ঢাকা ০৩:৪০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬, ১৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ইরানে ‘বড় হামলা’ এখনো শুরুই হয়নি: ট্রাম্প হামলা ও সংঘাতের ঘটনা বিশ্ব সভ্যতার জন্য ভয়াবহ বার্তা দিচ্ছে: মির্জা ফখরুল জুলাই সনদের বিরুদ্ধে রায় এলে সংসদ বাতিল হয়ে যাবে: আসিফ সরকারকে বলব, গণভোটের রায় বাস্তবায়ন করুন: নাহিদ ইসলাম শ্রমিক হত্যা মামলায় আইভীর গ্রেপ্তার আবেদন মঞ্জুর মধ্যপ্রাচ্য সংকটে প্রবাসীদের নিরাপত্তাই সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার: পররাষ্ট্রমন্ত্রী আগামী ছয় মাসে কী করবো জানতে চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী : শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ইরানের ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে এবার বাহরাইনে বাংলাদেশি নিহত সৌদিতে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের জন্য জরু‌রি বিজ্ঞ‌প্তি দূতাবাসের মোহাম্মদপুরে সার্ভিসিং সেন্টারে প্রাইভেটকারে আগুন, দগ্ধ ৮

গাজীপুরের উন্নয়নে জাহাঙ্গীরের ৫৭টি মহাপরিকল্পনা

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

‘জনগণের মুখোমুখি’ হয়ে গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী জাহাঙ্গীর আলম জানিয়েছেন, তিনি জাপান ও চীনের সহায়তায় গাজীপুরের ৫৭টি ওয়ার্ডের উন্নয়নে ৫৭টি ‘মাস্টারপ্ল্যান’ (মহাপরিকল্পনা) তৈরি করেছেন। জনগণ ভোট দিয়ে নির্বাচিত করলে এগুলো বাস্তবায়ন করবেন।

সোমবার বেসরকারি সংগঠন সুশাসনের জন্য নাগরিক-সুজন আয়োজিত ‘জনগণের মুখোমুখি’ অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে এক ভোটারের প্রশ্নে এ কথা বলেন জাহাঙ্গীর আলম।

আগামী ১৫ মের ভোটকে সামনে রেখে নগরীতে মেয়র পদে লড়াই করা সাত প্রার্থীই যোগ দেন এই অনুষ্ঠানে। তাদেরকে ভোটাররা বিভিন্ন প্রশ্ন রাখেন আর তারা এর জবাব দেন।

অনুষ্ঠানে আয়োজকদের পক্ষ থেকে দেয়া ১৩ দফা অঙ্গীকারনামা দর্শকরে সামনে পড়ে শোনান সুজনের আঞ্চলিক সমন্বয়কারী মুর্শিকুলী আহমদ শিমুল। পরে প্রার্থীরা অঙ্গীকারনামায় সই করেন। এরপর প্রার্থীরা সরাসরি প্রশ্নের জবাব দেন। শহরের একটি কমিউনিটি সেন্টারে এই অনুষ্ঠান হয়।

এক প্রশ্নে নৌকা মার্কার প্রার্থী জাহাঙ্গীর আলম নগরীর উন্নয়নে মহাপরিকল্পনা তৈরির কথা জানিয়ে বলেন, ‘আমি সিটির অভ্যন্তরে পাঁচটি অর্থনৈতিক জোন ও শ্রমিকদের বাসস্থানের জন্য আটটি বসবাসের জোন তৈরি করব।’

আরেক প্রশ্নে জাহাঙ্গীর বলেন, ‘আমি রাজনীতি করি মানুষের জন্য। আমি সবার জন্য গাজীপুর সিটিকে একটি পরিকল্পিত আধুনিক নগর হিসেবে গড়তে চাই।’ ‘শিক্ষা ফাউন্ডেশন গঠন করে বাংলা, ইংরেজি, আরবি ও কওমি শিক্ষাকে প্রধান্য দিয়ে সবার জন্য শিক্ষা বিস্তারে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা গ্রহণ করেছি।’

নগরবাসীর সমর্থন চেয়ে জাহাঙ্গীর বলেন, ‘আমি ফুটপাতসহ সুষ্ঠু ড্রেনেজ ব্যবস্থা নির্মাণ করে নগরীর জলাবদ্ধতা নিরসন করব।’ ‘গাজীপুর সিটিকে একটি ডায়নামিক মডেল শহর গড়তে সবার সম্মিলিত প্রয়াস প্রয়োজন। আমি এ জন্য অপজিসন পার্টির সহযোগিতা কামনা করি।’

ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে গাজীপুর অংশে যানজট নিয়ে অন্য এক প্রশ্নে জাহাঙ্গীর আলম বলেন, এই যানজট নিরসনে দুই হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে বিআরটি প্রকল্পের কাজ চলছে। এই কাজ শেষ হলে আর যানজট থাকবে না।

একই মঞ্চে বসে এলাকার উন্নয়নে নিজেদের পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে এবং ভোটারদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন বিএনপির হাসান উদ্দিন সরকার (ধানের শীষ), বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির কাজী মো. রুহুল আমীন (কাস্তে), ইসলামী ঐক্যজোটের ফজলুর রহমান (মিনার), ইসলামী ফ্রন্টের জালাল উদ্দিন (মোমবাতি), ইসলামী আন্দোলনের নাসির উদ্দিন (হাত পাখা) ও স্বতন্ত্র প্রার্থী ফরিদ আহমেদ টেবিল ঘড়ি)।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সুজনের গাজীপুর মহানগর শাখার সভাপতি মনিরুল ইসলাম রাজিব। সুজনের কেন্দ্রীয় সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার অনুষ্ঠানের সঞ্চালনা করেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

গাজীপুরের উন্নয়নে জাহাঙ্গীরের ৫৭টি মহাপরিকল্পনা

আপডেট সময় ১০:৪২:৫০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ এপ্রিল ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

‘জনগণের মুখোমুখি’ হয়ে গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী জাহাঙ্গীর আলম জানিয়েছেন, তিনি জাপান ও চীনের সহায়তায় গাজীপুরের ৫৭টি ওয়ার্ডের উন্নয়নে ৫৭টি ‘মাস্টারপ্ল্যান’ (মহাপরিকল্পনা) তৈরি করেছেন। জনগণ ভোট দিয়ে নির্বাচিত করলে এগুলো বাস্তবায়ন করবেন।

সোমবার বেসরকারি সংগঠন সুশাসনের জন্য নাগরিক-সুজন আয়োজিত ‘জনগণের মুখোমুখি’ অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে এক ভোটারের প্রশ্নে এ কথা বলেন জাহাঙ্গীর আলম।

আগামী ১৫ মের ভোটকে সামনে রেখে নগরীতে মেয়র পদে লড়াই করা সাত প্রার্থীই যোগ দেন এই অনুষ্ঠানে। তাদেরকে ভোটাররা বিভিন্ন প্রশ্ন রাখেন আর তারা এর জবাব দেন।

অনুষ্ঠানে আয়োজকদের পক্ষ থেকে দেয়া ১৩ দফা অঙ্গীকারনামা দর্শকরে সামনে পড়ে শোনান সুজনের আঞ্চলিক সমন্বয়কারী মুর্শিকুলী আহমদ শিমুল। পরে প্রার্থীরা অঙ্গীকারনামায় সই করেন। এরপর প্রার্থীরা সরাসরি প্রশ্নের জবাব দেন। শহরের একটি কমিউনিটি সেন্টারে এই অনুষ্ঠান হয়।

এক প্রশ্নে নৌকা মার্কার প্রার্থী জাহাঙ্গীর আলম নগরীর উন্নয়নে মহাপরিকল্পনা তৈরির কথা জানিয়ে বলেন, ‘আমি সিটির অভ্যন্তরে পাঁচটি অর্থনৈতিক জোন ও শ্রমিকদের বাসস্থানের জন্য আটটি বসবাসের জোন তৈরি করব।’

আরেক প্রশ্নে জাহাঙ্গীর বলেন, ‘আমি রাজনীতি করি মানুষের জন্য। আমি সবার জন্য গাজীপুর সিটিকে একটি পরিকল্পিত আধুনিক নগর হিসেবে গড়তে চাই।’ ‘শিক্ষা ফাউন্ডেশন গঠন করে বাংলা, ইংরেজি, আরবি ও কওমি শিক্ষাকে প্রধান্য দিয়ে সবার জন্য শিক্ষা বিস্তারে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা গ্রহণ করেছি।’

নগরবাসীর সমর্থন চেয়ে জাহাঙ্গীর বলেন, ‘আমি ফুটপাতসহ সুষ্ঠু ড্রেনেজ ব্যবস্থা নির্মাণ করে নগরীর জলাবদ্ধতা নিরসন করব।’ ‘গাজীপুর সিটিকে একটি ডায়নামিক মডেল শহর গড়তে সবার সম্মিলিত প্রয়াস প্রয়োজন। আমি এ জন্য অপজিসন পার্টির সহযোগিতা কামনা করি।’

ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে গাজীপুর অংশে যানজট নিয়ে অন্য এক প্রশ্নে জাহাঙ্গীর আলম বলেন, এই যানজট নিরসনে দুই হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে বিআরটি প্রকল্পের কাজ চলছে। এই কাজ শেষ হলে আর যানজট থাকবে না।

একই মঞ্চে বসে এলাকার উন্নয়নে নিজেদের পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে এবং ভোটারদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন বিএনপির হাসান উদ্দিন সরকার (ধানের শীষ), বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির কাজী মো. রুহুল আমীন (কাস্তে), ইসলামী ঐক্যজোটের ফজলুর রহমান (মিনার), ইসলামী ফ্রন্টের জালাল উদ্দিন (মোমবাতি), ইসলামী আন্দোলনের নাসির উদ্দিন (হাত পাখা) ও স্বতন্ত্র প্রার্থী ফরিদ আহমেদ টেবিল ঘড়ি)।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সুজনের গাজীপুর মহানগর শাখার সভাপতি মনিরুল ইসলাম রাজিব। সুজনের কেন্দ্রীয় সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার অনুষ্ঠানের সঞ্চালনা করেন।