অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:
কোন একটি দল যদি ইচ্ছাকৃতভাবে ভোট বর্জন করে তাহলে তাতে গণতন্ত্রের ধারা ব্যাহত হয় না বলে মন্তব্য করেছেন শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু।
আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য বলেন, ‘আজকে আমার দল বলতে পারে নির্বাচন বর্জন করব, তাহলে কি গণতন্ত্রের ধারাবাহিকতা চলবে না? তাহলে গণতন্ত্রের বিকাশ কীভাবে হবে?’
বুধবার জাতীয় প্রেসক্লাবে এক আলোচনায় অংশ নিয়ে আমু এসব কথা বলেন।
বর্তমান সরকারের আমলে নির্বাচন সুষ্ঠু হবে না- এটা প্রমাণ করতেই ভোটে আসতে বিএনপির নেতাদের প্রতি আহ্বান জানান শিল্পমন্ত্রী।
আমু বলেন, ‘বিএনপি যদি ২০১৪ সালের নির্বাচনে অংশগ্রহণ করার মাধ্যমে প্রমাণ করতে পারত এই সরকারের অধীনে নির্বাচন হলে নির্বাচন সুষ্ঠু হয় না, তাহলে তাদের কথায় যুক্তি থাকত।’
‘আমি অংশগ্রহণ করলাম না, আমি প্রমাণ করলাম না, তাহলে আমি কীভাবে বিরোধিতা করি?’
মন্ত্রী বলেন, ‘জিয়াউর রহমান এবং এরশাদ প্রমাণ করেছিল তাদের অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচন হতে পারে না। খালেদা জিয়ার সময় যখন আমরা তত্ত্বাবধায়ক সরকার দাবি করেছিলাম তখন তিনি প্রমাণ করেছিলেন তার অধীনে কোনো নির্বাচন সুষ্ঠু হবে না। এমন কী ঘটনা ঘটেছে যে আমাদের এই সরকারের অধীনে নির্বাচন সুষ্ঠু হতে পারে না?’
‘বরং আমরা দেখলাম তার উল্টা। সিটি করপোরেশন নির্বাচনে (২০১৩ সালে পাঁচ সিটি নির্বাচন) সবগুলোতে তারা জয়লাভ করেছিল। তারপরও কেন তারা নির্বাচনে অংশগ্রহণ করলো না?’
‘এবারও তারা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে অংশগ্রহণ করছে এবং জয়লাভ করেছে দুই একটাতে। তাহলে কেন তারা নির্বাচনে আসবে না? তারা প্রমাণ করুক যে নির্বাচন সুষ্ঠু হচ্ছে না এবং হবে না।’
সরকারকে সফল দাবি করে আমু বলেন, ‘দোষ ত্রুটি আমাদের থাকতে পারে। তার মানে এই নয় যে শত্রুর সাথে আমাদের হাত মিলাতে হবে।’
বর্তমান সরবারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড তুলে ধরে আওয়ামী লীগ নেতা বলেন, শেখ হাসিনার সরকার এবং এর আগের আমলের সরকারের কর্মকাণ্ড বিচার বিশ্লেষণ করলে আমরা দেখতে পারি, কোন সরকার দেশের মানুষের জন্য কাজ করেছে। কোন সরকারের আমলে দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন হয়েছে।
‘এই সরকারের আমলে দেশের অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা, চিকিৎসা ক্ষেত্রে উন্নত হয়েছে। আমাদের দুঃখ হয় সেখানে, যখন বিবেকবান মানুষরা অবিবেকবান মানুষদের অযৌক্তিকভাবে সমর্থন করে। তাদেরকে সমর্থনের মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে চায়।’
সাংবাদিক রাহাত খান, জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি শফিকুর রহমান, সুভাষ সিংহ রায়, পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায় প্রমুখ আলোচনায় অংশ নেন।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 



















