ঢাকা ১২:২২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

৪২৫ কেন্দ্রের ৩৩৭টি ঝুঁকিপূর্ণ

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে যে ৪২৫টি কেন্দ্রে ভোট নেয়া হচ্ছে, তার মধ্যে ৩৩৭টি কেন্দ্রকেই ‘গুরুত্বপূর্ণ’ চিহ্নিত করেছে নির্বাচন কমিশন। বাকি ৮৮টি কেন্দ্র নিয়ে কোনো ধরনের উদ্বেগ নেই।

প্রতি নির্বাচনেই নির্বাচন কমিশন ও স্থানীয় প্রশাসন এই গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র চিহ্নিত করে সা সাধারণত ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবেই পরিচিত।

প্রার্থীর বাড়ির আশেপাশে, তার প্রভাব বলয়ে থাকা, অতীতে ভোটে গোলযোগ হয়েছিল আর কেন্দ্র থেকে নির্দিষ্ট দূরত্বের বাইরের বিবেচনায় এই কেন্দ্রগুলো নির্ধারিত হয়।

সাধারণ কেন্দ্রের তুলনায় গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে বরাবরই নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার থাকে। গাজীপুরেও তার অন্যথা হয়নি।

রিটার্নিং কর্মকর্তা রকিবউদ্দিন মণ্ডল দৈনিক আকাশকে বলেন, ‘নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য করার জন্য সব ধরনের ব্যবস্থা ইতোমধ্যে গ্রহণ করা হয়েছে। আর ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে অতিরিক্ত নিরাপত্তা জোরদার ও সিসি ক্যামেরা বসানো হয়েছে।’

রিটার্নিং কর্মকর্তার তথ্যমতে, গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে পুলিশ, আনসার ভিডিপিসহ ২৪ জন সদস্য মোতায়েন থাকবে। এদের ১২ জন থাকবে অস্ত্রধারী। আর সাধারণ কেন্দ্রগুলোতে নিরাপত্তা কর্মী থাকবে ২২ জন। এদের মধ্যে অস্ত্রধারীসহ থাকবেন ১০ জন।

৩২৯ বর্গ কিলোমিটার আয়তনের গাজীপুর সিটি করপোরেশনের ৫৭টি ওয়ার্ডে মোট ভোটার ১১ লাখ ৩৭ হাজার ৭৩৭ জন। এর মধ্যে ৫ লাখ ৭৯ হাজার ৯৩৫ জন পুরুষ এবং ৫ লাখ ৬৭ হাজার ৮০১ জন নারী।

এই ভোটাররা একজন মেয়র ছাড়াও ৫৭টি ওয়ার্ডের প্রতিটিতে একজন করে সাধারণ কাউন্সিলর এবং প্রতি তিনটি সাধারণ ওয়ার্ড মিলিয়ে একজন করে সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর নির্বাচিত করবেন।

তবে বরাবরের মতো এবারও সবচেয়ে বেশি আলোচিত হচ্ছে মেয়র নির্বাচন নিয়ে। এই পদে ভোট হচ্ছে দলীয় প্রতীকে আর কাউন্সিলর পদে ভোট হচ্ছে নির্দলীয় প্রতীকে।

মেয়র পদে নৌকা নিয়ে লড়ছেন আওয়ামী লীগের জাহাঙ্গীর আলম, ধানের শীষ নিয়ে লড়ছেন বিএনপির হাসান উদ্দিন সরকার।

এর বাইরে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির কাজী মো. রুহুল আমীন কাস্তে, ইসলামী ঐক্যজোটের ফজলুর রহমান মিনার, ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশের জালাল উদ্দিন মোমবাতি, ইসলামী আন্দোলনের নাসির উদ্দিন হাত পাখা ও স্বতন্ত্র প্রার্থী ফরিদ আহমেদ টেবিল ঘড়ি প্রতীক নিয়ে লড়ছেন।

সাধারণ ওয়ার্ড কাউন্সিলর পদে ২৫৪ জন এবং সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর পদে লড়ছেন ৮৪ জন প্রার্থী।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

