ঢাকা ০৫:১৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

মাদকের সংশ্লিষ্টতা দেখাতে পারলে যেকোন শাস্তি নিতে প্রস্তুত: বদি

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

মাদক নির্মূলে ৪ মে থেকে সারাদেশে অভিযান শুরু করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এতে অনেক মাদক ব্যবসায়ী যেমন ধরা পড়ছেন, তেমনি অভিযানের সময় বন্দুকের গুলিতে মারা গেছেন অনেকেই। কিন্তু অনেকে লেখক, সাংবাদিক ও বিশিষ্টজনেরা বলছেন- ছোট মাদক ব্যবসায়ীদের হত্যা না করে, বড় বড় যারা রাঘব বোয়ালদের আইনের আওতায় আনা দরকার।

বিশেষ করে ইয়াবা সম্রাট নামে পরিচিত ক্ষমতাসীন দলের সাংসদ কক্সবাজার-৪ আসনের আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য আব্দুর রহমান বদির নাম বারবার সামনে আসছে।

গত এক দশক ধরে বদিকে ঘিরেই তৈরি হয়েছে সরকারী সকল সংস্থার ইয়াবা ব্যবসায়ীদের তালিকা। সরকারী সকল সংস্থাও গোয়েন্দা প্রতিবেদন দিয়েছে এমপি বদির বিরুদ্ধে।

২০১৪ সালে সরকারি এক তালিকায় বদির নাম উঠে আসে। মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের করা ইয়াবা ব্যবসায়ীদের ওই তালিকায় বলা হয়েছে,আব্দুর রহমান বদির ছত্রছায়ায় আরো অনেকে ইয়াবা ব্যবসা করছেন।

ইয়াবা ব্যবসার সঙ্গে নিজে ও পরিবারের অন্য সদস্য জড়িত নয় বলে বারবার দাবি করেছেন ইয়াবা নিয়ে বহুল আলোচিত সরকারদলীয় সংসদ সদস্য আবদুর রহমান বদি। এই নিয়ে দেশবাসীর প্রতি চ্যালেঞ্জ জানিয়েছেন তিনি।

বদি বলেছেন, দেশের যেকোন নাগরিক, সাংবাদিক বা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কোনো সদস্য যদি তার (এমপি বদির) ইয়াবা ব্যবসা বা ব্যবসায়ীর সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা দেখাতে পারে তাহলে যেকোন ধরনের শাস্তি তিনি মাথা পেতে নিতে প্রস্তুত আছেন।

তিনি জীবনেও ধূমপান ও মাদক গ্রহণ করেননি। তার শরীরে কোনো ধরনের অবৈধ আয়ের ছোঁয়া লাগে না বলেও দাবি করেন তিনি। এটি তার ও সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করার ষড়যন্ত্র।

মাদক ব্যবসায়ীদের ক্রসফায়ারে দেওয়ার পক্ষে বলে নিজের মত জানিয়ে এই আলোচিত সংসদ বলেন, ক্রসফায়ার আরও আগে শুরু হওয়া উচিত ছিল। মাদকের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর চ্যালেঞ্জ বাস্তবায়নে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর এ অভিযান অব্যাহত রাখতে হবে। এ জন্য আমাদের সবারই সহযোগিতা করা প্রয়োজন। যুব সমাজকে বাঁচাতে এটা অপরিহার্য।

এদিকে মাদক নির্মূলের নামে বন্দুকযুদ্ধে নির্বিচারে হত্যার কঠোর সমালোচনা করে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ বলেছেন, মাদক নির্মূলের নামে যাদের হত্যা করা হচ্ছে তারা কারা আমরা জানি না। মাদক সম্রাট তো সংসদেই আছে। তাদের বিচারের মাধ্যমে ফাঁসিতে ঝোলান।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

মাদকের সংশ্লিষ্টতা দেখাতে পারলে যেকোন শাস্তি নিতে প্রস্তুত: বদি

আপডেট সময় ০৮:০৫:২৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ মে ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

মাদক নির্মূলে ৪ মে থেকে সারাদেশে অভিযান শুরু করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এতে অনেক মাদক ব্যবসায়ী যেমন ধরা পড়ছেন, তেমনি অভিযানের সময় বন্দুকের গুলিতে মারা গেছেন অনেকেই। কিন্তু অনেকে লেখক, সাংবাদিক ও বিশিষ্টজনেরা বলছেন- ছোট মাদক ব্যবসায়ীদের হত্যা না করে, বড় বড় যারা রাঘব বোয়ালদের আইনের আওতায় আনা দরকার।

বিশেষ করে ইয়াবা সম্রাট নামে পরিচিত ক্ষমতাসীন দলের সাংসদ কক্সবাজার-৪ আসনের আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য আব্দুর রহমান বদির নাম বারবার সামনে আসছে।

গত এক দশক ধরে বদিকে ঘিরেই তৈরি হয়েছে সরকারী সকল সংস্থার ইয়াবা ব্যবসায়ীদের তালিকা। সরকারী সকল সংস্থাও গোয়েন্দা প্রতিবেদন দিয়েছে এমপি বদির বিরুদ্ধে।

২০১৪ সালে সরকারি এক তালিকায় বদির নাম উঠে আসে। মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের করা ইয়াবা ব্যবসায়ীদের ওই তালিকায় বলা হয়েছে,আব্দুর রহমান বদির ছত্রছায়ায় আরো অনেকে ইয়াবা ব্যবসা করছেন।

ইয়াবা ব্যবসার সঙ্গে নিজে ও পরিবারের অন্য সদস্য জড়িত নয় বলে বারবার দাবি করেছেন ইয়াবা নিয়ে বহুল আলোচিত সরকারদলীয় সংসদ সদস্য আবদুর রহমান বদি। এই নিয়ে দেশবাসীর প্রতি চ্যালেঞ্জ জানিয়েছেন তিনি।

বদি বলেছেন, দেশের যেকোন নাগরিক, সাংবাদিক বা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কোনো সদস্য যদি তার (এমপি বদির) ইয়াবা ব্যবসা বা ব্যবসায়ীর সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা দেখাতে পারে তাহলে যেকোন ধরনের শাস্তি তিনি মাথা পেতে নিতে প্রস্তুত আছেন।

তিনি জীবনেও ধূমপান ও মাদক গ্রহণ করেননি। তার শরীরে কোনো ধরনের অবৈধ আয়ের ছোঁয়া লাগে না বলেও দাবি করেন তিনি। এটি তার ও সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করার ষড়যন্ত্র।

মাদক ব্যবসায়ীদের ক্রসফায়ারে দেওয়ার পক্ষে বলে নিজের মত জানিয়ে এই আলোচিত সংসদ বলেন, ক্রসফায়ার আরও আগে শুরু হওয়া উচিত ছিল। মাদকের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর চ্যালেঞ্জ বাস্তবায়নে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর এ অভিযান অব্যাহত রাখতে হবে। এ জন্য আমাদের সবারই সহযোগিতা করা প্রয়োজন। যুব সমাজকে বাঁচাতে এটা অপরিহার্য।

এদিকে মাদক নির্মূলের নামে বন্দুকযুদ্ধে নির্বিচারে হত্যার কঠোর সমালোচনা করে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ বলেছেন, মাদক নির্মূলের নামে যাদের হত্যা করা হচ্ছে তারা কারা আমরা জানি না। মাদক সম্রাট তো সংসদেই আছে। তাদের বিচারের মাধ্যমে ফাঁসিতে ঝোলান।