ঢাকা ০৪:০৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬, ১৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
আমাদের পরবর্তী গণঅভ্যুত্থান জামায়াতের বিরুদ্ধে হবে: গোলাম মাওলা রনি একাত্তরে দেশ চায়নি জামায়াত, ইশতেহারেও ইসলাম নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গণতন্ত্রের পক্ষে অবদান রাখা বুদ্ধিজীবীদের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির দাবি:সংসদে হুইপ আশরাফ উদ্দিন নিজান জুলাই আন্দোলনের মাস্টারমাইন্ড একক কেউ নন: বিরোধীদলীয় নেতা হাসিনাকে ফাঁসিকাষ্ঠে ঝোলাতে পুরো বাংলাদেশ ঐক্যবদ্ধ: নাসীরুদ্দীন ২০৩০ সালের মধ্যে ১০ হাজার মেগাওয়াট সৌর বিদ্যুৎ উৎপাদনের ঘোষণা রিজার্ভ বেড়ে কত বিলিয়ন ডলার, জানাল কেন্দ্রীয় ব্যাংক মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, বিনিয়োগ ও রপ্তানি বৃদ্ধির রোডম্যাপ তুলে ধরেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী জামায়াতকে নিষিদ্ধ করে কি একদলীয় শাসন কায়েম করবে বিএনপি, প্রশ্ন এটিএম আজহারের বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে সম্পর্কের অভিযোগে মাগুরায় কৃষকদল নেতা গ্রেপ্তার

প্রেমের প্রস্তাবে সাড়া না দেয়ায় তরুণীকে আটকে রেখে ধর্ষণ

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

গাজীপুরের শ্রীপুরে মোবাইল ফোনে প্রেমের প্রস্তাবে সাড়া না দেয়ায় এক গার্মেন্টস কর্মীকে তিন দিন আটকে রেখে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। শ্রীপুর পৌরসভার ওয়েদ্দা দিঘীর এলাকায় পরিত্যক্ত একটি ঘরে এ ধর্ষণের ঘটনা ঘটে।

বুধবার সকালে শ্রীপুর থানা পুলিশ ধর্ষণের শিকার গার্মেন্টস কর্মীকে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়েছে। এর আগে মঙ্গলবার রাতে ধর্ষিতার মামা বাদী হয়ে শ্রীপুর থানায় মামলা দায়ের করেন। তবেমামলা হলেও পুলিশ অভিযুক্ত শামীমকে গ্রেফতার করতে পারেনি।

ধর্ষণের শিকার গার্মেন্টসকর্মী দৈনিক আকাশকে জানান, ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার কালার মাস্টারবাড়ী এলাকার একটি গার্মেন্টস কারখানার কাজ করার সময় তার বান্ধবীর মাধ্যমে শামীম নামে এক যুবকের সঙ্গে পরিচয় হয়।

পরে ওই বান্ধবীর কাছ থেকে তার মোবাইল ফোন নম্বর সংগ্রহ করে শামীম বিভিন্ন সময় মুঠোফোনে প্রেমের প্রস্তাব দিত। কিন্তু তাতে মেয়েটি সাড়া না দেয়ায় শামীম তাকে মোবাইল ফোনেই অপহরণ ও মেরে ফেলার হুমকি দেয়।

একপর্যায়ে শামীমের ভয়ে সে ভালুকা থেকে চাকরি ছেড়ে গাজীপুর মহানগরের মধ্য ভূরুলিয়া এলাকার তার নিজ বাড়িতে বসবাস শুরু করে। এরপরও শামীম মোবাইল ফোনে নির্যাতিতার সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত রাখে।

শ্রীপুর থানার এসআই মনিরুজ্জামান জানান, গত শনিবার বিকালে মেয়েটির তার খালার বাসা থেকে বের হলে শামীমসহ আরও ৪-৫ জন সহযোগী জোর করে একটি প্রাইভেটকারে তুলে মেয়েকে অপহরণ করে নিয়ে যায়।

পরে তারা তাকে নিয়ে গাজীপুরের রাজেন্দ্রপুর ও ময়মনসিংহের ভালুকায় নিয়ে যায়। সেখান থেকে ওইদিন রাতেই শ্রীপুর পৌরসভার ওয়েদ্দা দিঘীর পাশে পরিত্যক্ত একটি ঘরে আটকে শামীম তাকে সোমবার পর্যন্ত একাধিকবার ধর্ষণ করে। মেয়েটি যাতে পালিয়ে যেতে না পারে তাই ধর্ষণের পরে তার হাত-পা রশি দিয়ে বেঁধে ও মুখে কাগজ গুঁজে ঘরের এক কোণে ফেলে রাখে।

পরে মঙ্গলবার সকালে মেয়েটিকে হত্যার উদ্দেশে একটি প্লাস্টিকের বস্তায় ভরে পাশের বাড়িতে নিয়ে যায়। বস্তা থেকে তাকে বের করে ওই বাড়ির একটি ঘরের কোনে বসিয়ে রেখে দরজা আটকে দেয়া হয়।