৪২৫ কেন্দ্রের ৩৩৭টি ঝুঁকিপূর্ণ

আপডেট সময় ০৮:২৫:৫৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ জুন ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে যে ৪২৫টি কেন্দ্রে ভোট নেয়া হচ্ছে, তার মধ্যে ৩৩৭টি কেন্দ্রকেই ‘গুরুত্বপূর্ণ’ চিহ্নিত করেছে নির্বাচন কমিশন। বাকি ৮৮টি কেন্দ্র নিয়ে কোনো ধরনের উদ্বেগ নেই।

প্রতি নির্বাচনেই নির্বাচন কমিশন ও স্থানীয় প্রশাসন এই গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র চিহ্নিত করে সা সাধারণত ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবেই পরিচিত।

প্রার্থীর বাড়ির আশেপাশে, তার প্রভাব বলয়ে থাকা, অতীতে ভোটে গোলযোগ হয়েছিল আর কেন্দ্র থেকে নির্দিষ্ট দূরত্বের বাইরের বিবেচনায় এই কেন্দ্রগুলো নির্ধারিত হয়।

সাধারণ কেন্দ্রের তুলনায় গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে বরাবরই নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার থাকে। গাজীপুরেও তার অন্যথা হয়নি।

রিটার্নিং কর্মকর্তা রকিবউদ্দিন মণ্ডল দৈনিক আকাশকে বলেন, ‘নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য করার জন্য সব ধরনের ব্যবস্থা ইতোমধ্যে গ্রহণ করা হয়েছে। আর ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে অতিরিক্ত নিরাপত্তা জোরদার ও সিসি ক্যামেরা বসানো হয়েছে।’

রিটার্নিং কর্মকর্তার তথ্যমতে, গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে পুলিশ, আনসার ভিডিপিসহ ২৪ জন সদস্য মোতায়েন থাকবে। এদের ১২ জন থাকবে অস্ত্রধারী। আর সাধারণ কেন্দ্রগুলোতে নিরাপত্তা কর্মী থাকবে ২২ জন। এদের মধ্যে অস্ত্রধারীসহ থাকবেন ১০ জন।

৩২৯ বর্গ কিলোমিটার আয়তনের গাজীপুর সিটি করপোরেশনের ৫৭টি ওয়ার্ডে মোট ভোটার ১১ লাখ ৩৭ হাজার ৭৩৭ জন। এর মধ্যে ৫ লাখ ৭৯ হাজার ৯৩৫ জন পুরুষ এবং ৫ লাখ ৬৭ হাজার ৮০১ জন নারী।

এই ভোটাররা একজন মেয়র ছাড়াও ৫৭টি ওয়ার্ডের প্রতিটিতে একজন করে সাধারণ কাউন্সিলর এবং প্রতি তিনটি সাধারণ ওয়ার্ড মিলিয়ে একজন করে সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর নির্বাচিত করবেন।

তবে বরাবরের মতো এবারও সবচেয়ে বেশি আলোচিত হচ্ছে মেয়র নির্বাচন নিয়ে। এই পদে ভোট হচ্ছে দলীয় প্রতীকে আর কাউন্সিলর পদে ভোট হচ্ছে নির্দলীয় প্রতীকে।

মেয়র পদে নৌকা নিয়ে লড়ছেন আওয়ামী লীগের জাহাঙ্গীর আলম, ধানের শীষ নিয়ে লড়ছেন বিএনপির হাসান উদ্দিন সরকার।

এর বাইরে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির কাজী মো. রুহুল আমীন কাস্তে, ইসলামী ঐক্যজোটের ফজলুর রহমান মিনার, ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশের জালাল উদ্দিন মোমবাতি, ইসলামী আন্দোলনের নাসির উদ্দিন হাত পাখা ও স্বতন্ত্র প্রার্থী ফরিদ আহমেদ টেবিল ঘড়ি প্রতীক নিয়ে লড়ছেন।

সাধারণ ওয়ার্ড কাউন্সিলর পদে ২৫৪ জন এবং সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর পদে লড়ছেন ৮৪ জন প্রার্থী।