ঢাকা ০১:৪৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬, ৩০ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মানব রচিত আইন এ বাংলায় চলতে দেওয়া হবে না: চরমোনাইর পীর বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে ঐক্য, সম্প্রীতি ও নতুন প্রত্যয়ের আহ্বান রাষ্ট্রপতির আগামী বছরের মধ্যে গোটা রাখাইন দখলের ঘোষণা আরাকান আর্মির অবরোধ ভাঙতে চাইলে ইরানের ‘অ্যাটাক শিপ’ ধ্বংসের হুমকি ট্রাম্পের গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না হলে দেশ নতুন সাংবিধানিক সংকটে পড়বে:শিশির মনির সরকারের কাঁধে শেখ হাসিনার ভূত চেপেছে: মামুনুল হক খোলা চিঠিতে ‘বিদায়ের বার্তা’ দিলেন মানবাধিকার কমিশনের সব সদস্য পুলিশ কমিশন গঠনের পরিকল্পনা করছে সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কারাগার থেকেই বার কাউন্সিল নির্বাচনে অংশ নিতে চান ব্যারিস্টার সুমন সংসদীয় সার্বভৌমত্বের নামে ‘সংসদীয় স্বৈরতন্ত্র’ কায়েম হচ্ছে: সারোয়ার তুষার

মানসিক অস্থিরতা কমানোর কৌশল

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

কোনো কিছুই ভালো লাগছে না। কেন যেন আজ মনটা কেমন কেমন করছে। বিরক্ত লাগছে, অসহ্য লাগছে সব। আশপাশের কাউকেই সহ্য হচ্ছে না। অস্থিরতা আরো বাড়ছে, প্রচণ্ড রাগও হচ্ছে। মাথাও কাজ করছে না। চিন্তাভাবনা সব গুলিয়ে যাচ্ছে। চেষ্টা করেও এ অবস্থা থেকে বেড় হতে পারছেন না।

এসবই মানসিক অস্থিরতার লক্ষণ। দৈনন্দিন জীবনে অনেক কারণেই আমাদের মধ্যে মানসিক অস্থিরতা সৃষ্টি হতে পারে। চলুন জেনে নেয়া যাক মানসিক অস্থিরতা থেকে মুক্তি পাওয়ার কিছু প্রয়োজনীয় টিপস।

১. প্রথমে মনের অস্থিরতা কমাতে ফেলে আসা জীবনের কিছু ভালো স্মৃতি মনে করুন।

২. অস্থিরতা দেখা দিলে প্রথমে ব্রিদিং রিলাক্সেশন করুন। নাক দিয়ে আস্তে আস্তে গভীর শ্বাস নিন। বুক ভরে ভেতরের সব খালি জায়গা বাতাসে ভরে ফেলুন। দম অল্পক্ষণ আটকে রাখুন। তারপর মুখ দিয়ে ধীরে ধীরে শ্বাস ছাড়ুন। এভাবে তিনবার করুন।

৩. উল্টো দিক থেকে সংখ্যা গুনুন। যেমন ১০০, ৯৯, ৯৮ এভাবে। এবং ইচ্ছে না থাকা সত্ত্বেও গান শোনা, গল্পের বই পড়া, কবিতা পড়া, বাগানে সময় কাটানো—এমন ধরনের নিজের ভালোলাগার কাজগুলো করুন।

৪. অনেক সময় যে কারণে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে, সেই বিষয়টি কারো সঙ্গে শেয়ার করলে অস্থিরতা কমে যায়। তাই যাকে আপনি আস্থা মনে করেন তার সঙ্গে বিষয়টি শেয়ার করুন।

৫. অস্থিরতার সময় কোনো একটি চিন্তা বারবার ব্যক্তির মনে আসতে থাকে সে ক্ষেত্রে ঠিক করুন, সারা দিনে একটি নির্দিষ্ট সময়ে ওই বিষয়টি নিয়ে চিন্তা করবেন। আর বাকি সময়গুলোতে নয়। যদি কোনো ব্যক্তির কারণে অস্থিরতা তৈরি হয়, তবে তার সঙ্গে সরাসরি কথা বলে বিষয়টা পরিষ্কার করুন।

৬. সুশৃঙ্খল জীবনযাপনের অভ্যাস করুন, নেশাজাতীয় দ্রব্য এড়িয়ে চলুন এবং প্রতিদিন হালকা ব্যায়াম করুন, নিয়মিত হাঁটুন।এছাড়া অস্থিরতার বিষয়টিকে পাত্তা না দেওয়ার চেষ্টা করুন।

৭. মানসিক অস্থিরতা বোধ করার সাথে সাথে যদি সবার কাছ থেকে নিজেকে আলাদা করে, একা থেকে অস্থিরতার বিষয়টি নিয়ে ভাবতে থাকেন, তাহলে আপনার মানসিক অস্থিরতা না কমে বরং আরো বাড়বে। তাই এমন অবস্থায় যে পরিস্থিতিতে আছেন তা ত্যাগ করুন। ঘরে থাকলে ঘর থেকে বেরিয়ে বাড়ির অন্যদের সঙ্গে সময় কাটান, অফিসে থাকলে ডেস্ক থেকে উঠে কলিগদের সঙ্গে কথা বলুন। উঠে গিয়ে মুখ-হাতে পানি দিন। সুযোগ থাকলে বাসা থেকে বাইরে বেরিয়ে কোথাও ঘুরে আসুন, নাটক দেখুন,সিনেমা দেখুন, পছন্দের খাবার খান, শপিং করুন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

বেলুনের ভেতরেই চলছে নির্মাণকাজ, ধুলা-শব্দ দূষণ নিয়ন্ত্রণে চীনের নতুন প্রযুক্তি

মানসিক অস্থিরতা কমানোর কৌশল

আপডেট সময় ০১:৫০:২৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ মার্চ ২০১৮

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

কোনো কিছুই ভালো লাগছে না। কেন যেন আজ মনটা কেমন কেমন করছে। বিরক্ত লাগছে, অসহ্য লাগছে সব। আশপাশের কাউকেই সহ্য হচ্ছে না। অস্থিরতা আরো বাড়ছে, প্রচণ্ড রাগও হচ্ছে। মাথাও কাজ করছে না। চিন্তাভাবনা সব গুলিয়ে যাচ্ছে। চেষ্টা করেও এ অবস্থা থেকে বেড় হতে পারছেন না।

এসবই মানসিক অস্থিরতার লক্ষণ। দৈনন্দিন জীবনে অনেক কারণেই আমাদের মধ্যে মানসিক অস্থিরতা সৃষ্টি হতে পারে। চলুন জেনে নেয়া যাক মানসিক অস্থিরতা থেকে মুক্তি পাওয়ার কিছু প্রয়োজনীয় টিপস।

১. প্রথমে মনের অস্থিরতা কমাতে ফেলে আসা জীবনের কিছু ভালো স্মৃতি মনে করুন।

২. অস্থিরতা দেখা দিলে প্রথমে ব্রিদিং রিলাক্সেশন করুন। নাক দিয়ে আস্তে আস্তে গভীর শ্বাস নিন। বুক ভরে ভেতরের সব খালি জায়গা বাতাসে ভরে ফেলুন। দম অল্পক্ষণ আটকে রাখুন। তারপর মুখ দিয়ে ধীরে ধীরে শ্বাস ছাড়ুন। এভাবে তিনবার করুন।

৩. উল্টো দিক থেকে সংখ্যা গুনুন। যেমন ১০০, ৯৯, ৯৮ এভাবে। এবং ইচ্ছে না থাকা সত্ত্বেও গান শোনা, গল্পের বই পড়া, কবিতা পড়া, বাগানে সময় কাটানো—এমন ধরনের নিজের ভালোলাগার কাজগুলো করুন।

৪. অনেক সময় যে কারণে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে, সেই বিষয়টি কারো সঙ্গে শেয়ার করলে অস্থিরতা কমে যায়। তাই যাকে আপনি আস্থা মনে করেন তার সঙ্গে বিষয়টি শেয়ার করুন।

৫. অস্থিরতার সময় কোনো একটি চিন্তা বারবার ব্যক্তির মনে আসতে থাকে সে ক্ষেত্রে ঠিক করুন, সারা দিনে একটি নির্দিষ্ট সময়ে ওই বিষয়টি নিয়ে চিন্তা করবেন। আর বাকি সময়গুলোতে নয়। যদি কোনো ব্যক্তির কারণে অস্থিরতা তৈরি হয়, তবে তার সঙ্গে সরাসরি কথা বলে বিষয়টা পরিষ্কার করুন।

৬. সুশৃঙ্খল জীবনযাপনের অভ্যাস করুন, নেশাজাতীয় দ্রব্য এড়িয়ে চলুন এবং প্রতিদিন হালকা ব্যায়াম করুন, নিয়মিত হাঁটুন।এছাড়া অস্থিরতার বিষয়টিকে পাত্তা না দেওয়ার চেষ্টা করুন।

৭. মানসিক অস্থিরতা বোধ করার সাথে সাথে যদি সবার কাছ থেকে নিজেকে আলাদা করে, একা থেকে অস্থিরতার বিষয়টি নিয়ে ভাবতে থাকেন, তাহলে আপনার মানসিক অস্থিরতা না কমে বরং আরো বাড়বে। তাই এমন অবস্থায় যে পরিস্থিতিতে আছেন তা ত্যাগ করুন। ঘরে থাকলে ঘর থেকে বেরিয়ে বাড়ির অন্যদের সঙ্গে সময় কাটান, অফিসে থাকলে ডেস্ক থেকে উঠে কলিগদের সঙ্গে কথা বলুন। উঠে গিয়ে মুখ-হাতে পানি দিন। সুযোগ থাকলে বাসা থেকে বাইরে বেরিয়ে কোথাও ঘুরে আসুন, নাটক দেখুন,সিনেমা দেখুন, পছন্দের খাবার খান, শপিং করুন।