ঢাকা ০৪:৪৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জামায়াত-এনসিপির বক্তব্যে দেশপ্রেম নিয়ে আশাবাদী হওয়া যাচ্ছে না:পানিসম্পদ মন্ত্রী জঙ্গল সলিমপুরে পানিতে বিষ মিশিয়ে যৌথবাহিনী সদস্যদের হত্যাচেষ্টা! দেশে ১ কোটি লোকের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা হবে: পরিবেশমন্ত্রী তুরাবদের রক্তের বিনিময়েই দেশ ফ্যাসিবাদ মুক্ত হয়েছে: ডা. শফিকুর রহমান জনগণের স্বার্থের বিপরীতে কিছু করলে দায়ভার সরকারের ওপরই পড়বে: মান্না অস্ত্র প্রস্তুত, তবে ইরানকে ‘কিছুটা সময়’ দিচ্ছেন ট্রাম্প : মার্কিন রাষ্ট্রদূত বিএনপি মো. সাহাবুদ্দিনকে ‘সেফ এক্সিট’ দিতে চায়: আখতার প্রতিমন্ত্রী ইশরাককে ঘিরে উত্তেজনা-ধস্তাধস্তি, বিভ্রান্তি না ছড়ানোর আহ্বান গণতন্ত্র যতবারই হোঁচট খেয়েছে, ততবারই মানুষ বিএনপির ওপর আস্থা রেখেছে: ডা. জাহিদ বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ঢুকে পড়লো কুর্মিটোলা হাসপাতাল প্রাঙ্গণে, নিহত ১

শুরু হলো শোকের মাস আগস্ট

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বছর ঘুরে ফের এসেছে শোকাবহ আগস্ট। পিতা হারানোর কান্নায় অশ্রু হয়ত কোনোকালে শুকিয়ে গেছে, তবে হৃদয়ের রক্তক্ষরণ আজও আছে। সেই ক্ষরণে যে দহন বাঙালির ধমনিতে, তা মিটবে কিসে? বাঙালির আকাশে সেই যে আঁধার নেমেছে, তা আজও ঘোচেনি। স্বাধীনতার সাড়ে চার দশকের বাংলাদেশ, জাতি এগিয়েছে বহুদূর, এগিয়েছে বিশ্ব সভ্যতাও। কিন্তু বাঙালির পূর্ব আকাশের যে সূর্য উদিত হওয়ার প্রাকলগ্নেই অস্ত গেল, তা আজও অমানিশার ঘোরে আটকা। পিতাকে হারিয়ে জাতি আজও হাতড়ে বেড়ায়ে সঙ্কটের প্রতি ক্ষণে।

বাঙালির ইতিহাসে বিদ্রোহের আগুন জ্বলেছে হাজার বছর ধরে। হাজার বছরের বিদ্রোহের আগুনের সন্নিবেশ ঘটিয়ে জন্মেছিলেন টুঙ্গীপাড়ার সেই ছেলেটি। যার জন্মদিবসে ধরণীতে সূর্য ছড়িয়েছিল মুক্তির আভা। যার জন্ম মানেই শোষিতের জয়গান আর শোষকের প্রস্থান।জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। কোনো সীমারেখায় আটকে যে নামের বন্দনা করা যায় না। তিনি জন্মেছিলেন বাঙালির মুক্তির তাগিদেই। তবে শুধু জাতিসত্ত্বার প্রশ্নেই নয়, তিনি এসেছিলেন মানবমুক্তির কেতন উড়িয়ে।বঙ্গবন্ধু মানেই বাঙালি, বাংলাদেশ। বঙ্গবন্ধু মানেই বঞ্চিত মানুষের মুক্তির ঠিকানা। অথচ মানবতার সেই মুক্তির দূতকেই হারতে হয়েছে মানবের কাছে।

১৫ আগস্ট, ১৯৭৫ সাল। রক্তাক্ত ও অভিশপ্ত দিবসের হলিখেলা। যুদ্ধবিধ্বস্ত একটি দেশকে যখন আলোর নিশানা দেখিয়ে এগিয়ে নিচ্ছিলেন বঙ্গবন্ধু, ঠিক তখনই ‘আগস্ট’ নামের অন্ধকার নেমে আসে। আগস্টের ওই রাতে একদল বিপথগামী সেনাকর্মকর্তা হত্যা করে শেখ মুজিব এবং তার পরিবারের সদস্যদের। কেবল তার দুই মেয়ে শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা সে সময় দেশের বাইরে থাকায় বেঁচে যান।ঘাতকের বুলেট নিভিয়ে দিয়েছে ‘স্বাধীনতার সূর্য’ বঙ্গবন্ধু নামের প্রদীপ। এখানে সূর্য ওঠে রোজ রোজ। নতুনের কেতন উড়িয়ে মানুষ স্বপ্ন জয়ের প্রত্যয়ে এগিয়েও চলে নিত্যদিন। তবুও সে স্বপ্নে অপূর্ণতা রয়ে যায়। সে অপূর্ণতা যেন শুধু্ই স্বাধীনতার প্রাণপুরুষ বঙ্গবন্ধুকে হারানোর।

এই আগস্ট সব দিক থেকে বাঙালির জন্য শোকের মাস। শুধু বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারকে হত্যা করেই থেমে থাকেনি কুচক্রি মহল। ভাগ্যক্রমে বেঁচে যাওয়া জাতির জনকের কন্যা ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যার উদ্দেশে ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট চালানো হয় ভয়াবহ গ্রেনেড হামলা।কিন্তু তিনি বেঁচে গেলেও ওই হামলায় প্রাণ হারান সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. জিল্লুর রহমানের সহধর্মিণী ও আওয়ামী লীগের মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা আইভি রহমানসহ ২৪ জন। আহত হন আরো ৫ শতাধিক নেতাকর্মী।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জামায়াত-এনসিপির বক্তব্যে দেশপ্রেম নিয়ে আশাবাদী হওয়া যাচ্ছে না:পানিসম্পদ মন্ত্রী

শুরু হলো শোকের মাস আগস্ট

আপডেট সময় ১২:২২:২০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ অগাস্ট ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বছর ঘুরে ফের এসেছে শোকাবহ আগস্ট। পিতা হারানোর কান্নায় অশ্রু হয়ত কোনোকালে শুকিয়ে গেছে, তবে হৃদয়ের রক্তক্ষরণ আজও আছে। সেই ক্ষরণে যে দহন বাঙালির ধমনিতে, তা মিটবে কিসে? বাঙালির আকাশে সেই যে আঁধার নেমেছে, তা আজও ঘোচেনি। স্বাধীনতার সাড়ে চার দশকের বাংলাদেশ, জাতি এগিয়েছে বহুদূর, এগিয়েছে বিশ্ব সভ্যতাও। কিন্তু বাঙালির পূর্ব আকাশের যে সূর্য উদিত হওয়ার প্রাকলগ্নেই অস্ত গেল, তা আজও অমানিশার ঘোরে আটকা। পিতাকে হারিয়ে জাতি আজও হাতড়ে বেড়ায়ে সঙ্কটের প্রতি ক্ষণে।

বাঙালির ইতিহাসে বিদ্রোহের আগুন জ্বলেছে হাজার বছর ধরে। হাজার বছরের বিদ্রোহের আগুনের সন্নিবেশ ঘটিয়ে জন্মেছিলেন টুঙ্গীপাড়ার সেই ছেলেটি। যার জন্মদিবসে ধরণীতে সূর্য ছড়িয়েছিল মুক্তির আভা। যার জন্ম মানেই শোষিতের জয়গান আর শোষকের প্রস্থান।জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। কোনো সীমারেখায় আটকে যে নামের বন্দনা করা যায় না। তিনি জন্মেছিলেন বাঙালির মুক্তির তাগিদেই। তবে শুধু জাতিসত্ত্বার প্রশ্নেই নয়, তিনি এসেছিলেন মানবমুক্তির কেতন উড়িয়ে।বঙ্গবন্ধু মানেই বাঙালি, বাংলাদেশ। বঙ্গবন্ধু মানেই বঞ্চিত মানুষের মুক্তির ঠিকানা। অথচ মানবতার সেই মুক্তির দূতকেই হারতে হয়েছে মানবের কাছে।

১৫ আগস্ট, ১৯৭৫ সাল। রক্তাক্ত ও অভিশপ্ত দিবসের হলিখেলা। যুদ্ধবিধ্বস্ত একটি দেশকে যখন আলোর নিশানা দেখিয়ে এগিয়ে নিচ্ছিলেন বঙ্গবন্ধু, ঠিক তখনই ‘আগস্ট’ নামের অন্ধকার নেমে আসে। আগস্টের ওই রাতে একদল বিপথগামী সেনাকর্মকর্তা হত্যা করে শেখ মুজিব এবং তার পরিবারের সদস্যদের। কেবল তার দুই মেয়ে শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা সে সময় দেশের বাইরে থাকায় বেঁচে যান।ঘাতকের বুলেট নিভিয়ে দিয়েছে ‘স্বাধীনতার সূর্য’ বঙ্গবন্ধু নামের প্রদীপ। এখানে সূর্য ওঠে রোজ রোজ। নতুনের কেতন উড়িয়ে মানুষ স্বপ্ন জয়ের প্রত্যয়ে এগিয়েও চলে নিত্যদিন। তবুও সে স্বপ্নে অপূর্ণতা রয়ে যায়। সে অপূর্ণতা যেন শুধু্ই স্বাধীনতার প্রাণপুরুষ বঙ্গবন্ধুকে হারানোর।

এই আগস্ট সব দিক থেকে বাঙালির জন্য শোকের মাস। শুধু বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারকে হত্যা করেই থেমে থাকেনি কুচক্রি মহল। ভাগ্যক্রমে বেঁচে যাওয়া জাতির জনকের কন্যা ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যার উদ্দেশে ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট চালানো হয় ভয়াবহ গ্রেনেড হামলা।কিন্তু তিনি বেঁচে গেলেও ওই হামলায় প্রাণ হারান সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. জিল্লুর রহমানের সহধর্মিণী ও আওয়ামী লীগের মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা আইভি রহমানসহ ২৪ জন। আহত হন আরো ৫ শতাধিক নেতাকর্মী।