ঢাকা ০১:৩৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ক্ষতিগ্রস্তদের পরিবারের সঙ্গে তারেক রহমানের মতবিনিময় আমির হামজার বিরুদ্ধে বিক্ষোভ, কুশপুত্তলিকায় জুতার মালা ভারতে গিয়ে বিশ্বকাপ খেলবে না আয়ারল্যান্ডও ঋণখেলাপি ও দ্বৈত নাগরিকদের শান্তিতে নির্বাচন করতে দেব না: আসিফ মাহমুদ ‘আমি রুমিন ফারহানা, আমার কোনো দল লাগে না’ গুম হওয়া পরিবারের আর্তনাদ শুনে কাঁদলেন তারেক রহমান কালি নয়, জুলাই জাতীয় সনদ ‘রক্ত ও প্রাণের বিনিময়ে’ লেখা হয়েছে : আলী রীয়াজ প্রার্থিতা প্রত্যাহার করলেন লুৎফুজ্জামান বাবরের স্ত্রী ওসমানী মেডিকেলে ইন্টার্ন চিকিৎসকের ওপর হামলা, চলছে কর্মবিরতি নির্বাচন ব্যর্থ হলে শুধু সরকার নয়, পুরো দেশবাসীকেই এর ভয়াবহ খেসারত দিতে হবে : দুদু

স্যার অনুরোধ করছি রানওয়ে ফ্রি করুন: পাইলট

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

‘স্যার দুই নম্বর রানওয়ে ফ্রি করুন প্লিজ। স্যার আমি আবারও অনুরোধ করছি রানওয়ে ফ্রি করুন।’ বিমান বিধ্বস্ত হওয়ার আগ মুহূর্তে এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোল রুমের সঙ্গে সর্বশেষ কথোপকথনে এমন অনুরোধ করেছিলেন পাইলট।

কন্ট্রোল রুমের সঙ্গে পাইলটের সর্বশেষ কথোপকথনের একটি অডিও রেকর্ডের বরাত দিয়ে নেপালের ইংরেজি দৈনিক নেপালি টাইমস বলছে, কন্ট্রোল রুম থেকে ভুল বার্তা দেয়ার কারণেই ককপিটে দ্বিধায় পড়েন পাইলট।

প্রকাশিত অডিও রেকর্ডের শোনা যায়, প্রথমে কন্ট্রোল রুম থেকে বিমানটির পাইলটকে বিমানবন্দরের ডানদিকের ২ নম্বর রানওয়েতে অবতরণের কথা বলা হয়। নির্দেশনা অনুযায়ী, পাইলট বিমানটি বিমানবন্দরের ডানদিকে নিয়ে যান। কিন্তু ডানদিকে রানওয়ে ফ্রি না থাকায় পাইলট আবারও কন্ট্রোল রুমের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। এ সময় তাকে প্রশ্ন করা হয়, আপনি কি বর্তমান অবস্থানে থাকতে পারবেন? এ সময় পাইলট দুই নম্বর রানওয়ে ফ্রি করার জন্য কন্ট্রোল রুমের কাছে অনুরোধ জানান। কিন্তু তাকে আবারও ভিন্ন বার্তা দেয়া হয়। এর কিছুক্ষণ পর আবার কন্ট্রোল রুমে যোগাযোগ করেন পাইলট। তখন পাইলট বলেন, স্যার আমি আবারও অনুরোধ করছি রানওয়ে ফ্রি করুন। এর কিছুক্ষণ পরই বিমানটি বিকট শব্দে ত্রিভুবন বিমানবন্দরের পাশের একটি ফুটবল মাঠে আছড়ে পড়ে।

নেপাল কন্ট্রোল রুমের সঙ্গে পাইলটের কথোপকথনের রেকর্ড প্রসঙ্গে বাংলাদেশ সিভিল এভিয়েশন অথরিটির চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল এম নাইম হাসান মঙ্গলবার দুপুরে সাংবাদিকদের বলেন, আমিও ইউটিউব থেকে শুনেছি। কিন্তু এগুলো ভেরিফায়েড না। আমরা এনালাইসিস করছি। এখনই মন্তব্য করা যাবে না।

