ঢাকা ০৩:৪৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নির্বাচন ঘিরে একটি পক্ষ ইচ্ছাকৃত বিভ্রান্তি তৈরি করতে চাইছে,সতর্ক থাকার আহ্বান : মির্জা আব্বাস আবারও ঢাকায় শিক্ষার্থীদের অবরোধ, মানুষের ভোগান্তি ‘আগামীতে যারা ক্ষমতায় যাবেন তারা যেন প্রবাসীদের নিয়ে কাজ করেন’:নজরুল ইসলাম নির্বাচনে কোনও ব্যাঘাত ঘটলে দেশের গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন বিঘ্নিত হবে: শামসুজ্জামান দুদু নাজমুলের পদত্যাগের দাবিতে অনড় ক্রিকেটাররা, মাঠে যাননি কেউ ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই ইরানে হামলা হতে পারে: রয়টার্স আওয়ামী লীগ ভুল স্বীকার করলে রিকনসিলিয়েশন সম্ভব: প্রধান উপদেষ্টা নাজমুল পদত্যাগ না করলে খেলা বর্জনের হুমকি ক্রিকেটারদের চাঁদাবাজি-মাস্তানি করলে এখনই বিএনপি থেকে বের হয়ে যান: আমীর খসরু আগামী সপ্তাহ থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫ দেশের জন্য মার্কিন ভিসা কার্যক্রম স্থগিত

গাজীপুরে অটোচালক খুনে যুবকের ফাঁসি

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

গাজীপুরে অটোরিকশা লুট ও চালক খুনের মামলায় এক যুবককে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। মামলায় এজাহারভুক্ত অপর তিন আসামিকে খালাস দেয়া হয়েছে। রবিবার সকালে গাজীপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক এ কে এম এনামুল হক এ রায় দেন।

বিচারক মৃত্যুদণ্ডের পাশাপাশি দণ্ডিতকে ১০হাজার টাকা জারিমানা ও অপর একটি ধারায় তিন বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত মো. নাইম ওরফে মহিউদ্দিন নাইম গাজীপুর সিটি করপোরেশন চত্বর (এটিআই গেইট) এলাকার মো. আব্দুল গফুরের ছেলে।

খালাস প্রাপ্ত তিনজন হলেন, গাজীপুর সিটি করপোরেশনের চত্বর এলাকার (নয়াপাড়া) ইদ্রিস আলীর ছেলে মো. হাসান ইমাম ওরফে রাব্বী, একই এলাকার বাসিন্দা সিরাজুল ইসলামের ছেলে মো. জহিরুল ইসলাম ওরফে ফরহাদ ও রেজাউল করিম মৃধার ছেলে মো. রায়হান উদ্দিন ওরফে নীরব।

গাজীপুর আদালতের পিপি হারিছ উদ্দিন আহম্মদ জানান, সিটি করপোরেশনের হাতিয়াব এলাকার স্থানীয় চুন্নু মোল্লার ছেলে মো. জুলহাস মোল্লা এলাকায় অটোরিকশা চালাতেন। ২০১৩ সালের ২৮ নভেম্বর সকালে অটোরিকশা নিয়ে বাড়ি থেকে বের হয়ে নিখোঁজ হন। পরে স্থানীয়রা ওইদিন সন্ধ্যা ৭টার দিকে গাজীপুর সিটির হাতিয়াব নোয়াইলের টেক এলাকার গজারী বনে জুলহাসের গলাকাটা লাশ দেখে জয়দেবপুর থানায় খবর দেয়। পরে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠায়। এ ঘটনায় পরদিন চুন্নু মোল্লা বাদী হয়ে জয়দেবপুর থানায় চারজনের নাম উল্লেখ করে মামলা করেন। পরে মামলাটি তদন্তের জন্য জয়দেবপুর থানার ওসির নির্দেশে ওই থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সাইফুল আলম ও জেলা গেয়েন্দা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) মোহাম্মদ হাসান আংশিক তদন্ত করেন। পরে মামলার তদন্তভার সিআইডিতে স্থানান্তর করা হয়। সিআইডির পরিদর্শক খোন্দকার জাহাঙ্গীর কবীর দীর্ঘ তদন্ত শেষে ২০১৬ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারি আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। রবিবার আদালত সাতজনের স্বাক্ষ্যগ্রহণ শেষে এ রায় দেন। এসময় নাইম আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

রাষ্ট্রপক্ষে হারিছ উদ্দিন আহম্মদ এবং আসামি পক্ষে মো. আতাউর রহমান, গাজী মো. পারভেজ আলম ও মামহমুদা সিদ্দিকা মামলাটি পরিচালনা করেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নির্বাচন ঘিরে একটি পক্ষ ইচ্ছাকৃত বিভ্রান্তি তৈরি করতে চাইছে,সতর্ক থাকার আহ্বান : মির্জা আব্বাস

গাজীপুরে অটোচালক খুনে যুবকের ফাঁসি

আপডেট সময় ০১:২০:১৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ মার্চ ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

গাজীপুরে অটোরিকশা লুট ও চালক খুনের মামলায় এক যুবককে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। মামলায় এজাহারভুক্ত অপর তিন আসামিকে খালাস দেয়া হয়েছে। রবিবার সকালে গাজীপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক এ কে এম এনামুল হক এ রায় দেন।

বিচারক মৃত্যুদণ্ডের পাশাপাশি দণ্ডিতকে ১০হাজার টাকা জারিমানা ও অপর একটি ধারায় তিন বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত মো. নাইম ওরফে মহিউদ্দিন নাইম গাজীপুর সিটি করপোরেশন চত্বর (এটিআই গেইট) এলাকার মো. আব্দুল গফুরের ছেলে।

খালাস প্রাপ্ত তিনজন হলেন, গাজীপুর সিটি করপোরেশনের চত্বর এলাকার (নয়াপাড়া) ইদ্রিস আলীর ছেলে মো. হাসান ইমাম ওরফে রাব্বী, একই এলাকার বাসিন্দা সিরাজুল ইসলামের ছেলে মো. জহিরুল ইসলাম ওরফে ফরহাদ ও রেজাউল করিম মৃধার ছেলে মো. রায়হান উদ্দিন ওরফে নীরব।

গাজীপুর আদালতের পিপি হারিছ উদ্দিন আহম্মদ জানান, সিটি করপোরেশনের হাতিয়াব এলাকার স্থানীয় চুন্নু মোল্লার ছেলে মো. জুলহাস মোল্লা এলাকায় অটোরিকশা চালাতেন। ২০১৩ সালের ২৮ নভেম্বর সকালে অটোরিকশা নিয়ে বাড়ি থেকে বের হয়ে নিখোঁজ হন। পরে স্থানীয়রা ওইদিন সন্ধ্যা ৭টার দিকে গাজীপুর সিটির হাতিয়াব নোয়াইলের টেক এলাকার গজারী বনে জুলহাসের গলাকাটা লাশ দেখে জয়দেবপুর থানায় খবর দেয়। পরে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠায়। এ ঘটনায় পরদিন চুন্নু মোল্লা বাদী হয়ে জয়দেবপুর থানায় চারজনের নাম উল্লেখ করে মামলা করেন। পরে মামলাটি তদন্তের জন্য জয়দেবপুর থানার ওসির নির্দেশে ওই থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সাইফুল আলম ও জেলা গেয়েন্দা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) মোহাম্মদ হাসান আংশিক তদন্ত করেন। পরে মামলার তদন্তভার সিআইডিতে স্থানান্তর করা হয়। সিআইডির পরিদর্শক খোন্দকার জাহাঙ্গীর কবীর দীর্ঘ তদন্ত শেষে ২০১৬ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারি আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। রবিবার আদালত সাতজনের স্বাক্ষ্যগ্রহণ শেষে এ রায় দেন। এসময় নাইম আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

রাষ্ট্রপক্ষে হারিছ উদ্দিন আহম্মদ এবং আসামি পক্ষে মো. আতাউর রহমান, গাজী মো. পারভেজ আলম ও মামহমুদা সিদ্দিকা মামলাটি পরিচালনা করেন।