ঢাকা ০৮:৫৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬, ২৯ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ট্রাম্পের হুঁশিয়ারির পাল্টা জবাব দিলেন কিউবার প্রেসিডেন্ট বনশ্রীতে স্কুলছাত্রী খুন,পুলিশের সন্দেহের তালিকায় পলাতক রেস্তোরাঁ কর্মী স্বৈরাচারের লোকেরা নির্বাচন ভণ্ডুলের চেষ্টা করবে: ড. মুহাম্মদ ইউনূস গাজীপুরে নবজাতকের লাশ নিয়ে কুকুরের টানাহ্যাঁচড়া, উদ্ধার করল পুলিশ ধর্মকে পুঁজি করে মানুষকে বিভ্রান্ত করা হচ্ছে, ধোঁকা দেওয়া হচ্ছে : খায়রুল কবির খোকন দলে বড় নাম থাকলেও জেতার জন্য সবাইকে আরও দায়িত্ব নিতে হবে: সোহান ২৫ জন বাংলাদেশিকে ক্ষমা করল আমিরাত দেশের ভবিষ্যত গড়ার জন্য গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয় নিশ্চিত করতে হবে : চরমোনাই পীর ব্যালটবাক্স ভরে কোনো নির্দিষ্ট প্রতীকের জয়ের সুযোগ নেই: রুমিন ফারহানা এইচএসসি পাসে নিউরো মেডিসিন বিশেষজ্ঞ , রোগী দেখেন দুই জেলায়

ইতিহাসের এই দিনে, ১৫ মার্চ

অাকাশ ইতিহাস ডেস্ক:

আজ বৃহস্পতিবার ১৫ মার্চ ২০১৮ সাল

ইতিহাস আজীবন কথা বলে। ইতিহাস মানুষকে ভাবায়, তাড়িত করে। প্রতিদিনের উল্লেখযোগ্য ঘটনা কালক্রমে রূপ নেয় ইতিহাসে। সেসব ঘটনাই ইতিহাসে স্থান পায়, যা কিছু ভাল, যা কিছু প্রথম, যা কিছু মানবসভ্যতার অভিশাপ-আশীর্বাদ।

তাই ইতিহাসের দিনপঞ্জি মানুষের কাছে সবসময় গুরুত্ব বহন করে। এই গুরুত্বের কথা মাথায় রেখে দৈনিক আকাশের পাঠকদের জন্য নিয়মিত আয়োজন ‘ইতিহাসের এই দিনে’।

১৫ মার্চ, ২০১৮, বৃহস্পতিবার। ১লা চৈত্র, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ। একনজরে দেখে নিন ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

৮৩ হিজরীর ৭ই রবিউল আউয়াল পবিত্র আহলে বাইতের বা নবী বংশের অন্যতম সদস্য হজরত ইমাম জাফর সাদেক (আ) জন্ম গ্রহণ করেন। ৩৪ বছরের ইমামতিকালে ইমাম সাদেক ( আ ) সর্বমোট ৭ জন শাসকের শাসনকাল দেখেছেন। এদের মধ্যে ৫জন হলো উমাইয়া শাসক আর ২ জন আব্বাসীয়। এই দীর্ঘ সময়ে ইমাম দুটি কর্মসূচিকে সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়েছেন। একটি হলো অত্যাচারী শাসকদের জুলুম-অত্যাচারের বিরোধিতা এবং অপরটি হলো জনগণের চিন্তা চেতনার উন্নয়ন ও উৎকর্ষ সাধনের লক্ষ্যে সাংস্কৃতিক ও জ্ঞানগত বৈপ্লবিক ভিত রচনার পাশাপাশি তাদেরকে ইসলামের প্রকৃত স্বরূপ ও মৌলিক দিকগুলোর সাথে পরিচয় করানোর চেষ্টা। এই দুটি কর্মসূচির মাধ্যমে ইমাম চেয়েছেন ইসলামের উজ্জ্বল ও পবিত্র স্বরূপের ওপর যেসব বিকৃতি বা কুসংস্কার আরোপিত হয়েছিল,সেগুলোকে দূর করা ।নৈতিক এবং চারিত্র্যিক মহান বৈশিষ্ট্যের কারণে জনগণের মাঝে ইমাম সাদেক ( আ ) এর জনপ্রিয়তা দিনের পর দিন বেড়েই যাচ্ছিলো। এতে ভয় পেয়ে গিয়েছিল আব্বাসীয় শাসকরা। জনগণ যেভাবে ইমামের সাহচর্য পিয়াসী হয়ে উঠেছিল,তাতে খলিফা মানসুর ইমামের অস্তিত্বের উজ্জ্বল সূর্যালোক সহ্য করতে পারছিল না। তাই চক্রান্ত করে ইমামকে বিষপান করিয়ে শহীদ করেছিল। তাঁর সেই শাহাদাতের বার্ষিকীতে আপনাদের সবার প্রতি রইলো আবারো সমবেদনা। “আমার সবচেয়ে প্রিয় বন্ধু এবং ভাই তিনিই,যিনি আমার দোষগুলো ধরিয়ে দেন। ”