শামীমের অনুপস্থিতে ওইদিন বিকালে কৌশলে নিজেকে মুক্ত করে ঘর থেকে বের হয়ে পালিয়ে স্থানীয়দের ঘটনা বললে পুলিশে খবর দেয়।

খবর পেয়ে শ্রীপুর থানা পুলিশ তাকে উদ্ধার করে প্রথমে শ্রীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। পরদিন বুধবার স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য তাকে গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়েছে পুলিশ।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আমাদের পরবর্তী গণঅভ্যুত্থান জামায়াতের বিরুদ্ধে হবে: গোলাম মাওলা রনি

প্রেমের প্রস্তাবে সাড়া না দেয়ায় তরুণীকে আটকে রেখে ধর্ষণ

আপডেট সময় ০৪:০১:২৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ এপ্রিল ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

গাজীপুরের শ্রীপুরে মোবাইল ফোনে প্রেমের প্রস্তাবে সাড়া না দেয়ায় এক গার্মেন্টস কর্মীকে তিন দিন আটকে রেখে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। শ্রীপুর পৌরসভার ওয়েদ্দা দিঘীর এলাকায় পরিত্যক্ত একটি ঘরে এ ধর্ষণের ঘটনা ঘটে।

বুধবার সকালে শ্রীপুর থানা পুলিশ ধর্ষণের শিকার গার্মেন্টস কর্মীকে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়েছে। এর আগে মঙ্গলবার রাতে ধর্ষিতার মামা বাদী হয়ে শ্রীপুর থানায় মামলা দায়ের করেন। তবেমামলা হলেও পুলিশ অভিযুক্ত শামীমকে গ্রেফতার করতে পারেনি।

ধর্ষণের শিকার গার্মেন্টসকর্মী দৈনিক আকাশকে জানান, ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার কালার মাস্টারবাড়ী এলাকার একটি গার্মেন্টস কারখানার কাজ করার সময় তার বান্ধবীর মাধ্যমে শামীম নামে এক যুবকের সঙ্গে পরিচয় হয়।

পরে ওই বান্ধবীর কাছ থেকে তার মোবাইল ফোন নম্বর সংগ্রহ করে শামীম বিভিন্ন সময় মুঠোফোনে প্রেমের প্রস্তাব দিত। কিন্তু তাতে মেয়েটি সাড়া না দেয়ায় শামীম তাকে মোবাইল ফোনেই অপহরণ ও মেরে ফেলার হুমকি দেয়।

একপর্যায়ে শামীমের ভয়ে সে ভালুকা থেকে চাকরি ছেড়ে গাজীপুর মহানগরের মধ্য ভূরুলিয়া এলাকার তার নিজ বাড়িতে বসবাস শুরু করে। এরপরও শামীম মোবাইল ফোনে নির্যাতিতার সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত রাখে।

শ্রীপুর থানার এসআই মনিরুজ্জামান জানান, গত শনিবার বিকালে মেয়েটির তার খালার বাসা থেকে বের হলে শামীমসহ আরও ৪-৫ জন সহযোগী জোর করে একটি প্রাইভেটকারে তুলে মেয়েকে অপহরণ করে নিয়ে যায়।

পরে তারা তাকে নিয়ে গাজীপুরের রাজেন্দ্রপুর ও ময়মনসিংহের ভালুকায় নিয়ে যায়। সেখান থেকে ওইদিন রাতেই শ্রীপুর পৌরসভার ওয়েদ্দা দিঘীর পাশে পরিত্যক্ত একটি ঘরে আটকে শামীম তাকে সোমবার পর্যন্ত একাধিকবার ধর্ষণ করে। মেয়েটি যাতে পালিয়ে যেতে না পারে তাই ধর্ষণের পরে তার হাত-পা রশি দিয়ে বেঁধে ও মুখে কাগজ গুঁজে ঘরের এক কোণে ফেলে রাখে।

পরে মঙ্গলবার সকালে মেয়েটিকে হত্যার উদ্দেশে একটি প্লাস্টিকের বস্তায় ভরে পাশের বাড়িতে নিয়ে যায়। বস্তা থেকে তাকে বের করে ওই বাড়ির একটি ঘরের কোনে বসিয়ে রেখে দরজা আটকে দেয়া হয়।

শামীমের অনুপস্থিতে ওইদিন বিকালে কৌশলে নিজেকে মুক্ত করে ঘর থেকে বের হয়ে পালিয়ে স্থানীয়দের ঘটনা বললে পুলিশে খবর দেয়।

খবর পেয়ে শ্রীপুর থানা পুলিশ তাকে উদ্ধার করে প্রথমে শ্রীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। পরদিন বুধবার স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য তাকে গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়েছে পুলিশ।