ঢাকা ১০:৪৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬, ৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

অতিরিক্ত কান্নায় যেসব ক্ষতি হতে পারে শিশুর

আকাশ নিউজ ডেস্ক: 

জন্মের পরে অনেক শিশুকে অস্বাভাবিক কান্না করতে দেখা যায়। জন্মের পরে নবজাতকরা মূলত অসহায় থাকে। তাদের যে কোনো ধরনের সমস্যা তারা কান্নার মাধ্যমে জানান দেয়। তবে অনেক বাবা-মা শিশুর কান্নাকে স্বাভাবিকভাবে নিয়ে থাকেন। কিন্তু এটি মোটেও ঠিক নয়। শিশুর কান্নাকে কখনোই স্বাভাবিকভাবে নেয়া ঠিক নয়।
সাধারণত ক্ষুধা, ডায়াপার ভেজা কিংবা আদরের অভাবে শিশু কান্না করে থাকে বলেই এত দিন সবাই জেনে এসেছেন। কিন্তু সবকিছুকে সব সময় স্বাভাবিক নেয়া ঠিক নয়। তাই শিশু কেন কান্না করে, তা বুঝতে চেষ্টা করুন।

জন্মের প্রথম কয়েক মাস জন্মের প্রথম দুই থেকে তিন মাস শিশু অতিরিক্ত কান্না করলে তা স্বাভাবিক ব্যাপার মনে না করাটাই উত্তম। এ সময় থেকে শিশুর মস্তিষ্কের গঠন ও উৎকর্ষতা শুরু হয়ে যায়।

অতিরিক্ত কান্না :

অতিরিক্ত কান্না শিশুর অঙ্গপ্রত্যঙ্গেও বিরূপ প্রভাব ফেলতে পারে। অতিরিক্ত কান্না শিশুর বৃক্করস গ্রন্থির কর্মক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়। যার ফলে শিশু অতিরিক্ত আক্রমণাত্মক হয়ে উঠতে পারে।

শিশুর শারীরিক গঠন ও মানসিক বিকাশ :

কান্নার কারণ বুঝতে ব্যর্থ হলে কিংবা কান্নাকে অবহেলা করলে তা শিশুর গঠন ও বিকাশের জন্য মারাত্মক ক্ষতি ডেকে আনতে পারে। তাই শিশুর কান্নাকে কখনোই অবহেলা করা উচিত নয়।

শরীরের অঙ্গপ্রত্যঙ্গ :

কান্নাকে অবহেলা করলে তা সেই শিশুর জন্য ভবিষ্যতে মারাত্মক ফল ডেকে আনতে পারে। কেননা, শরীরের অঙ্গপ্রত্যঙ্গের কার্যকারিতার সঙ্গে এর যোগ রয়েছে।

উপস্থিত বুদ্ধি :

অতিরিক্ত কান্না শিশুর জন্য মারাত্মক ক্ষতি করে। কান্নার মাধ্যমে বেড়ে উঠেছে সে বড় হয়ে সমাজের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই ব্যর্থ হয়। উপস্থিত বুদ্ধির ক্ষেত্রেও তা মারাত্মক প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করতে পারে।

বদরাগী :

অতিরিক্ত কান্না শিশুর জন্য ক্ষতিকর। মাত্রারিক্ত কান্নার অভ্যাস শিশুকে বদরাগী হিসেবে গড়ে তোলে।অতিরিক্ত কান্না শিশুর মনে জেদের পরিমাণ বাড়িয়ে দেয়। ফলে বড় হলেও সে বদরাগী স্বভাবের হয়ে উঠতে পারে।

যদিও জন্মের পর শিশু হাসি আর কান্নার মাধ্যমে তাদের মনোভাব প্রকাশ করে থাকে। তাই হাসিকে যেমন গুরুত্ব দেয়া উচিত, তেমনই কান্নাকেও সমান গুরুত্বের চোখেই দেখ উচিত। আর শিশুর কান্না অস্বাভাবিক মনে হলে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