ফার্সি ১৩৬৬ সালের ২৫শে ইসফান্দ অর্থাৎ ১৯৮৮ সালের এ দিনে ইরাকের তৎকালীন বার্থপন্থী শাসকের বিমান বাহিনী কুর্দিস্তানের হালাবচা শহরে বিমান থেকে রাসায়নিক বোমা নিক্ষেপ করেছিলো। হালাবচা ইরাকের শহর হলেও সাদ্দামের অত্যাচারে অতিষ্ঠ এখানকার জনগণ ইরানের সৈন্যবাহিনীকে স্বাগত জানিয়েছিলো এবং সাদ্দাম বাহিনী কিছুতেই ইরানের অসম সাহসী বাহিনীর সাথে পেরে উঠছিলো না। এ অবস্থায় বাগদাদের তৎকালীন বার্থপন্থী শাসক গোষ্ঠি প্রতিশোধ পরায়ণ হয়ে উঠে এবং হালাবচার উপর নির্বিচারে রাসায়নিক বোমা নিক্ষেপের পথ বেছে নেয়। এই হামলায় অন্তত ৫ হাজার নিরীহ হলাফজাবাসী মর্মান্তিক ভাবে প্রাণ হারায়। পাশ্চাত্যের কোনো কোনো দেশ ইরাকের কাছে এ প্রাণঘাতী রাসায়নিক বোমা এবং এ সব বোমা নিক্ষেপের প্রযুক্তির যোগান দিয়েছে। এমন বর্বরোচিত এবং নজিরবিহীন বোমা হামলার পরও পাশ্চাত্যের দেশগুলো তৎকালীন ইরাকের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ গ্রহণ করা দূরে থাকুক সমালোচনা পর্যন্ত করে নি।

১৯১৭ সালের এ দিনে রাশিয়ার জার দ্বিতীয় নিকোলাস সিংহাসন ত্যাগ করতে বাধ্য হন। পেট্রোগ্রাডের সেনা বিদ্রোহীদের চাপের মুখে তিনি সিংহাসন ত্যাগ করেন। এরপর রাশিয়ায় একটি অন্তবর্তী সরকার প্রতিষ্ঠা করা হয়। ১৮৯৪ সালের ২৬শে মে দ্বিতীয় নিকোলাস সিংহাসনে আরোহন করেছিলেন। তবে রাজ্য চালনার মতো কোনো প্রশিক্ষণ তার ছিলো না। এমনকি রাজ্য চালনার কোনো ইচ্ছাও তার মধ্যে দেখা যায় নি। ক্ষমতা ত্যাগ করার পর তোবোলেস্কো শহরের কাছাকাছি একটি প্রাসাদে তাকে সপরিবারে বন্দি করে রাখা হয়। ১৯১৮ সালের দিকে বিপ্লব বিরোধী বাহিনী এগিয়ে আসতে থাকলে সোভিয়েত বাহিনী মনে করে তারা দ্বিতীয় নিকোলাসকে হয়ত উদ্ধার করতে পারবে। ফলে গোপন এক বৈঠকের পর তার মৃত্যু দন্ড প্রদান করা হয়। দ্বিতীয় নিকোলাস তার স্ত্রী, শিশু সন্তনদের সহ তার কয়েকজন ভৃত্যকে ১৬ই জুলাই হত্যা করা হয়।

১৮৫৪ সালের এ দিনে এমিল এডলফ ভন বেহরিং জন্ম গ্রহণ করেন। বিশিষ্ট এই ব্যাকটেরিয়ালজিস্ট বা ব্যাকটেরিয়া বিশেষজ্ঞকে ইমমিউনোলজি বা দেহ প্রতিরক্ষা বিজ্ঞানের জনক বলে মনে করা হয়। ১৯০১ সালে তিনি প্রথম চিকিৎসা বিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। সিরাম থেরাপির জন্য তাকে এই পুরস্কার দেয়া হয়েছিলো। সে সময় তিনি অন্য এক বিজ্ঞানীর সাথে কাজ করার সময় দেখতে পান যে টিটেনাস বা ধনুষ্টংকার এবং ডিপথেরিয়া রোগ থেকে সেরে উঠছে এমন প্রাণীর সিরাম বা রক্তরস প্রদান করা হলে মানব দেহে এই দুই রোগ প্রতিরোধের ব্যবস্থা তৈরি হয়। ভন বেহরিং ১৯১৭ সালের ৩১ মার্চ পরলোকগমন করেন।

  • আমেরিকায় প্রথম সফর শেষে কলম্বাসের স্পেন প্রত্যাবর্তন (১৪৯৩)
  • মার্কিন কংগ্রেসে ব্রিটিশকে দমনের সিদ্ধান্ত (১৭৭৬)
  • লোহা ও ইস্পাত চুল্লির উদ্ভাবক স্যার হেনরি বেসিমার মৃত্যু (১৮৯৮)
  • ব্রিটিশদের উত্তর নাইজেরিয়া দখল সম্পন্ন (১৯০৩)
  • বেলজিয়াম রুয়ান্ডার শাসনভার ব্রিটেনের কাছে হস্তান্তর (১৯২১)
  • রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবিতে আন্দোলনরত ছাত্রদের সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী খাজা নাজিমুদীনের সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর (১৯৪৮)
  • ভারতীয় মিত্রবাহিনীর বাংলাদেশ ত্যাগ (১৯৭২)
  • সোভিয়েত রাষ্ট্রপতি চেরনেনকোর মৃত্যুর ফলে মিখাইল গরবাচেভ সোভিয়েত কমিউনিষ্ট পার্টির প্রধান নিযুক্ত (১৯৮৫)
  • ভারতে বিস্ফোরণে টেন নদীতে ছিটকে পড়ে ২২ জন নিহত (১৯৮৭)
  • বুড়িগঙ্গার ওপর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সেতুর উদ্বোধন (১৯৮৯)
  • জরুরি অবস্থা ঘোষণায় ব্যর্থ হয়ে সার্বিয়ার প্রেসিডেন্ট বোরিসাভ জোভিচের পদত্যাগ (১৯৯১)
  • তুরস্কে ভূমিকম্পে ৮শ লোকের প্রাণহানি (১৯৯২)
Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ট্রাম্পের হুঁশিয়ারির পাল্টা জবাব দিলেন কিউবার প্রেসিডেন্ট

ইতিহাসের এই দিনে, ১৫ মার্চ

আপডেট সময় ০৩:১৩:৪৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ মার্চ ২০১৮

অাকাশ ইতিহাস ডেস্ক:

আজ বৃহস্পতিবার ১৫ মার্চ ২০১৮ সাল

ইতিহাস আজীবন কথা বলে। ইতিহাস মানুষকে ভাবায়, তাড়িত করে। প্রতিদিনের উল্লেখযোগ্য ঘটনা কালক্রমে রূপ নেয় ইতিহাসে। সেসব ঘটনাই ইতিহাসে স্থান পায়, যা কিছু ভাল, যা কিছু প্রথম, যা কিছু মানবসভ্যতার অভিশাপ-আশীর্বাদ।

তাই ইতিহাসের দিনপঞ্জি মানুষের কাছে সবসময় গুরুত্ব বহন করে। এই গুরুত্বের কথা মাথায় রেখে দৈনিক আকাশের পাঠকদের জন্য নিয়মিত আয়োজন ‘ইতিহাসের এই দিনে’।

১৫ মার্চ, ২০১৮, বৃহস্পতিবার। ১লা চৈত্র, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ। একনজরে দেখে নিন ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

৮৩ হিজরীর ৭ই রবিউল আউয়াল পবিত্র আহলে বাইতের বা নবী বংশের অন্যতম সদস্য হজরত ইমাম জাফর সাদেক (আ) জন্ম গ্রহণ করেন। ৩৪ বছরের ইমামতিকালে ইমাম সাদেক ( আ ) সর্বমোট ৭ জন শাসকের শাসনকাল দেখেছেন। এদের মধ্যে ৫জন হলো উমাইয়া শাসক আর ২ জন আব্বাসীয়। এই দীর্ঘ সময়ে ইমাম দুটি কর্মসূচিকে সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়েছেন। একটি হলো অত্যাচারী শাসকদের জুলুম-অত্যাচারের বিরোধিতা এবং অপরটি হলো জনগণের চিন্তা চেতনার উন্নয়ন ও উৎকর্ষ সাধনের লক্ষ্যে সাংস্কৃতিক ও জ্ঞানগত বৈপ্লবিক ভিত রচনার পাশাপাশি তাদেরকে ইসলামের প্রকৃত স্বরূপ ও মৌলিক দিকগুলোর সাথে পরিচয় করানোর চেষ্টা। এই দুটি কর্মসূচির মাধ্যমে ইমাম চেয়েছেন ইসলামের উজ্জ্বল ও পবিত্র স্বরূপের ওপর যেসব বিকৃতি বা কুসংস্কার আরোপিত হয়েছিল,সেগুলোকে দূর করা ।নৈতিক এবং চারিত্র্যিক মহান বৈশিষ্ট্যের কারণে জনগণের মাঝে ইমাম সাদেক ( আ ) এর জনপ্রিয়তা দিনের পর দিন বেড়েই যাচ্ছিলো। এতে ভয় পেয়ে গিয়েছিল আব্বাসীয় শাসকরা। জনগণ যেভাবে ইমামের সাহচর্য পিয়াসী হয়ে উঠেছিল,তাতে খলিফা মানসুর ইমামের অস্তিত্বের উজ্জ্বল সূর্যালোক সহ্য করতে পারছিল না। তাই চক্রান্ত করে ইমামকে বিষপান করিয়ে শহীদ করেছিল। তাঁর সেই শাহাদাতের বার্ষিকীতে আপনাদের সবার প্রতি রইলো আবারো সমবেদনা। “আমার সবচেয়ে প্রিয় বন্ধু এবং ভাই তিনিই,যিনি আমার দোষগুলো ধরিয়ে দেন। ”

ফার্সি ১৩৬৬ সালের ২৫শে ইসফান্দ অর্থাৎ ১৯৮৮ সালের এ দিনে ইরাকের তৎকালীন বার্থপন্থী শাসকের বিমান বাহিনী কুর্দিস্তানের হালাবচা শহরে বিমান থেকে রাসায়নিক বোমা নিক্ষেপ করেছিলো। হালাবচা ইরাকের শহর হলেও সাদ্দামের অত্যাচারে অতিষ্ঠ এখানকার জনগণ ইরানের সৈন্যবাহিনীকে স্বাগত জানিয়েছিলো এবং সাদ্দাম বাহিনী কিছুতেই ইরানের অসম সাহসী বাহিনীর সাথে পেরে উঠছিলো না। এ অবস্থায় বাগদাদের তৎকালীন বার্থপন্থী শাসক গোষ্ঠি প্রতিশোধ পরায়ণ হয়ে উঠে এবং হালাবচার উপর নির্বিচারে রাসায়নিক বোমা নিক্ষেপের পথ বেছে নেয়। এই হামলায় অন্তত ৫ হাজার নিরীহ হলাফজাবাসী মর্মান্তিক ভাবে প্রাণ হারায়। পাশ্চাত্যের কোনো কোনো দেশ ইরাকের কাছে এ প্রাণঘাতী রাসায়নিক বোমা এবং এ সব বোমা নিক্ষেপের প্রযুক্তির যোগান দিয়েছে। এমন বর্বরোচিত এবং নজিরবিহীন বোমা হামলার পরও পাশ্চাত্যের দেশগুলো তৎকালীন ইরাকের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ গ্রহণ করা দূরে থাকুক সমালোচনা পর্যন্ত করে নি।

১৯১৭ সালের এ দিনে রাশিয়ার জার দ্বিতীয় নিকোলাস সিংহাসন ত্যাগ করতে বাধ্য হন। পেট্রোগ্রাডের সেনা বিদ্রোহীদের চাপের মুখে তিনি সিংহাসন ত্যাগ করেন। এরপর রাশিয়ায় একটি অন্তবর্তী সরকার প্রতিষ্ঠা করা হয়। ১৮৯৪ সালের ২৬শে মে দ্বিতীয় নিকোলাস সিংহাসনে আরোহন করেছিলেন। তবে রাজ্য চালনার মতো কোনো প্রশিক্ষণ তার ছিলো না। এমনকি রাজ্য চালনার কোনো ইচ্ছাও তার মধ্যে দেখা যায় নি। ক্ষমতা ত্যাগ করার পর তোবোলেস্কো শহরের কাছাকাছি একটি প্রাসাদে তাকে সপরিবারে বন্দি করে রাখা হয়। ১৯১৮ সালের দিকে বিপ্লব বিরোধী বাহিনী এগিয়ে আসতে থাকলে সোভিয়েত বাহিনী মনে করে তারা দ্বিতীয় নিকোলাসকে হয়ত উদ্ধার করতে পারবে। ফলে গোপন এক বৈঠকের পর তার মৃত্যু দন্ড প্রদান করা হয়। দ্বিতীয় নিকোলাস তার স্ত্রী, শিশু সন্তনদের সহ তার কয়েকজন ভৃত্যকে ১৬ই জুলাই হত্যা করা হয়।

১৮৫৪ সালের এ দিনে এমিল এডলফ ভন বেহরিং জন্ম গ্রহণ করেন। বিশিষ্ট এই ব্যাকটেরিয়ালজিস্ট বা ব্যাকটেরিয়া বিশেষজ্ঞকে ইমমিউনোলজি বা দেহ প্রতিরক্ষা বিজ্ঞানের জনক বলে মনে করা হয়। ১৯০১ সালে তিনি প্রথম চিকিৎসা বিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। সিরাম থেরাপির জন্য তাকে এই পুরস্কার দেয়া হয়েছিলো। সে সময় তিনি অন্য এক বিজ্ঞানীর সাথে কাজ করার সময় দেখতে পান যে টিটেনাস বা ধনুষ্টংকার এবং ডিপথেরিয়া রোগ থেকে সেরে উঠছে এমন প্রাণীর সিরাম বা রক্তরস প্রদান করা হলে মানব দেহে এই দুই রোগ প্রতিরোধের ব্যবস্থা তৈরি হয়। ভন বেহরিং ১৯১৭ সালের ৩১ মার্চ পরলোকগমন করেন।

  • আমেরিকায় প্রথম সফর শেষে কলম্বাসের স্পেন প্রত্যাবর্তন (১৪৯৩)
  • মার্কিন কংগ্রেসে ব্রিটিশকে দমনের সিদ্ধান্ত (১৭৭৬)
  • লোহা ও ইস্পাত চুল্লির উদ্ভাবক স্যার হেনরি বেসিমার মৃত্যু (১৮৯৮)
  • ব্রিটিশদের উত্তর নাইজেরিয়া দখল সম্পন্ন (১৯০৩)
  • বেলজিয়াম রুয়ান্ডার শাসনভার ব্রিটেনের কাছে হস্তান্তর (১৯২১)
  • রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবিতে আন্দোলনরত ছাত্রদের সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী খাজা নাজিমুদীনের সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর (১৯৪৮)
  • ভারতীয় মিত্রবাহিনীর বাংলাদেশ ত্যাগ (১৯৭২)
  • সোভিয়েত রাষ্ট্রপতি চেরনেনকোর মৃত্যুর ফলে মিখাইল গরবাচেভ সোভিয়েত কমিউনিষ্ট পার্টির প্রধান নিযুক্ত (১৯৮৫)
  • ভারতে বিস্ফোরণে টেন নদীতে ছিটকে পড়ে ২২ জন নিহত (১৯৮৭)
  • বুড়িগঙ্গার ওপর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সেতুর উদ্বোধন (১৯৮৯)
  • জরুরি অবস্থা ঘোষণায় ব্যর্থ হয়ে সার্বিয়ার প্রেসিডেন্ট বোরিসাভ জোভিচের পদত্যাগ (১৯৯১)
  • তুরস্কে ভূমিকম্পে ৮শ লোকের প্রাণহানি (১৯৯২)