ঢাকা ০৬:১০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ১৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বিনিয়োগনির্ভর ও উৎপাদনমুখী অর্থনীতি গড়ে তুলতে চায় সরকার : পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ‘জনমুখী স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ে তুলতে চিকিৎসকদের সক্রিয় সহযোগিতা প্রয়োজন’:মির্জা ফখরুল লন্ডনে প্রকাশ্যে ডাব খাওয়ার সময় তোপের মুখে সাবেক মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কে ইতিবাচক অগ্রগতি হয়েছে: সার্জিও গর কু‌ড়িগ্রা‌মে এন‌সি‌পির মি‌ছি‌লে হামলা, আহত ১০ আলিফের চোখ ফেরত দিন, আমরা চুপ হয়ে যাব: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী রামপুরায় চলন্ত বাসে উঠতে গিয়ে যাত্রীর মৃত্যু জামালপুরে ভুল চিকিৎসায় রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ ফাঁসি দিয়ে দেন, মৃত্যুর জন্য প্রস্তুত আছি- ট্রাইব্যুনালে বললেন লতিফ সিদ্দিকী ৬০ লাখ টাকায়ও মেলেনি মুক্তি, আরও ২৭ লাখ দিতে দেরি হওয়ায় হত্যা

মর্গে উঠে বসল মৃত যুবক, চেপে ধরল হাত

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

সড়ক দুর্ঘটনায় আহত এক যুবককে পাঠানো হয়েছিল হাসপাতালে। সেখানে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এর পর ময়নাতদন্তের জন্য যুবকের লাশ পাঠানো হয় মর্গে। সারা রাত সেখানেই পড়েছিল লাশটি।

কিন্তু সকালে ডোমরা ছুরি-কাঁচি নিয়ে ময়নাতদন্ত শুরু করতেই ঘটল বিপত্তি। মৃত যুবকের লাশটি হঠাৎ শোয়া থেকে উঠে বসল। এর পর মর্গের এক ডোমের হাত চেপে ধরল। ভারতের মধ্যপ্রদেশের ছিনদ্বারা জেলা হাসপাতালে ঘটেছে বলে জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম।

খবরে বলা হয়েছে, ওই যুবকের নাম হিমাংশু ভরদ্বাজ। নাগপুরে তিনি সড়ক দুর্ঘটনার শিকার হন। তাকে উদ্ধার করে ছিনদ্বারা জেলা হাসপাতালে নিয়ে আসা হলে চিকিৎসকরা দেখেন তার পালস নেই। নেই হৃদস্পন্দনও। এর পরই তাকে মৃত ঘোষণা করে মর্গে লাশ পাঠানো হয়। আর সেখানেই ময়নাতদন্তের সময় জ্ঞান ফিরে হিমাংশুর।

মৃত্যুর খবরের পর হিমাংশুর বেঁচে ওঠার খবরে তার পরিবারের সদস্যরা বেজায় খুশি। তবে চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে অবহেলার অভিযোগ ওঠে।।

এ অবস্থায় চিকিৎসকদের মধ্যে সিনিয়র একজন চিকিৎসক পরামর্শ দিয়েছেন- হৃদস্পন্দন না পাওয়া গেলেই যেন কাউকে মৃত ঘোষণা করা না হয়। বরং ইসিজি পরীক্ষায় যেন কারও মৃত্যুর বিষয়ে সিদ্ধান্তে আসেন চিকিৎসকরা।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বিনিয়োগনির্ভর ও উৎপাদনমুখী অর্থনীতি গড়ে তুলতে চায় সরকার : পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী

মর্গে উঠে বসল মৃত যুবক, চেপে ধরল হাত

আপডেট সময় ০৩:২২:৪১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ মার্চ ২০১৮

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

সড়ক দুর্ঘটনায় আহত এক যুবককে পাঠানো হয়েছিল হাসপাতালে। সেখানে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এর পর ময়নাতদন্তের জন্য যুবকের লাশ পাঠানো হয় মর্গে। সারা রাত সেখানেই পড়েছিল লাশটি।

কিন্তু সকালে ডোমরা ছুরি-কাঁচি নিয়ে ময়নাতদন্ত শুরু করতেই ঘটল বিপত্তি। মৃত যুবকের লাশটি হঠাৎ শোয়া থেকে উঠে বসল। এর পর মর্গের এক ডোমের হাত চেপে ধরল। ভারতের মধ্যপ্রদেশের ছিনদ্বারা জেলা হাসপাতালে ঘটেছে বলে জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম।

খবরে বলা হয়েছে, ওই যুবকের নাম হিমাংশু ভরদ্বাজ। নাগপুরে তিনি সড়ক দুর্ঘটনার শিকার হন। তাকে উদ্ধার করে ছিনদ্বারা জেলা হাসপাতালে নিয়ে আসা হলে চিকিৎসকরা দেখেন তার পালস নেই। নেই হৃদস্পন্দনও। এর পরই তাকে মৃত ঘোষণা করে মর্গে লাশ পাঠানো হয়। আর সেখানেই ময়নাতদন্তের সময় জ্ঞান ফিরে হিমাংশুর।

মৃত্যুর খবরের পর হিমাংশুর বেঁচে ওঠার খবরে তার পরিবারের সদস্যরা বেজায় খুশি। তবে চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে অবহেলার অভিযোগ ওঠে।।

এ অবস্থায় চিকিৎসকদের মধ্যে সিনিয়র একজন চিকিৎসক পরামর্শ দিয়েছেন- হৃদস্পন্দন না পাওয়া গেলেই যেন কাউকে মৃত ঘোষণা করা না হয়। বরং ইসিজি পরীক্ষায় যেন কারও মৃত্যুর বিষয়ে সিদ্ধান্তে আসেন চিকিৎসকরা।