অতিরিক্ত কান্নায় যেসব ক্ষতি হতে পারে শিশুর

আপডেট সময় ০৮:১৩:৩৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ মার্চ ২০১৮

আকাশ নিউজ ডেস্ক: 

জন্মের পরে অনেক শিশুকে অস্বাভাবিক কান্না করতে দেখা যায়। জন্মের পরে নবজাতকরা মূলত অসহায় থাকে। তাদের যে কোনো ধরনের সমস্যা তারা কান্নার মাধ্যমে জানান দেয়। তবে অনেক বাবা-মা শিশুর কান্নাকে স্বাভাবিকভাবে নিয়ে থাকেন। কিন্তু এটি মোটেও ঠিক নয়। শিশুর কান্নাকে কখনোই স্বাভাবিকভাবে নেয়া ঠিক নয়।
সাধারণত ক্ষুধা, ডায়াপার ভেজা কিংবা আদরের অভাবে শিশু কান্না করে থাকে বলেই এত দিন সবাই জেনে এসেছেন। কিন্তু সবকিছুকে সব সময় স্বাভাবিক নেয়া ঠিক নয়। তাই শিশু কেন কান্না করে, তা বুঝতে চেষ্টা করুন।

জন্মের প্রথম কয়েক মাস জন্মের প্রথম দুই থেকে তিন মাস শিশু অতিরিক্ত কান্না করলে তা স্বাভাবিক ব্যাপার মনে না করাটাই উত্তম। এ সময় থেকে শিশুর মস্তিষ্কের গঠন ও উৎকর্ষতা শুরু হয়ে যায়।

অতিরিক্ত কান্না :

অতিরিক্ত কান্না শিশুর অঙ্গপ্রত্যঙ্গেও বিরূপ প্রভাব ফেলতে পারে। অতিরিক্ত কান্না শিশুর বৃক্করস গ্রন্থির কর্মক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়। যার ফলে শিশু অতিরিক্ত আক্রমণাত্মক হয়ে উঠতে পারে।

শিশুর শারীরিক গঠন ও মানসিক বিকাশ :

কান্নার কারণ বুঝতে ব্যর্থ হলে কিংবা কান্নাকে অবহেলা করলে তা শিশুর গঠন ও বিকাশের জন্য মারাত্মক ক্ষতি ডেকে আনতে পারে। তাই শিশুর কান্নাকে কখনোই অবহেলা করা উচিত নয়।

শরীরের অঙ্গপ্রত্যঙ্গ :

কান্নাকে অবহেলা করলে তা সেই শিশুর জন্য ভবিষ্যতে মারাত্মক ফল ডেকে আনতে পারে। কেননা, শরীরের অঙ্গপ্রত্যঙ্গের কার্যকারিতার সঙ্গে এর যোগ রয়েছে।

উপস্থিত বুদ্ধি :

অতিরিক্ত কান্না শিশুর জন্য মারাত্মক ক্ষতি করে। কান্নার মাধ্যমে বেড়ে উঠেছে সে বড় হয়ে সমাজের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই ব্যর্থ হয়। উপস্থিত বুদ্ধির ক্ষেত্রেও তা মারাত্মক প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করতে পারে।

বদরাগী :

অতিরিক্ত কান্না শিশুর জন্য ক্ষতিকর। মাত্রারিক্ত কান্নার অভ্যাস শিশুকে বদরাগী হিসেবে গড়ে তোলে।অতিরিক্ত কান্না শিশুর মনে জেদের পরিমাণ বাড়িয়ে দেয়। ফলে বড় হলেও সে বদরাগী স্বভাবের হয়ে উঠতে পারে।

যদিও জন্মের পর শিশু হাসি আর কান্নার মাধ্যমে তাদের মনোভাব প্রকাশ করে থাকে। তাই হাসিকে যেমন গুরুত্ব দেয়া উচিত, তেমনই কান্নাকেও সমান গুরুত্বের চোখেই দেখ উচিত। আর শিশুর কান্না অস্বাভাবিক মনে হলে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে।