ঢাকা ০৮:০৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ট্রেসেবিলিটি নিশ্চিত হলে মূল্যশৃঙ্খলের দুর্বলতা চিহ্নিত করা সহজ হবে : বাণিজ্যমন্ত্রী দেশ আবার পুরোনো অন্ধকার পথে ফিরে যাচ্ছে: জামায়াত আমির তারেক রহমান এখন শেখ হাসিনার পথে হাঁটছেন: সারজিস আলম ৫০ হাজার শিক্ষার্থীকে প্রশিক্ষণ দেবে ইউজিসি রক্তমাখা পতাকা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ জুলাই যোদ্ধা শেখ আজিজুরের দুই মাসের মধ্যে রমেক হাসপাতালের আইসিইউ শয্যা ২০টিতে উন্নীত করা হবে: আসাদুল হাবীব দুলু আ.লীগ যেভাবে হামলা করেছিল, একইভাবে বিএনপি করছে: নাহিদ ইসলাম পানি প্রবাহে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করলে বরদাশত করা হবে না: মেয়র শাহাদাত বাংলাদেশ থেকে ৩ লাখ রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার ধর্ম ও রাজনৈতিক পরিচয় নির্বিশেষে সকল মানুষের পাশে আছে সরকার: সমাজকল্যাণ মন্ত্রী

মালয়েশিয়া নির্বাচনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে পাস

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

মালয়েশিয়ার আগামী মাসের নির্বাচনে কারা ক্ষমতায় যাচ্ছেন তা নির্ভর করছে সে-মালয়েশিয়া (পাস) নামে একটি দল কী পরিমাণ ভোট পায় তার ওপর।

নির্বাচনে পার্লামেন্টের ২২২ আসনের ৪০টিতেই জয় পাওয়ার আশা করছে দলটি। ক্ষমতায় কারা যাবেন, তা নির্ধারণে এ আসনগুলোই যথেষ্ট।-রয়টার্সের খবরে পাসকে বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক, দুর্নীতি ও মাদকবিরোধী দল হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

কাঙ্ক্ষিত আসন পাওয়ার পর পাস তাদের নীতিগত দাবিদাওয়া বাস্তবায়নের শর্তে প্রধানমন্ত্রী নাজিব রাজাক কিংবা বিরোধীদের সঙ্গে যোগ দিতে পারে। দলটি যদি খুব ভালো করতে নাও পারে, তবে বিরোধীদের ভোট ভাগাভাগিতে তাদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা থাকবে।

এতে করে নাজিব রাজাকের বারিসন ন্যাসিওনাল (বিএন) জোট সুবিধাজনক অবস্থানে চলে যেতে পারবে। পাসের সভাপতি আব্দুল হাদি আওয়াং বলেন, যদি তারা ক্ষমতার ভারসাম্য ধরে রাখতে পারেন, তবে নির্বাচনের পর সরকারের কাছে আমাদের দাবি থাকবে, ইসলামকে কেন্দ্র করেই যেন সব ধরনের নীতিমালা গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করা হয়।

তিনি বলেন, আমরা ইসলামকে রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিকভাবে তুলে ধরতে চাচ্ছি। কুয়ালালামপুরে পাসের প্রধান কার্যালয়ে বসে আলাপকালে রয়টার্সের কাছে তিনি বলেন, ৪০টি আসনের ব্যাপারে আমি নিশ্চিত। তবে তার বেশিও পেতে পারি।

ভবনের বাইরে অবস্থান করা পাসের কিছু কর্মী বলেন, আগামী ৯ মের নির্বাচনে পর তারা দেশটিতে নতুন করে প্রভাব বিস্তার করতে পারবেন। ২০১৩ সালের নির্বাচনের পর তাদের সমর্থন বাড়ছে। তখন তারা ২১টি আসনে বিজয় অর্জন করেছিল।

১৯৫১ সালে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর দলটি আধুনিকতা ও কট্টরপন্থার মধ্যে ঘুরপাক খেয়েছে। কিন্তু আশির দশকে ইরানের বিপ্লবের পর তারা মালয়েশিয়াকে একটি ইসলামি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন নিয়ে এগোতে চাচ্ছে তারা।

এদিকে কুয়ালালামপুরের দুই রাজনৈতিক বিশ্লেষক বলেন, দলটি ১০টির বেশি একটি আসনও পাবে না। তিন কোটি ২০ লাখ লোকের মালয়েশিয়ায় ৭০ শতাংশ মুসলমান। এ ছাড়া রয়েছে নৃতাত্ত্বিক চাইনিজ, ভারতীয়, যারা বৌদ্ধ, খ্রিস্টান ও হিন্দু ধর্মাবলম্বী।

আমানাহ পার্টির এক স্থানীয় নেতা বলেন, পাসের লোকজন ভালো করে কোরআন পড়তে পারেন ঠিক। কিন্তু তারা দেশ চালানোর যোগ্য না।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ট্রেসেবিলিটি নিশ্চিত হলে মূল্যশৃঙ্খলের দুর্বলতা চিহ্নিত করা সহজ হবে : বাণিজ্যমন্ত্রী

মালয়েশিয়া নির্বাচনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে পাস

আপডেট সময় ০২:০৭:৩৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ এপ্রিল ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

মালয়েশিয়ার আগামী মাসের নির্বাচনে কারা ক্ষমতায় যাচ্ছেন তা নির্ভর করছে সে-মালয়েশিয়া (পাস) নামে একটি দল কী পরিমাণ ভোট পায় তার ওপর।

নির্বাচনে পার্লামেন্টের ২২২ আসনের ৪০টিতেই জয় পাওয়ার আশা করছে দলটি। ক্ষমতায় কারা যাবেন, তা নির্ধারণে এ আসনগুলোই যথেষ্ট।-রয়টার্সের খবরে পাসকে বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক, দুর্নীতি ও মাদকবিরোধী দল হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

কাঙ্ক্ষিত আসন পাওয়ার পর পাস তাদের নীতিগত দাবিদাওয়া বাস্তবায়নের শর্তে প্রধানমন্ত্রী নাজিব রাজাক কিংবা বিরোধীদের সঙ্গে যোগ দিতে পারে। দলটি যদি খুব ভালো করতে নাও পারে, তবে বিরোধীদের ভোট ভাগাভাগিতে তাদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা থাকবে।

এতে করে নাজিব রাজাকের বারিসন ন্যাসিওনাল (বিএন) জোট সুবিধাজনক অবস্থানে চলে যেতে পারবে। পাসের সভাপতি আব্দুল হাদি আওয়াং বলেন, যদি তারা ক্ষমতার ভারসাম্য ধরে রাখতে পারেন, তবে নির্বাচনের পর সরকারের কাছে আমাদের দাবি থাকবে, ইসলামকে কেন্দ্র করেই যেন সব ধরনের নীতিমালা গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করা হয়।

তিনি বলেন, আমরা ইসলামকে রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিকভাবে তুলে ধরতে চাচ্ছি। কুয়ালালামপুরে পাসের প্রধান কার্যালয়ে বসে আলাপকালে রয়টার্সের কাছে তিনি বলেন, ৪০টি আসনের ব্যাপারে আমি নিশ্চিত। তবে তার বেশিও পেতে পারি।

ভবনের বাইরে অবস্থান করা পাসের কিছু কর্মী বলেন, আগামী ৯ মের নির্বাচনে পর তারা দেশটিতে নতুন করে প্রভাব বিস্তার করতে পারবেন। ২০১৩ সালের নির্বাচনের পর তাদের সমর্থন বাড়ছে। তখন তারা ২১টি আসনে বিজয় অর্জন করেছিল।

১৯৫১ সালে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর দলটি আধুনিকতা ও কট্টরপন্থার মধ্যে ঘুরপাক খেয়েছে। কিন্তু আশির দশকে ইরানের বিপ্লবের পর তারা মালয়েশিয়াকে একটি ইসলামি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন নিয়ে এগোতে চাচ্ছে তারা।

এদিকে কুয়ালালামপুরের দুই রাজনৈতিক বিশ্লেষক বলেন, দলটি ১০টির বেশি একটি আসনও পাবে না। তিন কোটি ২০ লাখ লোকের মালয়েশিয়ায় ৭০ শতাংশ মুসলমান। এ ছাড়া রয়েছে নৃতাত্ত্বিক চাইনিজ, ভারতীয়, যারা বৌদ্ধ, খ্রিস্টান ও হিন্দু ধর্মাবলম্বী।

আমানাহ পার্টির এক স্থানীয় নেতা বলেন, পাসের লোকজন ভালো করে কোরআন পড়তে পারেন ঠিক। কিন্তু তারা দেশ চালানোর যোগ্য না।