ঢাকা ০৭:০৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রক্তমাখা পতাকা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ জুলাই যোদ্ধা শেখ আজিজুরের দুই মাসের মধ্যে রমেক হাসপাতালের আইসিইউ শয্যা ২০টিতে উন্নীত করা হবে: আসাদুল হাবীব দুলু বাংলাদেশ থেকে ৩ লাখ রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার ধর্ম ও রাজনৈতিক পরিচয় নির্বিশেষে সকল মানুষের পাশে আছে সরকার: সমাজকল্যাণ মন্ত্রী তৃণমূল থেকে ক্রীড়ার ভিত্তি শক্ত করাই মূল লক্ষ্য : শিক্ষামন্ত্রী ভোল পাল্টানো লোকজনই এখন অনেক বেশি জুলাই-যোদ্ধা হয়ে গেছে: মির্জা ফখরুল দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে খুলেছে মালয়েশিয়া শ্রমবাজার: মাহদী আমিন এনসিপি জামায়াতের মস্তিষ্ক দ্বারা পরিচালিত : রাশেদ খান পাওয়া গেল ভারতের আধার কার্ড, যেভাবে গ্রেপ্তার ডেভিড ইমন সিলেটে পরপর দুবার এনসিপির শীর্ষ নেতাদের গাড়িবহরে হামলা

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ উপনির্বাচনে আ.লীগের সংগ্রাম জয়ী

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

আওয়ামী লীগের ঘাঁটি হিসেবে পরিচিতি ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ (নাসিরনগর)আসনের উপনিবার্চনে আওয়ামী লীগ বড় জয় পেয়েছে। প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় পার্টির প্রার্থী রেজোয়ান আহমেদকে ৪৮ হাজার ভোটের ব্যবধানে হারিয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগের বদরুদ্দোজা মো. ফরহাদ হোসেন সংগ্রাম।

মঙ্গলবার সকাল আটটা থেকে বিকাল চারটা পর্যন্ত কড়া নিরাপত্তায় ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোট নেয়া হয়। ৭৪ কেন্দ্রের কোনোটিতে গোলযোগের কোনো খবর পাওয়া যায়নি। রাতে ভোট গণনা শেষে ফল ঘোষণা করা হয়।

রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ের ঘোষিত ফল অনুসারে নৌকা প্রতীক নিয়ে আওয়ামী লীগের বদরুদ্দোজা মো. ফরহাদ হোসেন সংগ্রাম পেয়েছেন ৮১ হাজার ৩৮৬ ভোট। আর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী লাঙ্গল প্রতীকে জাতীয় পার্টির রেজোয়ান আহমেদ পান ৩৩ হাজার ২৫৮ ভোট।

নির্বাচনে অংশ নেওয়া অপর প্রার্থী মিনার প্রতীক নিয়ে ইসলামী ঐক্যজোটে একে এম আশরাফুল হক পেয়েছেন দুই হাজার ২৮৭ ভোট। মোট দুই লাখ ১৪ হাজার ভোটারের মধ্যে মোট ভোট পড়েছে এক লাখ ১৯ হাজার ২২৯ ভোট।

বিপুল ভোটের ব্যবধানে নৌকার প্রার্থী বিজয়ের খবরে আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা নাসিরনগর উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে বিজয় মিছিল করছে।

ভোট উপলক্ষে দিনভর নির্বাচনী এলাকায় ছিল নিরাপত্তার কড়াকড়ি। নির্বাচনী এলাকার প্রতিটি সাধারণ ভোটকেন্দ্রে ৮ জন পুলিশসহ ২২ জন এবং গুরুত্বপূর্ণ ভোটকেন্দ্রে ১০ জন পুলিশসহ ২৪ জন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়।

মোবাইল টিমে ২৭৩ জন ও স্ট্রাইকিং ফোর্সে ১৩০ জন পুলিশ, স্ট্রাইকিং ফোর্সে একশ জন এপিবিএন, প্রতি কেন্দ্রে ১৪ জন করে এক হাজার ৩৬ জন আনসার সদস্য, মোবাইল টিমে ৪০ জন এবং স্ট্রাইকিং ফোর্সে ১০ জন ব্যাটালিয়ান আনসার এবং সাত প্লাটুন বিজিবি ও র‌্যাবের ২৬টি মোবাইল টিম মোতায়েন হয়।

