ঢাকা ০৮:১২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

দূষিত পানি পান করে নারীর মৃত্যু

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার চন্দ্রা পল্লী বিদ্যুৎ এলাকায় সরবরাহ লাইনের দূষিত পানি পান করে এক নারীর মৃত্যু হয়েছে। এসময় অসুস্থ হয়েছেন আরো অন্তত ১৫ জন। তাদের স্থানীয় ক্লিনিকে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।

মৃত সীমার বাড়ি গাইবান্ধা জেলার পলাশবাড়ি থানার ঘোড়াঘাট গ্রামে। তিনি স্থানীয় একটি পোশাক কারখানায় কাজ করতেন।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, উপজেলার চন্দ্রা পল্লী বিদ্যুৎ এলাকায় স্থানীয় মাসুদ রানার ৭ম তলা ভবনের কয়েকটি ফ্লাটের বাসিন্দারা গত রাতে সরবরাহ লাইনের পানি পান করে অসুস্থ হয়ে পড়েন। রবিবার সকালে অবস্থা গুরুতর হলে স্থানীয়রা তাদের একটি ক্লিনিকে নিয়ে যায়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সীমা নামে এক পোশাকশ্রমিক মারা যান। অপর ১৫ জন বাসিন্দাকে চিকিৎসা দেয়া হয়। এদের মধ্যে তিনজনের অবস্থা গুরুতর। তবে তারা আশঙ্কামুক্ত বলে জানিয়েছে পুলিশ।

কালিয়াকৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম জানান, দূষিত পানি পান করে এক নারী মারা গেছেন। অপর অসুস্থদের অবস্থা শঙ্কামুক্ত। তাদের স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

দূষিত পানি পান করে নারীর মৃত্যু

আপডেট সময় ০২:৪৮:৪৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ মার্চ ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার চন্দ্রা পল্লী বিদ্যুৎ এলাকায় সরবরাহ লাইনের দূষিত পানি পান করে এক নারীর মৃত্যু হয়েছে। এসময় অসুস্থ হয়েছেন আরো অন্তত ১৫ জন। তাদের স্থানীয় ক্লিনিকে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।

মৃত সীমার বাড়ি গাইবান্ধা জেলার পলাশবাড়ি থানার ঘোড়াঘাট গ্রামে। তিনি স্থানীয় একটি পোশাক কারখানায় কাজ করতেন।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, উপজেলার চন্দ্রা পল্লী বিদ্যুৎ এলাকায় স্থানীয় মাসুদ রানার ৭ম তলা ভবনের কয়েকটি ফ্লাটের বাসিন্দারা গত রাতে সরবরাহ লাইনের পানি পান করে অসুস্থ হয়ে পড়েন। রবিবার সকালে অবস্থা গুরুতর হলে স্থানীয়রা তাদের একটি ক্লিনিকে নিয়ে যায়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সীমা নামে এক পোশাকশ্রমিক মারা যান। অপর ১৫ জন বাসিন্দাকে চিকিৎসা দেয়া হয়। এদের মধ্যে তিনজনের অবস্থা গুরুতর। তবে তারা আশঙ্কামুক্ত বলে জানিয়েছে পুলিশ।

কালিয়াকৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম জানান, দূষিত পানি পান করে এক নারী মারা গেছেন। অপর অসুস্থদের অবস্থা শঙ্কামুক্ত। তাদের স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।