উল্লেখ্য, সোমবার দুপুরে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ইউএস-বাংলার উড়োজাহাজ কাঠমান্ডুর উদ্দেশে রওনা হয়। এরপর বিমানটি কাঠমান্ডুর ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিধ্বস্ত হয়। এতে চার ক্রুসহ ৭১ জন আরোহী ছিলেন। এর মধ্যে কমপক্ষে ৫০ জন আরোহী নিহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে বাংলাদেশিও রয়েছেন। আহত হয়েছেন ২১ জন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পাকিস্তানে শপিংমলে আগুন, ৫ জনের মৃত্যু

স্যার অনুরোধ করছি রানওয়ে ফ্রি করুন: পাইলট

আপডেট সময় ০৭:৪৩:৫৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ মার্চ ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

‘স্যার দুই নম্বর রানওয়ে ফ্রি করুন প্লিজ। স্যার আমি আবারও অনুরোধ করছি রানওয়ে ফ্রি করুন।’ বিমান বিধ্বস্ত হওয়ার আগ মুহূর্তে এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোল রুমের সঙ্গে সর্বশেষ কথোপকথনে এমন অনুরোধ করেছিলেন পাইলট।

কন্ট্রোল রুমের সঙ্গে পাইলটের সর্বশেষ কথোপকথনের একটি অডিও রেকর্ডের বরাত দিয়ে নেপালের ইংরেজি দৈনিক নেপালি টাইমস বলছে, কন্ট্রোল রুম থেকে ভুল বার্তা দেয়ার কারণেই ককপিটে দ্বিধায় পড়েন পাইলট।

প্রকাশিত অডিও রেকর্ডের শোনা যায়, প্রথমে কন্ট্রোল রুম থেকে বিমানটির পাইলটকে বিমানবন্দরের ডানদিকের ২ নম্বর রানওয়েতে অবতরণের কথা বলা হয়। নির্দেশনা অনুযায়ী, পাইলট বিমানটি বিমানবন্দরের ডানদিকে নিয়ে যান। কিন্তু ডানদিকে রানওয়ে ফ্রি না থাকায় পাইলট আবারও কন্ট্রোল রুমের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। এ সময় তাকে প্রশ্ন করা হয়, আপনি কি বর্তমান অবস্থানে থাকতে পারবেন? এ সময় পাইলট দুই নম্বর রানওয়ে ফ্রি করার জন্য কন্ট্রোল রুমের কাছে অনুরোধ জানান। কিন্তু তাকে আবারও ভিন্ন বার্তা দেয়া হয়। এর কিছুক্ষণ পর আবার কন্ট্রোল রুমে যোগাযোগ করেন পাইলট। তখন পাইলট বলেন, স্যার আমি আবারও অনুরোধ করছি রানওয়ে ফ্রি করুন। এর কিছুক্ষণ পরই বিমানটি বিকট শব্দে ত্রিভুবন বিমানবন্দরের পাশের একটি ফুটবল মাঠে আছড়ে পড়ে।

নেপাল কন্ট্রোল রুমের সঙ্গে পাইলটের কথোপকথনের রেকর্ড প্রসঙ্গে বাংলাদেশ সিভিল এভিয়েশন অথরিটির চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল এম নাইম হাসান মঙ্গলবার দুপুরে সাংবাদিকদের বলেন, আমিও ইউটিউব থেকে শুনেছি। কিন্তু এগুলো ভেরিফায়েড না। আমরা এনালাইসিস করছি। এখনই মন্তব্য করা যাবে না।

উল্লেখ্য, সোমবার দুপুরে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ইউএস-বাংলার উড়োজাহাজ কাঠমান্ডুর উদ্দেশে রওনা হয়। এরপর বিমানটি কাঠমান্ডুর ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিধ্বস্ত হয়। এতে চার ক্রুসহ ৭১ জন আরোহী ছিলেন। এর মধ্যে কমপক্ষে ৫০ জন আরোহী নিহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে বাংলাদেশিও রয়েছেন। আহত হয়েছেন ২১ জন।