এই আসনটি প্রয়াত আওয়ামী লীগ নেতা ছায়েদুল হক বলতে গেলে নিজের করে নিয়েছিলেন। ১৯৭৩ সালে প্রথম সংসদ নির্বাচনে তিনি এখান থেকে নির্বাচিত হন। এরপর সপ্তম, অষ্টম, নবম এবং দশম সংসদ নির্বাচনে পরপর চার বার তিনি এখান থেকে নৌকা প্রতীকে জিতেন।

গত ১৬ ডিসেম্বর চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয় ছায়েদুল হকের। এরপর আসনটি শূন্য ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রক্তমাখা পতাকা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ জুলাই যোদ্ধা শেখ আজিজুরের

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ উপনির্বাচনে আ.লীগের সংগ্রাম জয়ী

আপডেট সময় ১১:৩৭:২৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ মার্চ ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

আওয়ামী লীগের ঘাঁটি হিসেবে পরিচিতি ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ (নাসিরনগর)আসনের উপনিবার্চনে আওয়ামী লীগ বড় জয় পেয়েছে। প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় পার্টির প্রার্থী রেজোয়ান আহমেদকে ৪৮ হাজার ভোটের ব্যবধানে হারিয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগের বদরুদ্দোজা মো. ফরহাদ হোসেন সংগ্রাম।

মঙ্গলবার সকাল আটটা থেকে বিকাল চারটা পর্যন্ত কড়া নিরাপত্তায় ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোট নেয়া হয়। ৭৪ কেন্দ্রের কোনোটিতে গোলযোগের কোনো খবর পাওয়া যায়নি। রাতে ভোট গণনা শেষে ফল ঘোষণা করা হয়।

রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ের ঘোষিত ফল অনুসারে নৌকা প্রতীক নিয়ে আওয়ামী লীগের বদরুদ্দোজা মো. ফরহাদ হোসেন সংগ্রাম পেয়েছেন ৮১ হাজার ৩৮৬ ভোট। আর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী লাঙ্গল প্রতীকে জাতীয় পার্টির রেজোয়ান আহমেদ পান ৩৩ হাজার ২৫৮ ভোট।

নির্বাচনে অংশ নেওয়া অপর প্রার্থী মিনার প্রতীক নিয়ে ইসলামী ঐক্যজোটে একে এম আশরাফুল হক পেয়েছেন দুই হাজার ২৮৭ ভোট। মোট দুই লাখ ১৪ হাজার ভোটারের মধ্যে মোট ভোট পড়েছে এক লাখ ১৯ হাজার ২২৯ ভোট।

বিপুল ভোটের ব্যবধানে নৌকার প্রার্থী বিজয়ের খবরে আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা নাসিরনগর উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে বিজয় মিছিল করছে।

ভোট উপলক্ষে দিনভর নির্বাচনী এলাকায় ছিল নিরাপত্তার কড়াকড়ি। নির্বাচনী এলাকার প্রতিটি সাধারণ ভোটকেন্দ্রে ৮ জন পুলিশসহ ২২ জন এবং গুরুত্বপূর্ণ ভোটকেন্দ্রে ১০ জন পুলিশসহ ২৪ জন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়।

মোবাইল টিমে ২৭৩ জন ও স্ট্রাইকিং ফোর্সে ১৩০ জন পুলিশ, স্ট্রাইকিং ফোর্সে একশ জন এপিবিএন, প্রতি কেন্দ্রে ১৪ জন করে এক হাজার ৩৬ জন আনসার সদস্য, মোবাইল টিমে ৪০ জন এবং স্ট্রাইকিং ফোর্সে ১০ জন ব্যাটালিয়ান আনসার এবং সাত প্লাটুন বিজিবি ও র‌্যাবের ২৬টি মোবাইল টিম মোতায়েন হয়।

এই আসনটি প্রয়াত আওয়ামী লীগ নেতা ছায়েদুল হক বলতে গেলে নিজের করে নিয়েছিলেন। ১৯৭৩ সালে প্রথম সংসদ নির্বাচনে তিনি এখান থেকে নির্বাচিত হন। এরপর সপ্তম, অষ্টম, নবম এবং দশম সংসদ নির্বাচনে পরপর চার বার তিনি এখান থেকে নৌকা প্রতীকে জিতেন।

গত ১৬ ডিসেম্বর চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয় ছায়েদুল হকের। এরপর আসনটি শূন্য ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন।