ঢাকা ০৮:২১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬, ২৯ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ট্রাম্পের হুঁশিয়ারির পাল্টা জবাব দিলেন কিউবার প্রেসিডেন্ট বনশ্রীতে স্কুলছাত্রী খুন,পুলিশের সন্দেহের তালিকায় পলাতক রেস্তোরাঁ কর্মী স্বৈরাচারের লোকেরা নির্বাচন ভণ্ডুলের চেষ্টা করবে: ড. মুহাম্মদ ইউনূস গাজীপুরে নবজাতকের লাশ নিয়ে কুকুরের টানাহ্যাঁচড়া, উদ্ধার করল পুলিশ ধর্মকে পুঁজি করে মানুষকে বিভ্রান্ত করা হচ্ছে, ধোঁকা দেওয়া হচ্ছে : খায়রুল কবির খোকন দলে বড় নাম থাকলেও জেতার জন্য সবাইকে আরও দায়িত্ব নিতে হবে: সোহান ২৫ জন বাংলাদেশিকে ক্ষমা করল আমিরাত দেশের ভবিষ্যত গড়ার জন্য গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয় নিশ্চিত করতে হবে : চরমোনাই পীর ব্যালটবাক্স ভরে কোনো নির্দিষ্ট প্রতীকের জয়ের সুযোগ নেই: রুমিন ফারহানা এইচএসসি পাসে নিউরো মেডিসিন বিশেষজ্ঞ , রোগী দেখেন দুই জেলায়

কিশোরকে আটক করতে গিয়ে জনতার গণধোলাই খেল পুলিশ

হাটহাজারী মডেল থানা পুলিশের কনস্টেবল ও এক সোর্স

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

সাজাপ্রাপ্ত আসামি সন্দেহে এক কিশোরকে আটক করতে গিয়ে জনতার রোষানলে পড়েছেন হাটহাজারী মডেল থানা পুলিশের কনস্টেবলসহ এক বেসরকারি কর্মচারী (সোর্স)।রোববার বিকালে উপজেলার ৪নং গুমানমর্দ্দন ইউনিয়নের কাটাখালিকুলস্থ ইউনিয়ন পরিষদের পূর্ব পার্শ্বে সৈয়দ পাড়া জামে মসজিদ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিকালে হাটহাজারী মডেল থানার পুলিশ কনস্টেবল সাইফুল ইসলাম সঙ্গে মো. রাসেল নামে এক সোর্সকে নিয়ে সিএনজি অটোরিকশাযোগে ওই এলাকায় ধলই ইউনিয়নের মাইজপাড়া গ্রামের মাহামুদুল হকের ছেলে নাজিম উদ্দিনকে (২৬) আটক করতে যান। এ সময় পুলিশ নাজিম উদ্দিন ও তার মামাতো ভাই সদ্য এসএসসি পরীক্ষা দেয়া গুমানমর্দ্দন ইউনিয়নের কালা মিয়া সওদাগর বাড়ির মো. রফিকের ছেলে মো. আব্বাসকে (১৬) আটক করে নিয়ে আসছিল। আটককৃত নাজিম ওই দিন নিজ বাড়ি থেকে নানার বাড়িতে বেড়াতে গিয়েছিল।

আটককের খবর দ্রুত এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় লোকজন পুলিশকে ধাওয়া করে। চট্টগ্রাম-নাজিরহাট সড়কের সরকারহাট বাজারের পূর্ব পাশে সরকার দীঘি সংলগ্ন স্থানে তাদের বহনকারী সিএনজি অটোরিকশার গতিরোধ করে। এ সময় স্থানীয় বিক্ষুদ্ধ জনতা তাদেরকে গণধোলাই দিতে শুরু করে। খবর পেয়ে গুমানমর্দ্দন ইউপি চেয়ারম্যান মুজিবুব রহমান ঘটনাস্থলে এসে পুলিশসহ আটককৃতদের উদ্ধার করেন এবং বিক্ষুদ্ধ জনতাকে শান্ত করে ইউপি কার্যালয়ে নিয়ে যান।

পরে থানা পুলিশের ৭ জন উপপরিদর্শকসহ একটি ফোর্স ইউপি কার্যালয়ে পৌঁছে ওই কনস্টেবল ও বেসরকারি কর্মচারিকে (সোর্স) থানায় নিয়ে আসে। এ ব্যাপারে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, খবর পেয়ে আমি দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে জনতার রোষানল থেকে পুলিশ সদস্যকে উদ্ধার করি এবং ঘটনাটি মডেল থানার ওসিকে অবহিত করি।

