ঢাকা ০৩:০৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নেপালকে হারিয়ে টানা তৃতীয়বার সাফের ফাইনালে বাংলাদেশ ভারতের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক আদালতে মামলা করা উচিত: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী রুমিন ফারহানার বক্তব্যের প্রতিবাদে বিক্ষোভ বরগুনায় ডাকবাংলো থেকে দুই শিশু ও মায়ের মরদেহ উদ্ধার মায়ের প্রতি অবহেলা: শাস্তি পাবেন সেই যুগ্ম সচিব বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারের মাসিক চার্জ প্রত্যাহার মুক্তিযোদ্ধাদের অসম্মান করলে আরেকটি গণঅভ্যুত্থান হবে: প্রতিমন্ত্রী ইশরাক এমপিদের সংসদের কার্যপ্রণালি বিধির জ্ঞান থাকা আবশ্যক : স্পিকার ইরানের সুপ্রিম লিডার মোজতবার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে চান ট্রাম্প ইরান পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করবে না, দাবি ট্রাম্পের

ক্যালসিয়ামের অভাব পূরণ করবে ডিমের খোসা

আকাশ নিউজ ডেস্ক:  

ডিমের সবচেয়ে শক্ত অংশ ডিমের খোসা। যার বেশির ভাগটাই তৈরি ক্যালসিয়াম কার্বোনেট দিয়ে। বাকিটা প্রোটিন ও মিনারেল। ক্যালসিয়াম আমাদের শরীরের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আর এই ক্যালসিয়ামের অভাব পূরণ করতে ডিমের খোসা গুরুত্ব অপরসীম।

গত এক দশক ধরে ক্যালসিয়াম সাপ্লিমেন্ট হিসেবে ডিমের খোলার গুঁড়ো ব্যবহৃত হয়ে আসছে। কারণ ডিমের খোলায় ক্যালসিয়ামের পরিমাণ ৪০ শতাংশ। ফলে মাত্র ১ গ্রাম ডিমের খোসা গুঁড়ো থেকেই পাওয়া যায় ৩৮১-৪০১ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম।

সাধারণত একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের প্রতি দিন যতটা ক্যালসিয়াম প্রয়োজন, প্রায় এক হাজার মিলিগ্রাম, তার অর্ধেক একটি ডিমের খোসা থেকেই পাওয়া যায়।

এমনকী, বাজারচলতি পিউরিউফায়েড ক্যালসিয়াম কার্বোনেটের তুলনায় ডিমের খোসা গুঁড়ো শরীরে শোষণও ভাল হয় বলে জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। এ ছাড়াও ক্যালসিয়ামের পাশাপাশি ডিমের খোসায় স্ট্রোনটিয়াম, ফ্লুওরাইড, ম্যাগনেশিয়াম ও সেলেনিয়ামের মতো মিনারেল থাকে। হাড়ের স্বাস্থ্য ভাল রাখার জন্য ক্যালসিয়ামের পাশাপাশি এই মিনারেলগুলোও অত্যন্ত প্রয়োজনীয়।

মেনোপজের পর মহিলাদের অস্টিওপোরেসিসের সমস্যা দূর করতে চিকিত্সকরা ডিমের খোসা গুঁড়ো খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন। সেই সঙ্গেই ভিটামিন ডি৩ ও ম্যাগনেশিয়াম সাপ্লিমেন্ট শরীরে মিনারেলের ঘনত্ব বাড়িতে অস্টিওপোরেসিসের ঝুঁকি কমায়।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ক্যালসিয়ামের অভাব পূরণ করবে ডিমের খোসা

আপডেট সময় ১০:৩৩:৩২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০১৮

আকাশ নিউজ ডেস্ক:  

ডিমের সবচেয়ে শক্ত অংশ ডিমের খোসা। যার বেশির ভাগটাই তৈরি ক্যালসিয়াম কার্বোনেট দিয়ে। বাকিটা প্রোটিন ও মিনারেল। ক্যালসিয়াম আমাদের শরীরের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আর এই ক্যালসিয়ামের অভাব পূরণ করতে ডিমের খোসা গুরুত্ব অপরসীম।

গত এক দশক ধরে ক্যালসিয়াম সাপ্লিমেন্ট হিসেবে ডিমের খোলার গুঁড়ো ব্যবহৃত হয়ে আসছে। কারণ ডিমের খোলায় ক্যালসিয়ামের পরিমাণ ৪০ শতাংশ। ফলে মাত্র ১ গ্রাম ডিমের খোসা গুঁড়ো থেকেই পাওয়া যায় ৩৮১-৪০১ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম।

সাধারণত একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের প্রতি দিন যতটা ক্যালসিয়াম প্রয়োজন, প্রায় এক হাজার মিলিগ্রাম, তার অর্ধেক একটি ডিমের খোসা থেকেই পাওয়া যায়।

এমনকী, বাজারচলতি পিউরিউফায়েড ক্যালসিয়াম কার্বোনেটের তুলনায় ডিমের খোসা গুঁড়ো শরীরে শোষণও ভাল হয় বলে জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। এ ছাড়াও ক্যালসিয়ামের পাশাপাশি ডিমের খোসায় স্ট্রোনটিয়াম, ফ্লুওরাইড, ম্যাগনেশিয়াম ও সেলেনিয়ামের মতো মিনারেল থাকে। হাড়ের স্বাস্থ্য ভাল রাখার জন্য ক্যালসিয়ামের পাশাপাশি এই মিনারেলগুলোও অত্যন্ত প্রয়োজনীয়।

মেনোপজের পর মহিলাদের অস্টিওপোরেসিসের সমস্যা দূর করতে চিকিত্সকরা ডিমের খোসা গুঁড়ো খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন। সেই সঙ্গেই ভিটামিন ডি৩ ও ম্যাগনেশিয়াম সাপ্লিমেন্ট শরীরে মিনারেলের ঘনত্ব বাড়িতে অস্টিওপোরেসিসের ঝুঁকি কমায়।