ঢাকা ০৯:৫৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬, ৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

রশিদ-সাকিব নৈপুণ্যে হায়দরাবাদের স্মরণীয় জয়

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

আইপিএলে অসাধারণ ক্রিকেট খেলে মোস্তাফিজদের মুম্বাইয়ের বিপক্ষে জয় পেয়েছে সাকিবদের সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। মাত্র ১১৮ রানে অলআউট হওয়ার পর মনে হয়েছিল রোহিত শর্মার নেতৃত্বাধীন মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স সহজেই জিতে যাবে। কিন্তু মহা অনিশ্চয়তার খেলা যে ক্রিকেট সেটি আবারও প্রমাণ করলেন রশিদ-সাকিবরা। তা মাত্র ৮৭ রানে অলআউট হল মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স।

আফগান লেগ স্পিনার রশিদ খানের অসাধারণ বোলিং আর দুর্দান্ত ফর্মে থাকা রোহিত শর্মাকে ফিরিয়ে দিয়ে সাকিবের ব্যাক থ্রোই মূলত দলকে জয়ের স্বপ্ন দেখায়। তার সঙ্গে হায়দরাবাদের দুর্দান্ত বোলিং ও ফিল্ডিং দলকে লো স্কোরিং ম্যাচে ৩১ রানের বিশাল জয় এনে দেয়। ম্যান অব দ্য ম্যাচ হয়েছেন রশিদ খান।

এ জয়ের ফলে হায়দরাবাদের পয়েন্ট দাঁড়াল ৮-এ। রশিদ খান চার ওভারে একটি মেডেনসহ মাত্র ১১ রান দিয়ে মূল্যবান দুটি উইকেট শিকার করেন। আর সাকিব তিন ওভারে ১৬ রান দিয়ে রোহিতকে শিকার করেন।

এর আগে মঙ্গলবার রাতের লড়াইয়ে মুখোমুখি হয়েছিলেন আইপিএলে বাংলাদেশের দুই প্রতিনিধি সাকিব আল হাসান ও মুস্তাফিজুর রহমান। টানা চার ম্যাচে হেরে মুম্বাই ইন্ডিয়ানস বোলাররা যেন নিজেদের আগুনে পোড়ালেন সানরাইজার্স হায়দরাবাদকে।

মুস্তাফিজদের বোলিং তোপে পুরো বিশ ওভারও খেলতে পারেননি সাকিবরা। আট বল বাকি থাকতেই হায়দরাবাদ গুটিয়ে যায় মাত্র ১১৮ রানে।

টসে হেরে ব্যাটিংয়ে নামা হায়দরাবাদ বিপর্যয়ে পড়েছিল ম্যাচের শুরুতেই। পাওয়ার-প্লের ছয় ওভার শেষ না হতেই সাজঘরে ফিরে যায় দলটির প্রথমসারির চার ব্যাটসম্যান। বিদায় নেওয়ার মিছিলে ছিলেন সাকিব নিজেও।

দলের বিপদে সাকিবের কাছে প্রত্যাশা ছিল অধিনায়ক কেইন উইলিয়ামসনের (২৯ রান) সঙ্গে জুটি বেঁধে দলকে ভালো সংগ্রহ এনে দেয়া। তবে দুই রান করে রানআউটে কাটা পড়ে সে প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেননি বিশ্বের অন্যতম সেরা অলরাউন্ডার। যদিও ভুল বোঝাবুঝিতে সাকিবের রান আউট হবার জন্য অনেকটা দায় উইলিয়ামসনের নিজেরও।

সাকিবের ব্যর্থতার দিনে মুস্তাফিজকে মুম্বাই অধিনায়ক রোহিত শর্মা বোলিংয়ে এনেছিলেন অষ্টম ওভারে। প্রথম ওভারে বাঁহাতি পেসার দিয়েছিলেন সাত রান। পরের ওভারে চার আর তৃতীয় ওভারে দিয়েছিলেন মাত্র এক রান।

শেষ ওভারে এসে ছয় হজম করলেও পরের বলেই ইউসুফ পাঠানকে (২৯ রান) তুলে নিয়ে হায়দরাবাদের কফিনে শেষ পেরেকটা ঠুকে দেন কাটার মাস্টার। সব মিলিয়ে ৩.৪ ওভার বল করে মাত্র ১৮ রান দিয়ে এক উইকেট শিকার করেছেন মোস্তাফিজ।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

রশিদ-সাকিব নৈপুণ্যে হায়দরাবাদের স্মরণীয় জয়

আপডেট সময় ১২:২৫:৫৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৫ এপ্রিল ২০১৮

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

আইপিএলে অসাধারণ ক্রিকেট খেলে মোস্তাফিজদের মুম্বাইয়ের বিপক্ষে জয় পেয়েছে সাকিবদের সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। মাত্র ১১৮ রানে অলআউট হওয়ার পর মনে হয়েছিল রোহিত শর্মার নেতৃত্বাধীন মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স সহজেই জিতে যাবে। কিন্তু মহা অনিশ্চয়তার খেলা যে ক্রিকেট সেটি আবারও প্রমাণ করলেন রশিদ-সাকিবরা। তা মাত্র ৮৭ রানে অলআউট হল মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স।

আফগান লেগ স্পিনার রশিদ খানের অসাধারণ বোলিং আর দুর্দান্ত ফর্মে থাকা রোহিত শর্মাকে ফিরিয়ে দিয়ে সাকিবের ব্যাক থ্রোই মূলত দলকে জয়ের স্বপ্ন দেখায়। তার সঙ্গে হায়দরাবাদের দুর্দান্ত বোলিং ও ফিল্ডিং দলকে লো স্কোরিং ম্যাচে ৩১ রানের বিশাল জয় এনে দেয়। ম্যান অব দ্য ম্যাচ হয়েছেন রশিদ খান।

এ জয়ের ফলে হায়দরাবাদের পয়েন্ট দাঁড়াল ৮-এ। রশিদ খান চার ওভারে একটি মেডেনসহ মাত্র ১১ রান দিয়ে মূল্যবান দুটি উইকেট শিকার করেন। আর সাকিব তিন ওভারে ১৬ রান দিয়ে রোহিতকে শিকার করেন।

এর আগে মঙ্গলবার রাতের লড়াইয়ে মুখোমুখি হয়েছিলেন আইপিএলে বাংলাদেশের দুই প্রতিনিধি সাকিব আল হাসান ও মুস্তাফিজুর রহমান। টানা চার ম্যাচে হেরে মুম্বাই ইন্ডিয়ানস বোলাররা যেন নিজেদের আগুনে পোড়ালেন সানরাইজার্স হায়দরাবাদকে।

মুস্তাফিজদের বোলিং তোপে পুরো বিশ ওভারও খেলতে পারেননি সাকিবরা। আট বল বাকি থাকতেই হায়দরাবাদ গুটিয়ে যায় মাত্র ১১৮ রানে।

টসে হেরে ব্যাটিংয়ে নামা হায়দরাবাদ বিপর্যয়ে পড়েছিল ম্যাচের শুরুতেই। পাওয়ার-প্লের ছয় ওভার শেষ না হতেই সাজঘরে ফিরে যায় দলটির প্রথমসারির চার ব্যাটসম্যান। বিদায় নেওয়ার মিছিলে ছিলেন সাকিব নিজেও।

দলের বিপদে সাকিবের কাছে প্রত্যাশা ছিল অধিনায়ক কেইন উইলিয়ামসনের (২৯ রান) সঙ্গে জুটি বেঁধে দলকে ভালো সংগ্রহ এনে দেয়া। তবে দুই রান করে রানআউটে কাটা পড়ে সে প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেননি বিশ্বের অন্যতম সেরা অলরাউন্ডার। যদিও ভুল বোঝাবুঝিতে সাকিবের রান আউট হবার জন্য অনেকটা দায় উইলিয়ামসনের নিজেরও।

সাকিবের ব্যর্থতার দিনে মুস্তাফিজকে মুম্বাই অধিনায়ক রোহিত শর্মা বোলিংয়ে এনেছিলেন অষ্টম ওভারে। প্রথম ওভারে বাঁহাতি পেসার দিয়েছিলেন সাত রান। পরের ওভারে চার আর তৃতীয় ওভারে দিয়েছিলেন মাত্র এক রান।

শেষ ওভারে এসে ছয় হজম করলেও পরের বলেই ইউসুফ পাঠানকে (২৯ রান) তুলে নিয়ে হায়দরাবাদের কফিনে শেষ পেরেকটা ঠুকে দেন কাটার মাস্টার। সব মিলিয়ে ৩.৪ ওভার বল করে মাত্র ১৮ রান দিয়ে এক উইকেট শিকার করেছেন মোস্তাফিজ।