ঢাকা ০১:১৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
‘মৌলিক জ্ঞান না থাকলে কোচিংয়ে আসা উচিত নয়’:তামিম ইকবাল আপসকামিতা নয়, স্বৈরাচারকে প্রতিহত করার ইতিহাস বিএনপির: জাহিদ হোসেন পটিয়া থানার ২শ গজ সামনে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিল হবিগঞ্জে হামলার ঘটনায় ১১ জনের নামে এনসিপির মামলা বর্তমান সরকারের আমলে রাষ্ট্রীয় মদদে কোনো দুর্নীতি গুম খুন হয়নি হবিগঞ্জে গিয়ে মামলা না করে আমরা ফিরব না: এমপি হাসনাত যুব জামায়াত নেতার কাণ্ড; বিধবা নারীকে ধর্ষণের পর গর্ভপাতের অভিযোগ:দল থেকে সদস্যপদ স্থগিত মানবতার মুক্তিতে ইসলামের আদর্শের বিজয়ের বিকল্প নেই: চরমোনাই পীর সব প্রকল্পের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করাই সরকারের লক্ষ্য:জহির উদ্দিন স্বপন হঠাৎ ৬ মুসলিম দেশের যৌথ সামরিক মহড়া, কী বার্তা দিচ্ছে

বিমান দুর্ঘটনায় নিহত বাকি তিন মরদেহ আসছে বিকালে

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

নেপালের ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ইউএস বাংলার বিমান দুর্ঘটনায় নিহত বাকি তিন বাংলাদেশির মরদেহ বিকালে ঢাকায় আনা হচ্ছে। মরদেহ তিনটি হচ্ছে আলিফউজ্জামান, মো. নজরুল ইসলাম ও পিয়াস রায়ের। বিমান বাংলাদেশের একটি নিয়মিত ফ্লাইটে তাদের মরদেহ বিকালে পাঁচটা নাগাদ ঢাকায় পৌঁছাবে বলে ইউএস বাংলা কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছে।

কাঠমান্ডুতে বাংলাদেশ দূতাবাসের একটি সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার সকালে নেপাল কর্তৃপক্ষ তিনজনের মরদেহ হস্তান্তর করেছে। সকাল ১০টায় দূতাবাসের সামনে আলিফউজ্জামান ও মো. নজরুল ইসলামের জানাজা অনুষ্টিত হয়। আর পিয়াস রায়কে সনাতন ধর্ম মতে শ্রদ্ধা জানানো হয়।

ইউএস বাংলা জানায়, বুধবার শনাক্ত হওয়া বাকি তিন মরদেহের মধ্যে আলিফউজ্জামানের লাশ খুলনায়, মো. নজরুল ইসলামের লাশ রাজশাহী এবং পিয়াস রায়ের লাশ বরিশালে যাবে।

এর আগে নিহত ২৬ বাংলাদেশির মধ্যে ২৩ জনের মরদেহ ১৯ মার্চ ঢাকায় এনে তাদের স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়। কিন্তু শনাক্ত করতে না পারায় নজরুল ইসলাম, পিয়াস রায় ও আলিফউজ্জামানের মরদেহ সেসময় পাঠানো সম্ভব হয়নি।

এদিকে দূতাবাস সূত্র জানায়, কাঠমান্ডু-ঢাকার নিয়মিত ফ্লাইটটি প্রায় দুই ঘণ্টা দেরিতে রওনা দেবে। ফলে তিনজনের মরদেহ ঢাকায় পৌঁছাতে ৫টা বেজে যাবে। মরদেহগুলো হযরত শাহজালার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে তাদের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

প্রসঙ্গত, নেপালের ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বাংলাদেশের বেসরকারি বিমান সংস্থা ইউএস বাংলার একটি ফ্লাইট বিধ্বস্ত হলে ৫১ জনের প্রাণহানি হয়। তাদের মধ্যে ২৬ জনই বাংলাদেশি নাগরিক। এছাড়া অপর ১০ বাংলাদেশি গুরুতর আহত হন। নিহতদের মধ্যে মরদেহ শনাক্ত হওয়া ২৩ জনের লাশ সেমাবার (১৯ মার্চ) ঢাকায় এনে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়। ইতোমধ্যে তাদের দাফনও সম্পন্ন হয়েছে।