ঘটনার সত্যতা জানতে সংবাদকর্মীরা থানায় গেলে ওই কনস্টেবলকে খোঁজে পাওয়া যায়নি। পরে তার মোবাইল ফোনে একাধিকবার ফোন করা হলে তিনি রিসিভ করেননি।

তবে হাটহাজারী মডেল থানার ওসি বেলাল উদ্দীন জাহাঙ্গীর মোবাইল ফোনে ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, এক সাজাপ্রাপ্ত আসামিকে আটক করতে গিয়ে সামান্য ভুল বুঝাবোঝি হয়েছে। তবে ওই ঘটনা স্থানীয় চেয়ারম্যানের উপস্থিতিতে ওখানেই মীমাংসা হয়ে গেছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ট্রাম্পের হুঁশিয়ারির পাল্টা জবাব দিলেন কিউবার প্রেসিডেন্ট

কিশোরকে আটক করতে গিয়ে জনতার গণধোলাই খেল পুলিশ

আপডেট সময় ১১:৩৬:৫৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ এপ্রিল ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

সাজাপ্রাপ্ত আসামি সন্দেহে এক কিশোরকে আটক করতে গিয়ে জনতার রোষানলে পড়েছেন হাটহাজারী মডেল থানা পুলিশের কনস্টেবলসহ এক বেসরকারি কর্মচারী (সোর্স)।রোববার বিকালে উপজেলার ৪নং গুমানমর্দ্দন ইউনিয়নের কাটাখালিকুলস্থ ইউনিয়ন পরিষদের পূর্ব পার্শ্বে সৈয়দ পাড়া জামে মসজিদ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিকালে হাটহাজারী মডেল থানার পুলিশ কনস্টেবল সাইফুল ইসলাম সঙ্গে মো. রাসেল নামে এক সোর্সকে নিয়ে সিএনজি অটোরিকশাযোগে ওই এলাকায় ধলই ইউনিয়নের মাইজপাড়া গ্রামের মাহামুদুল হকের ছেলে নাজিম উদ্দিনকে (২৬) আটক করতে যান। এ সময় পুলিশ নাজিম উদ্দিন ও তার মামাতো ভাই সদ্য এসএসসি পরীক্ষা দেয়া গুমানমর্দ্দন ইউনিয়নের কালা মিয়া সওদাগর বাড়ির মো. রফিকের ছেলে মো. আব্বাসকে (১৬) আটক করে নিয়ে আসছিল। আটককৃত নাজিম ওই দিন নিজ বাড়ি থেকে নানার বাড়িতে বেড়াতে গিয়েছিল।

আটককের খবর দ্রুত এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় লোকজন পুলিশকে ধাওয়া করে। চট্টগ্রাম-নাজিরহাট সড়কের সরকারহাট বাজারের পূর্ব পাশে সরকার দীঘি সংলগ্ন স্থানে তাদের বহনকারী সিএনজি অটোরিকশার গতিরোধ করে। এ সময় স্থানীয় বিক্ষুদ্ধ জনতা তাদেরকে গণধোলাই দিতে শুরু করে। খবর পেয়ে গুমানমর্দ্দন ইউপি চেয়ারম্যান মুজিবুব রহমান ঘটনাস্থলে এসে পুলিশসহ আটককৃতদের উদ্ধার করেন এবং বিক্ষুদ্ধ জনতাকে শান্ত করে ইউপি কার্যালয়ে নিয়ে যান।

পরে থানা পুলিশের ৭ জন উপপরিদর্শকসহ একটি ফোর্স ইউপি কার্যালয়ে পৌঁছে ওই কনস্টেবল ও বেসরকারি কর্মচারিকে (সোর্স) থানায় নিয়ে আসে। এ ব্যাপারে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, খবর পেয়ে আমি দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে জনতার রোষানল থেকে পুলিশ সদস্যকে উদ্ধার করি এবং ঘটনাটি মডেল থানার ওসিকে অবহিত করি।

ঘটনার সত্যতা জানতে সংবাদকর্মীরা থানায় গেলে ওই কনস্টেবলকে খোঁজে পাওয়া যায়নি। পরে তার মোবাইল ফোনে একাধিকবার ফোন করা হলে তিনি রিসিভ করেননি।

তবে হাটহাজারী মডেল থানার ওসি বেলাল উদ্দীন জাহাঙ্গীর মোবাইল ফোনে ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, এক সাজাপ্রাপ্ত আসামিকে আটক করতে গিয়ে সামান্য ভুল বুঝাবোঝি হয়েছে। তবে ওই ঘটনা স্থানীয় চেয়ারম্যানের উপস্থিতিতে ওখানেই মীমাংসা হয়ে গেছে।