ঢাকা ০৪:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সার্ক কার্যকর করতে বাংলাদেশ-নেপাল একমত শীর্ষ সন্ত্রাসী ডেভিড ইমন গ্রেফতার রাত ১২টায় পুকুরপাড়ে দেখা করলে মিলবে ফ্যামিলি কার্ড:বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে অভিযোগ ৬.৫ টনের শক্তিশালী চুম্বকের সফল পরীক্ষা, বিশাল ‘সূর্য’ বানাচ্ছে চীন ৪০ ডিগ্রি তাপমাত্রায় নতুন দাবানল নিয়ে শঙ্কায় ফ্রান্স নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী কি মির্জা ফখরুলের জুতা টানার যোগ্যতা রাখে: রাশেদ খাঁন ইসিকে স্বাধীনভাবে চোখ কান খুলে দায়িত্ব পালন করতে বলেছি: গোলাম পরওয়ার মধ্য বাড্ডায় গৃহকর্ত্রী হত্যায় গাড়িচালকের মৃত্যুদণ্ড ‘ইরান ভেনেজুয়েলা নয়’, তেহরান-কারাকাস ঐতিহাসিক সম্পর্কে ফাটল সিআইডির নতুন প্রধান ব্যারিস্টার মোশাররফ হোছাইন

সাহসের সঙ্গে অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে: ফখরুল

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, এখন সবার ঐক্য প্রয়োজন। সাহসের সঙ্গে সবাইকে অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে।

সরকার জনগনের বিরুদ্ধে অবস্থান গ্রহন কৃরেছে। জনগনকে তারা ভয় পায়। মানুষের যে গনতান্ত্রিক অধিকার আছে সেগুলিকে সরকার গুরুত্ব দেয় না।

তিনি বুধবার বিকেলে গাজীপুর সিটি করপোরেশনের মাঝুখান এলাকায় পুলিশ হেফাজতে নিহত ছাত্রদল নেতা জাকির হোসেন মিলনের বাড়িতে তার পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে এসে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল ইসলাম বলেন, সম্পূর্ন বেআইনিভাবে জাকির হোসেন মিলনকে গ্রেফতার করে পুলিশ হেফাজতে নির্মমভাবে নির্যাতন করে হত্যা করা হয়েছে। যারাই গনতন্ত্রকে দেখতে চায়, তাদেরই আজ নির্যাতনের শিকার হতে হচ্ছে। তাই আমরা বার বার বলে আসছি, এই সরকার যতোদিন থাকবে ততোদিন জনগনের কষ্ট হবে। এই সরকার দীর্ঘদিন ধরে মানবাধিকার বিরোধী কাজ করছে। নির্যাতন নিপিড়ন করে সরকার বিরোধী দলকে দমন করে ক্ষমতায় টিকে থাকতে চাইছে। একদলীয় শাসন ব্যবস্থা প্রবর্তন করতে চাইছে।

মির্জা ফখরুল আরো বলেন, দলের নেতা জাকির হোসেন মিলন শহীদ হয়েছে। তার মতো আরো অনেক নেতাই নির্যাতনের শিকার হয়ে শহীদ হয়েছে। জাকির হোসেনের বাবা নেই। আজ তার পরিবার অসহায় অবস্থায় আছে। তার স্ত্রী, দুই বাচ্চা, তার মা এক করুন অবস্থার মধ্যে বেঁচে আছে। এ রকম শত শত, হাজার হাজার পরিবার আছে বাংলাদেশে।