অপরদিকে আহত দশ বাংলাদেশির মধ্যে সাত জনকে দেশে ফিরিয়ে এনে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয়েছে। এছাড়া চিকিৎসার জন্য দুই জনকে সিঙ্গাপুরে ও একজনকে দিল্লিতে নেয়া হয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বিমান দুর্ঘটনায় নিহত বাকি তিন মরদেহ আসছে বিকালে

আপডেট সময় ০১:৩৪:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ মার্চ ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

নেপালের ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ইউএস বাংলার বিমান দুর্ঘটনায় নিহত বাকি তিন বাংলাদেশির মরদেহ বিকালে ঢাকায় আনা হচ্ছে। মরদেহ তিনটি হচ্ছে আলিফউজ্জামান, মো. নজরুল ইসলাম ও পিয়াস রায়ের। বিমান বাংলাদেশের একটি নিয়মিত ফ্লাইটে তাদের মরদেহ বিকালে পাঁচটা নাগাদ ঢাকায় পৌঁছাবে বলে ইউএস বাংলা কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছে।

কাঠমান্ডুতে বাংলাদেশ দূতাবাসের একটি সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার সকালে নেপাল কর্তৃপক্ষ তিনজনের মরদেহ হস্তান্তর করেছে। সকাল ১০টায় দূতাবাসের সামনে আলিফউজ্জামান ও মো. নজরুল ইসলামের জানাজা অনুষ্টিত হয়। আর পিয়াস রায়কে সনাতন ধর্ম মতে শ্রদ্ধা জানানো হয়।

ইউএস বাংলা জানায়, বুধবার শনাক্ত হওয়া বাকি তিন মরদেহের মধ্যে আলিফউজ্জামানের লাশ খুলনায়, মো. নজরুল ইসলামের লাশ রাজশাহী এবং পিয়াস রায়ের লাশ বরিশালে যাবে।

এর আগে নিহত ২৬ বাংলাদেশির মধ্যে ২৩ জনের মরদেহ ১৯ মার্চ ঢাকায় এনে তাদের স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়। কিন্তু শনাক্ত করতে না পারায় নজরুল ইসলাম, পিয়াস রায় ও আলিফউজ্জামানের মরদেহ সেসময় পাঠানো সম্ভব হয়নি।

এদিকে দূতাবাস সূত্র জানায়, কাঠমান্ডু-ঢাকার নিয়মিত ফ্লাইটটি প্রায় দুই ঘণ্টা দেরিতে রওনা দেবে। ফলে তিনজনের মরদেহ ঢাকায় পৌঁছাতে ৫টা বেজে যাবে। মরদেহগুলো হযরত শাহজালার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে তাদের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

প্রসঙ্গত, নেপালের ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বাংলাদেশের বেসরকারি বিমান সংস্থা ইউএস বাংলার একটি ফ্লাইট বিধ্বস্ত হলে ৫১ জনের প্রাণহানি হয়। তাদের মধ্যে ২৬ জনই বাংলাদেশি নাগরিক। এছাড়া অপর ১০ বাংলাদেশি গুরুতর আহত হন। নিহতদের মধ্যে মরদেহ শনাক্ত হওয়া ২৩ জনের লাশ সেমাবার (১৯ মার্চ) ঢাকায় এনে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়। ইতোমধ্যে তাদের দাফনও সম্পন্ন হয়েছে।

অপরদিকে আহত দশ বাংলাদেশির মধ্যে সাত জনকে দেশে ফিরিয়ে এনে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয়েছে। এছাড়া চিকিৎসার জন্য দুই জনকে সিঙ্গাপুরে ও একজনকে দিল্লিতে নেয়া হয়েছে।