল আটটা থেকে নগরীর ৪২৫টি কেন্দ্রের মতো এখানেও ভোট শুরু হয়। আর বেলা ১১টার দিকে নোঁয়াগাও এম এ মজিদ মিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের ১নং বুথে ভোট দেন সাংসদ রাসেল।

এর আগে সকালে টঙ্গীর বছিরউদ্দিন উদয়ন একাডেমি কেন্দ্রে বিএনপির প্রার্থী হাসান উদ্দিন সরকার এবং কানাইয়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভোট দেন আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী জাহাঙ্গীর আলম।

ভোট দিয়েই হাসান সরকার ১০টি কেন্দ্র থেকে এজেন্ট বের করে দেয়ার অভিযোগ করেন।

এর মধ্যে জাহাঙ্গীরের কেন্দ্র কানাইয়া এবং সাংসদ রাসেল তার বাড়ি লাগোয়া কেন্দ্রে বিএনপির এজেন্ট না থাকার বিষয়টি জানা যায়। তবে অন্য এজেন্ট, নিরাপত্তা কর্মী বা স্থানীয়রা জানান, এখান থেকে কোনো প্রার্থীর এজেন্টকে বের করা হয়নি। যারা সকালে এসেছেন, তারা সবাই দায়িত্ব পালন করছেন। বিএনপির মেয়র প্রার্থী এখানে কোন এজেন্টই দেননি।

গাজীপুর মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মতিউর রহমান মতি বলেন, ‘এই ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত। এখানে বিএনপির সক্রিয় কোন নেতাকর্মী নাই। তাই তারা এজেন্ট দিতে ব্যর্থ হয়েছে। এতে আমাদের কি করার আছে?’

এখানে বিএনপির পক্ষে এজেন্ট নেই কেন- জানতে চাইলে কেন্দ্রটির প্রিজাইডিং কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম দৈনিক আকাশকে বলেন, ‘বিএনপি কোনো এজেন্ট দেয়নি। এলাকাগত একটা ব্যাপার কাজ করেছে এখানে আমার ধারণা। আওয়ামী লীগের সাংসদ জাহিদ আহসান রাসেলের নিজের কেন্দ্র হওয়ায় এখানে বিএনপি’র কেউ আসেনি। তবে ভোট সুষ্ঠু করতে সব চেষ্টা করব।’

এই কেন্দ্রে এজেন্ট দিতে না পারার বিষয়ে জানতে বিএনপির বক্তব্য পাওয়া যায়নি। দলের প্রার্থী হাসান উদ্দিন সরকার এবং তার সহকারী জনি কিবরিয়াকে একাধিকবার কল দিলেও কেউ ফোন ধরেননি।

টঙ্গীর নোঁয়াগাও এম এ মজিদ মিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের এই ভোট কেন্দ্রের পাশেই সংসদ সদস্য রাসেলের বাড়ি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‘আগামীতে যারা ক্ষমতায় যাবেন তারা যেন প্রবাসীদের নিয়ে কাজ করেন’:নজরুল ইসলাম

রাসেলের কেন্দ্রেও এজেন্ট নেই বিএনপির

আপডেট সময় ১২:৩২:২১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ জুন ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ৪৬ নং ওয়ার্ডের নোঁয়াগাও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও নোঁয়াগাও এম এ মজিদ মিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের ভোট কেন্দ্রে বিএনপির কোনো পোলিং এজেন্ট দেখা যায়নি।

সকাল থেকে এই কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ শুরু হয়। এই কেন্দ্রটি স্থানীয় সংসদ সদস্য জাহিদ আহসান রাসেলের বাসভবনের সামনে অবস্থিত। এখানে বিএনপির কেউ এজেন্ট হতে আবেদনই করেননি।

মেয়র পদে বিএনপি এজেন্ট না দিলেও আওয়ামী লীগের জাহাঙ্গীর আলমের নৌকার পাশাপাশি ইসলামী আন্দোলনের নাসির উদ্দিনের হাতপাখার পক্ষে এজেন্ট আছেন।

সকাল আটটা থেকে নগরীর ৪২৫টি কেন্দ্রের মতো এখানেও ভোট শুরু হয়। আর বেলা ১১টার দিকে নোঁয়াগাও এম এ মজিদ মিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের ১নং বুথে ভোট দেন সাংসদ রাসেল।

এর আগে সকালে টঙ্গীর বছিরউদ্দিন উদয়ন একাডেমি কেন্দ্রে বিএনপির প্রার্থী হাসান উদ্দিন সরকার এবং কানাইয়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভোট দেন আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী জাহাঙ্গীর আলম।

ভোট দিয়েই হাসান সরকার ১০টি কেন্দ্র থেকে এজেন্ট বের করে দেয়ার অভিযোগ করেন।

এর মধ্যে জাহাঙ্গীরের কেন্দ্র কানাইয়া এবং সাংসদ রাসেল তার বাড়ি লাগোয়া কেন্দ্রে বিএনপির এজেন্ট না থাকার বিষয়টি জানা যায়। তবে অন্য এজেন্ট, নিরাপত্তা কর্মী বা স্থানীয়রা জানান, এখান থেকে কোনো প্রার্থীর এজেন্টকে বের করা হয়নি। যারা সকালে এসেছেন, তারা সবাই দায়িত্ব পালন করছেন। বিএনপির মেয়র প্রার্থী এখানে কোন এজেন্টই দেননি।

গাজীপুর মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মতিউর রহমান মতি বলেন, ‘এই ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত। এখানে বিএনপির সক্রিয় কোন নেতাকর্মী নাই। তাই তারা এজেন্ট দিতে ব্যর্থ হয়েছে। এতে আমাদের কি করার আছে?’

এখানে বিএনপির পক্ষে এজেন্ট নেই কেন- জানতে চাইলে কেন্দ্রটির প্রিজাইডিং কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম দৈনিক আকাশকে বলেন, ‘বিএনপি কোনো এজেন্ট দেয়নি। এলাকাগত একটা ব্যাপার কাজ করেছে এখানে আমার ধারণা। আওয়ামী লীগের সাংসদ জাহিদ আহসান রাসেলের নিজের কেন্দ্র হওয়ায় এখানে বিএনপি’র কেউ আসেনি। তবে ভোট সুষ্ঠু করতে সব চেষ্টা করব।’

এই কেন্দ্রে এজেন্ট দিতে না পারার বিষয়ে জানতে বিএনপির বক্তব্য পাওয়া যায়নি। দলের প্রার্থী হাসান উদ্দিন সরকার এবং তার সহকারী জনি কিবরিয়াকে একাধিকবার কল দিলেও কেউ ফোন ধরেননি।

টঙ্গীর নোঁয়াগাও এম এ মজিদ মিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের এই ভোট কেন্দ্রের পাশেই সংসদ সদস্য রাসেলের বাড়ি।