ঢাকা ০৩:২৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

ছাত্রী ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে অধ্যক্ষ গ্রেফতার

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

রাজশাহীতে ছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে জহুরুল আলম রিপন (৪০) নামের এক কলেজ অধ্যক্ষকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার বিকালে নগরীর উপকণ্ঠ পবা উপজেলা পরিষদ চত্বর থেকে কাটাখালি থানা পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে।

জহুরুল ইসলাম রিপন নগরীর উপকণ্ঠ কাপাশিয়া এলাকার মহানগর টেকনিক্যাল অ্যান্ড বিজনেস ম্যানেজমেন্ট ইনস্টিটিউটের অধ্যক্ষ। সর্বশেষ গত ৪ ফেব্রুয়ারি নিজ অফিস কক্ষেই এক ছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টা চালান অধ্যক্ষ। এনিয়ে পরদিন রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন এলাকাবাসী।

এরপর বৃহস্পতিবার ওই ছাত্রীসহ আরও দুই ছাত্রী, এক শিক্ষিকা অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বরাবর লিখিত অভিযোগ দেন। এরই মধ্যে নগরীর মতিহার থানায় লিখিত অভিযোগ দেন এক ছাত্রী। এরপর অভিযোগটি নবগঠিত কাটাখালি থানায় চলে যায়।

অধ্যক্ষকে গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কাটাখালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার দায়িত্বে থাকা এসআই রবিউল আলম। তিনি বলেন, বিকালে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ওই সময় তিনি প্রতিষ্ঠানের সভাপতির দায়িত্বে থাকা পবা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার দফতরে যাচ্ছিলেন। সেখানে প্রতিষ্ঠান পরিচালনা কমিটির সভায় অংশ নেয়ার কথা ছিলো তার। ছাত্রী ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এনিয়ে আইনত ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে বলে জানান এসআই রবিউল।

এদিকে অধ্যক্ষ গ্রেফতারের পর কলেজের নির্বাহী কমিটির সভা স্থগিত করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আলমগীর কবির। তিনি বলেন, কমিটির সদস্য সচিব গ্রেফতার হওয়ায় সভা স্থগিত করা হয়েছে। আগামীতে সময় নির্ধারণ করে কমিটির সদস্যদের জানিয়ে দেয়া হবে। সভায় কলেজের বিভিন্ন বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়ার কথা ছিল বলেও জানান সভাপতি।

একের পর এক ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগ সামনে আসায় গত ৫ ফেব্রুয়ারি আত্মগোপনে যান জহুরুল আলম রিপন। ব্যক্তিগত ও পারিবারিক কারণ দেখিয়ে গত ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে পরীক্ষা চলাকালীন ছুটি নেন অধ্যক্ষ। সর্বশেষ গত ৫ মার্চ সকালে কলেজে গিয়ে জোর করে হাজিরা খাতায় সই করে যান রিপন। এনিয়ে ওই দিনই কাটাখালি থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন কলেজের সহকারী অধ্যাপক আসাদুজ্জামান। এরই মধ্যে অনিয়মের অভিযোগ এনে ৩২ জন শিক্ষক-কর্মচারীরা লিখিত অভিযোগ দেন। গত ১১ ফেব্রুয়ারি অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ তদন্তে পাঁচ সদস্যের কমিটি গঠন করেন সভাপতি। গত ২৬ ফেব্রুয়ারি থেকে তদন্ত শুরু করেছে কমিটি। এরই মধ্যে শিক্ষকদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে পরিচালনা কমিটির সভা করতে যাচ্ছিলেন অধ্যক্ষ। সেখান থেকেই গ্রেফতার হন তিনি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

ছাত্রী ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে অধ্যক্ষ গ্রেফতার

আপডেট সময় ১১:৪৮:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ মার্চ ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

রাজশাহীতে ছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে জহুরুল আলম রিপন (৪০) নামের এক কলেজ অধ্যক্ষকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার বিকালে নগরীর উপকণ্ঠ পবা উপজেলা পরিষদ চত্বর থেকে কাটাখালি থানা পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে।

জহুরুল ইসলাম রিপন নগরীর উপকণ্ঠ কাপাশিয়া এলাকার মহানগর টেকনিক্যাল অ্যান্ড বিজনেস ম্যানেজমেন্ট ইনস্টিটিউটের অধ্যক্ষ। সর্বশেষ গত ৪ ফেব্রুয়ারি নিজ অফিস কক্ষেই এক ছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টা চালান অধ্যক্ষ। এনিয়ে পরদিন রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন এলাকাবাসী।

এরপর বৃহস্পতিবার ওই ছাত্রীসহ আরও দুই ছাত্রী, এক শিক্ষিকা অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বরাবর লিখিত অভিযোগ দেন। এরই মধ্যে নগরীর মতিহার থানায় লিখিত অভিযোগ দেন এক ছাত্রী। এরপর অভিযোগটি নবগঠিত কাটাখালি থানায় চলে যায়।

অধ্যক্ষকে গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কাটাখালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার দায়িত্বে থাকা এসআই রবিউল আলম। তিনি বলেন, বিকালে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ওই সময় তিনি প্রতিষ্ঠানের সভাপতির দায়িত্বে থাকা পবা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার দফতরে যাচ্ছিলেন। সেখানে প্রতিষ্ঠান পরিচালনা কমিটির সভায় অংশ নেয়ার কথা ছিলো তার। ছাত্রী ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এনিয়ে আইনত ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে বলে জানান এসআই রবিউল।

এদিকে অধ্যক্ষ গ্রেফতারের পর কলেজের নির্বাহী কমিটির সভা স্থগিত করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আলমগীর কবির। তিনি বলেন, কমিটির সদস্য সচিব গ্রেফতার হওয়ায় সভা স্থগিত করা হয়েছে। আগামীতে সময় নির্ধারণ করে কমিটির সদস্যদের জানিয়ে দেয়া হবে। সভায় কলেজের বিভিন্ন বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়ার কথা ছিল বলেও জানান সভাপতি।

একের পর এক ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগ সামনে আসায় গত ৫ ফেব্রুয়ারি আত্মগোপনে যান জহুরুল আলম রিপন। ব্যক্তিগত ও পারিবারিক কারণ দেখিয়ে গত ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে পরীক্ষা চলাকালীন ছুটি নেন অধ্যক্ষ। সর্বশেষ গত ৫ মার্চ সকালে কলেজে গিয়ে জোর করে হাজিরা খাতায় সই করে যান রিপন। এনিয়ে ওই দিনই কাটাখালি থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন কলেজের সহকারী অধ্যাপক আসাদুজ্জামান। এরই মধ্যে অনিয়মের অভিযোগ এনে ৩২ জন শিক্ষক-কর্মচারীরা লিখিত অভিযোগ দেন। গত ১১ ফেব্রুয়ারি অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ তদন্তে পাঁচ সদস্যের কমিটি গঠন করেন সভাপতি। গত ২৬ ফেব্রুয়ারি থেকে তদন্ত শুরু করেছে কমিটি। এরই মধ্যে শিক্ষকদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে পরিচালনা কমিটির সভা করতে যাচ্ছিলেন অধ্যক্ষ। সেখান থেকেই গ্রেফতার হন তিনি।