ঢাকা ০৬:১৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬, ১৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নির্বাচনের পরিবেশ বিগত সরকারের আমলের চেয়ে ভালো: শফিকুল আলম সহিংসতার রাজনীতি বন্ধে তারেক রহমানকে দায়িত্ব নিতে হবে: আখতার ফেনীতে শিশু নাশিত হত্যা মামলায় তিনজনের ফাঁসি আগে একাত্তর নিয়ে মাফ চেয়ে এরপর ভোট চান : মির্জা ফখরুল উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠক অনুষ্ঠিত ক্ষমতায় গেলে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ মওকুফ ও পদ্মা ব্যারেজ করার প্রতিশ্রুতি একটি গ্রুপ ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং করার চেষ্টা করছে : মির্জা আব্বাস পাকিস্তান শুধু চেঁচামেচি করছে, বিশ্বকাপ অবশ্যই খেলবে: হার্শা ভোগলে গণতন্ত্রের উত্তরণের প্রক্রিয়াকে যারাই বাধাগ্রস্ত করবে জনগণ তাদেরকে প্রত্যাখ্যান করবে : সালাহউদ্দিন

চাওয়া-পাওয়ার কিছুই নেই, উন্নয়নই আমার লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আমার কোনো চাওয়া-পাওয়ার কিছুই নেই। মা-বাবাসহ সব হারিয়েছি। আমার লক্ষ্য একটিই- এ দেশের উন্নয়ন করে যাওয়া। আমার বাবা আজীবন মানুষের জন্য সংগ্রাম করে গেছেন, তিনি স্বাধীনতা দিয়ে গেছেন। আমি তার দেখানো পথে দেশের উন্নয়ন করে যাচ্ছি।

রোববার সকালে গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে কুড়িগ্রামের ধরলা নদীর ওপর নির্মিত ‘শেখ হাসিনা ধরলা সেতুর’উদ্বোধনকালে তিনি এসব কথা বলেন।

শেখ হাসিনা বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় থাকলেই দেশের উন্নয়ন হয়। পর পর দুবার ক্ষমতায় থেকে দেশের উন্নয়ন করেছি। সরকারের ধারাবাহিকতা থাকলে যে উন্নয়ন করা যায় তা আমরা করে দেখিয়েছি।

বাংলাদেশকে উন্নত-সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করে তিনি বলেন, ইনশাআল্লাহ, ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশ হবে একটি উন্নত ও সমৃদ্ধশালী দেশ। এর সুফল ভোগ করবে দেশের মানুষ।

ধরলা নদীতে সেতুটি বাস্তবায়নের ফলে রংপুরের সঙ্গে কুড়িগ্রাম ও লালমনিরহাটের মানুষের মধ্যে যোগাযোগব্যবস্থা আরও সহজ হয়েছে। ধরলা নদীর ওপর নির্মিত দ্বিতীয় সেতুটি উদ্বোধন করে তা এই তিন জেলার মানুষকে ঈদ উপহার হিসেবে দেন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের প্রতিটি অঞ্চলে আমি গিয়েছি। কুড়িগ্রাম, লালমনিরহাটের প্রতিটি উপজেলায় গিয়েছি। সেখানকার মানুষের সমস্যার কথা শুনেছি। সরকারে আসার পর এসব মানুষের উন্নয়নে নানা উদ্যোগও নিয়েছি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ধরলা নদীর ওপর প্রথম সেতু আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পরই হয়েছিল। এবার ধরলার দ্বিতীয় সেতুটি কুড়িগ্রাম, রংপুর ও লালমনিরহাটের মানুষকে আমি ঈদ উপহার হিসেবে দিয়েছি। এটি আপনারা রক্ষণাবেক্ষণ করবেন।

শেখ হাসিনা বলেন, ধরলার প্রথম সেতু আমি উদ্বোধন করে যেতে পারিনি। তা পরবর্তী সরকার ক্ষমতা গ্রহণের মাস-দুয়েকের মধ্যে উদ্বোধন করে। কিন্তু তারা তখন বলে আগের সরকার কোনো উন্নয়ন করেনি। অথচ আমাদের করা সেতুই গিয়ে তারা উদ্বোধন করেছে। যদিও পরবর্তী সময়ে ওই সেতু দিয়ে যাতে আমি চলাচল করতে না পারি সে জন্য পাথর ফেলে তা বন্ধ করে রাখা হয়েছিল।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

চাওয়া-পাওয়ার কিছুই নেই, উন্নয়নই আমার লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় ০১:২১:৫৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ জুন ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আমার কোনো চাওয়া-পাওয়ার কিছুই নেই। মা-বাবাসহ সব হারিয়েছি। আমার লক্ষ্য একটিই- এ দেশের উন্নয়ন করে যাওয়া। আমার বাবা আজীবন মানুষের জন্য সংগ্রাম করে গেছেন, তিনি স্বাধীনতা দিয়ে গেছেন। আমি তার দেখানো পথে দেশের উন্নয়ন করে যাচ্ছি।

রোববার সকালে গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে কুড়িগ্রামের ধরলা নদীর ওপর নির্মিত ‘শেখ হাসিনা ধরলা সেতুর’উদ্বোধনকালে তিনি এসব কথা বলেন।

শেখ হাসিনা বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় থাকলেই দেশের উন্নয়ন হয়। পর পর দুবার ক্ষমতায় থেকে দেশের উন্নয়ন করেছি। সরকারের ধারাবাহিকতা থাকলে যে উন্নয়ন করা যায় তা আমরা করে দেখিয়েছি।

বাংলাদেশকে উন্নত-সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করে তিনি বলেন, ইনশাআল্লাহ, ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশ হবে একটি উন্নত ও সমৃদ্ধশালী দেশ। এর সুফল ভোগ করবে দেশের মানুষ।

ধরলা নদীতে সেতুটি বাস্তবায়নের ফলে রংপুরের সঙ্গে কুড়িগ্রাম ও লালমনিরহাটের মানুষের মধ্যে যোগাযোগব্যবস্থা আরও সহজ হয়েছে। ধরলা নদীর ওপর নির্মিত দ্বিতীয় সেতুটি উদ্বোধন করে তা এই তিন জেলার মানুষকে ঈদ উপহার হিসেবে দেন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের প্রতিটি অঞ্চলে আমি গিয়েছি। কুড়িগ্রাম, লালমনিরহাটের প্রতিটি উপজেলায় গিয়েছি। সেখানকার মানুষের সমস্যার কথা শুনেছি। সরকারে আসার পর এসব মানুষের উন্নয়নে নানা উদ্যোগও নিয়েছি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ধরলা নদীর ওপর প্রথম সেতু আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পরই হয়েছিল। এবার ধরলার দ্বিতীয় সেতুটি কুড়িগ্রাম, রংপুর ও লালমনিরহাটের মানুষকে আমি ঈদ উপহার হিসেবে দিয়েছি। এটি আপনারা রক্ষণাবেক্ষণ করবেন।

শেখ হাসিনা বলেন, ধরলার প্রথম সেতু আমি উদ্বোধন করে যেতে পারিনি। তা পরবর্তী সরকার ক্ষমতা গ্রহণের মাস-দুয়েকের মধ্যে উদ্বোধন করে। কিন্তু তারা তখন বলে আগের সরকার কোনো উন্নয়ন করেনি। অথচ আমাদের করা সেতুই গিয়ে তারা উদ্বোধন করেছে। যদিও পরবর্তী সময়ে ওই সেতু দিয়ে যাতে আমি চলাচল করতে না পারি সে জন্য পাথর ফেলে তা বন্ধ করে রাখা হয়েছিল।