ঢাকা ০২:৫১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬, ২৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

রিজার্ভ চুরি মামলাকে কারণ দেখালেন মুহিত

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ না করার জন্য এবার ফিলিপিন্সের মামলাকে কারণ দেখালেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। তিনি শনিবার সিলেটে সাংবাদিকদের বলেছেন, “তদন্ত প্রতিবেদন আমরা প্রকাশ করতে পারছি না। ফিলিপিন্সে মামলার সুরাহা না হওয়া পর্যন্ত এটি সম্ভব না।”

গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে সাইবার জালিয়াতির মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যাংক থেকে বাংলাদেশের রিজার্ভের ৮ কোটি ১০ লাখ ডলার পাঠানো হয় ফিলিপিন্সের রিজল ব্যাংকে। ওই অর্থের অধিকাংশ জুয়ার টেবিলে চলে গিয়েছিল; তবে উদ্ধার করা দেড় কোটি ডলার বাংলাদেশকে ফেরত দেয় ফিলিপিন্স।

বিশ্বজুড়ে আলোড়ন তোলা এই ঘটনায় সাবেক গভর্নর মোহাম্মদ ফরাসউদ্দিন নেতৃত্বাধীন তদন্ত কমিটি অর্থমন্ত্রীর কাছে এক বছর আগে প্রতিবেদন জমা দিলেও কয়েকদফা ঘোষণা দিয়েও তা প্রকাশ করেননি অর্থমন্ত্রী। বাকি অর্থ উদ্ধারের আশা এখনও ছাড়েনি বাংলাদেশ। চুরির সব টাকা ফেরত আনার পর তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করবেন বলে কয়েক মাস আগে মুহিত জানিয়েছিলেন।শনিবার সিলেটের একটি হোটেলে সিটি কর্পোরেশন আয়োজিত মেডিকেল বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিষয়ক আলোচনা অনুষ্ঠানে সাংবাদিকরা প্রশ্ন করলে মামলার কারণ দেখান তিনি।

“ইতোমধ্যে রিজল ব্যাংক বলেছে, আমরা টাকা দেব না। এ অবস্থায় তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করলে একটু অসুবিধা হবে।”

বিশ্বজুড়ে আলোচিত পানামা পেপার্সে যেসব বাংলাদেশির নাম এসেছে, তাদের বিষয়ে সরকার কী করবে, সে বিষয়ে সাংবাদিকরা প্রশ্ন করেন মুহিতকে। তিনি বলেন, “অনেকের নাম এসেছে। তবে আমাদের এখানে আমি যেটা শুনেছি এটা এত অথেনটিক না। বিষয়টি নিয়ে দুদক তদন্ত করছে।”

সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় মুহিতের সঙ্গে ছিলেন সিলেট সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী, সিলেটের জেলা প্রশাসক রাহাত আনোয়ার, সাবেক সংসদ সদস্য শফিকুর রহমান চৌধুরী, সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আশফাক আহমদ, জাতিসংঘের সাবেক স্থায়ী প্রতিনিধি এ কে আব্দুল মোমেন, মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আসাদ উদ্দিন প্রমুখ।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

রিজার্ভ চুরি মামলাকে কারণ দেখালেন মুহিত

আপডেট সময় ০৫:০৬:৩৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ অগাস্ট ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ না করার জন্য এবার ফিলিপিন্সের মামলাকে কারণ দেখালেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। তিনি শনিবার সিলেটে সাংবাদিকদের বলেছেন, “তদন্ত প্রতিবেদন আমরা প্রকাশ করতে পারছি না। ফিলিপিন্সে মামলার সুরাহা না হওয়া পর্যন্ত এটি সম্ভব না।”

গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে সাইবার জালিয়াতির মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যাংক থেকে বাংলাদেশের রিজার্ভের ৮ কোটি ১০ লাখ ডলার পাঠানো হয় ফিলিপিন্সের রিজল ব্যাংকে। ওই অর্থের অধিকাংশ জুয়ার টেবিলে চলে গিয়েছিল; তবে উদ্ধার করা দেড় কোটি ডলার বাংলাদেশকে ফেরত দেয় ফিলিপিন্স।

বিশ্বজুড়ে আলোড়ন তোলা এই ঘটনায় সাবেক গভর্নর মোহাম্মদ ফরাসউদ্দিন নেতৃত্বাধীন তদন্ত কমিটি অর্থমন্ত্রীর কাছে এক বছর আগে প্রতিবেদন জমা দিলেও কয়েকদফা ঘোষণা দিয়েও তা প্রকাশ করেননি অর্থমন্ত্রী। বাকি অর্থ উদ্ধারের আশা এখনও ছাড়েনি বাংলাদেশ। চুরির সব টাকা ফেরত আনার পর তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করবেন বলে কয়েক মাস আগে মুহিত জানিয়েছিলেন।শনিবার সিলেটের একটি হোটেলে সিটি কর্পোরেশন আয়োজিত মেডিকেল বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিষয়ক আলোচনা অনুষ্ঠানে সাংবাদিকরা প্রশ্ন করলে মামলার কারণ দেখান তিনি।

“ইতোমধ্যে রিজল ব্যাংক বলেছে, আমরা টাকা দেব না। এ অবস্থায় তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করলে একটু অসুবিধা হবে।”

বিশ্বজুড়ে আলোচিত পানামা পেপার্সে যেসব বাংলাদেশির নাম এসেছে, তাদের বিষয়ে সরকার কী করবে, সে বিষয়ে সাংবাদিকরা প্রশ্ন করেন মুহিতকে। তিনি বলেন, “অনেকের নাম এসেছে। তবে আমাদের এখানে আমি যেটা শুনেছি এটা এত অথেনটিক না। বিষয়টি নিয়ে দুদক তদন্ত করছে।”

সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় মুহিতের সঙ্গে ছিলেন সিলেট সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী, সিলেটের জেলা প্রশাসক রাহাত আনোয়ার, সাবেক সংসদ সদস্য শফিকুর রহমান চৌধুরী, সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আশফাক আহমদ, জাতিসংঘের সাবেক স্থায়ী প্রতিনিধি এ কে আব্দুল মোমেন, মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আসাদ উদ্দিন প্রমুখ।