মির্জা ফখরুল ইসলাম ওই সময় নিহত ছাত্র দল নেতা জাকির হোসেন মিলনের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করেন এবং তার পরিবারকে এক লাখ টাকা অনুদান প্রদান করেন। পরে তিনি নিহত মিলনের কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও কবর জিয়ারত এবং দোয়া করেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিএনপির ঢাকা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও গাজীপুর জেলা বিএনপির সভাপতি ফজলুল হক মিলন, সাধারন সম্পাদক কাজী সাইয়েদুল আলম বাবুল, বিএনপির কেন্দ্রীয় সমবায় বিষয়ক সম্পাদক কামরুজ্জামান রতন, বিএনপি নেতা সাঈদ সোহরাব, জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদের সহ সাংগঠনিক সম্পাদক মো. নুরুল হুদা ভূইয়া নূরু, ছাত্রদল ঢাকা উত্তরের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক সাখাওয়াৎ হোসেন, গাজীপুর জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক হান্নান মিয়া হান্নু প্রমুখ।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সার্ক কার্যকর করতে বাংলাদেশ-নেপাল একমত

সাহসের সঙ্গে অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে: ফখরুল

আপডেট সময় ০৩:১৬:৫৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ মার্চ ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, এখন সবার ঐক্য প্রয়োজন। সাহসের সঙ্গে সবাইকে অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে।

সরকার জনগনের বিরুদ্ধে অবস্থান গ্রহন কৃরেছে। জনগনকে তারা ভয় পায়। মানুষের যে গনতান্ত্রিক অধিকার আছে সেগুলিকে সরকার গুরুত্ব দেয় না।

তিনি বুধবার বিকেলে গাজীপুর সিটি করপোরেশনের মাঝুখান এলাকায় পুলিশ হেফাজতে নিহত ছাত্রদল নেতা জাকির হোসেন মিলনের বাড়িতে তার পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে এসে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল ইসলাম বলেন, সম্পূর্ন বেআইনিভাবে জাকির হোসেন মিলনকে গ্রেফতার করে পুলিশ হেফাজতে নির্মমভাবে নির্যাতন করে হত্যা করা হয়েছে। যারাই গনতন্ত্রকে দেখতে চায়, তাদেরই আজ নির্যাতনের শিকার হতে হচ্ছে। তাই আমরা বার বার বলে আসছি, এই সরকার যতোদিন থাকবে ততোদিন জনগনের কষ্ট হবে। এই সরকার দীর্ঘদিন ধরে মানবাধিকার বিরোধী কাজ করছে। নির্যাতন নিপিড়ন করে সরকার বিরোধী দলকে দমন করে ক্ষমতায় টিকে থাকতে চাইছে। একদলীয় শাসন ব্যবস্থা প্রবর্তন করতে চাইছে।

মির্জা ফখরুল আরো বলেন, দলের নেতা জাকির হোসেন মিলন শহীদ হয়েছে। তার মতো আরো অনেক নেতাই নির্যাতনের শিকার হয়ে শহীদ হয়েছে। জাকির হোসেনের বাবা নেই। আজ তার পরিবার অসহায় অবস্থায় আছে। তার স্ত্রী, দুই বাচ্চা, তার মা এক করুন অবস্থার মধ্যে বেঁচে আছে। এ রকম শত শত, হাজার হাজার পরিবার আছে বাংলাদেশে।

মির্জা ফখরুল ইসলাম ওই সময় নিহত ছাত্র দল নেতা জাকির হোসেন মিলনের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করেন এবং তার পরিবারকে এক লাখ টাকা অনুদান প্রদান করেন। পরে তিনি নিহত মিলনের কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও কবর জিয়ারত এবং দোয়া করেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিএনপির ঢাকা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও গাজীপুর জেলা বিএনপির সভাপতি ফজলুল হক মিলন, সাধারন সম্পাদক কাজী সাইয়েদুল আলম বাবুল, বিএনপির কেন্দ্রীয় সমবায় বিষয়ক সম্পাদক কামরুজ্জামান রতন, বিএনপি নেতা সাঈদ সোহরাব, জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদের সহ সাংগঠনিক সম্পাদক মো. নুরুল হুদা ভূইয়া নূরু, ছাত্রদল ঢাকা উত্তরের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক সাখাওয়াৎ হোসেন, গাজীপুর জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক হান্নান মিয়া হান্নু প্রমুখ।