ঢাকা ০২:৪১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শিক্ষা ও কারিগরি খাতে বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী সিঙ্গাপুর ব্যক্তিশ্রেণির করদাতাদের জন্য ২০২৬-২০২৭ করবর্ষের ই-রিটার্ন সেবা চালু রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন ও করিডোর নিয়ে চীন-বাংলাদেশের মধ্যে আলোচনা মোদির ক্ষমা প্রার্থনা ও অমিত শাহের পদত্যাগসহ ৫ দাবি রাহুল গান্ধীর বাংলাদেশের এলডিসি উত্তরণের সময় বাড়াতে সিদ্ধান্ত নেবে সাধারণ পরিষদ যুক্তরাষ্ট্র আলোচনায় প্রস্তুত, তবে ইরান আন্তরিক নয়: রুবিও জামায়াত এমপির ঘটনার তদন্ত চান তাসনিম জারা সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি কমাতে শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার আহ্বান বাংলাদেশের ধরা খেয়ে দ্বিতীয় বিয়ের নাটক সাজাবেন, সেটা কেমন চরিত্র আর হেকমত?’ প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে একনেক সভা

শরীরের কোথাও আগুনে পুড়ে গেলে জ্বালাপোড়া কমাতে করনীয়

আকাশ নিউজ ডেস্ক

দৈনন্দিন কাজে বিশেষ করে রান্নার সময় হঠাৎ করে শরীরের বিভিন্ন অংশে তেল ছিটকে বা গরম পাত্রের ছ্যাঁকা লাগতে পারে অথবা আগুনে পুড়ে যেতে পারে। এসময় তাৎক্ষনিক ভাবে ঘরোয়া চিকিৎসার মাধ্যমে জ্বালাপোড়া কিছুটা কমানো সম্ভব।

ঠাণ্ডা পানি: শরীরের কোনো অংশ পুড়ে গেলে সেখানে খুব ভালো করে ঠাণ্ডা পানি ঢালুন। মনে রাখবেন- কখনই বরফ ঘষা যাবে না।

অ্যালোভেরা: পুড়ে যাওয়া স্থানে অ্যালোভেরার জল লাগান। জ্বালাপোড়া কমে যাবে এবং ঠাণ্ডা অনুভব হবে। অ্যালোভেরার রস ক্ষত শুকাতে অসাধারণ কাজ করে।

দই: ক্ষতের জ্বালাপোড়া কমাতে দই বা কাঁচাদুধ বিশেষভাবে কাজ করে।পুড়ে যাওয়া অংশে ৩০-৪০ মিনিট দই দিয়ে রাখুন। এতে জ্বালাপোড়া তো কমবেই, ফোসকা পড়বে না।

মধু: পুড়ে যাওয়ার অংশে মধু লাগাতে পারলে জ্বালাপোড়া অনেক কমে যাবে। সঙ্গে পোড়া দাগও হওয়ার সম্ভাবনা কমে যাবে।

টুথপেস্ট: টুথপেস্ট শুধু দাঁত মাজার ক্ষেত্রেই ব্যবহার হয় না। পুড়ে যাওয়া স্থানে টুথপেস্ট লাগালে উপকার পাবেন শতভাগ।

কলার: খোসা কলার খোসা জ্বালাপোড়া কমাতে খুবই উপকারী। পুড়ে যাওয়া স্থানে কলার খোসা অ্যান্টিসেপটিক হিসেবে কাজ করে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

শিক্ষা ও কারিগরি খাতে বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী সিঙ্গাপুর

শরীরের কোথাও আগুনে পুড়ে গেলে জ্বালাপোড়া কমাতে করনীয়

আপডেট সময় ১০:৫০:৩৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০১৮

আকাশ নিউজ ডেস্ক

দৈনন্দিন কাজে বিশেষ করে রান্নার সময় হঠাৎ করে শরীরের বিভিন্ন অংশে তেল ছিটকে বা গরম পাত্রের ছ্যাঁকা লাগতে পারে অথবা আগুনে পুড়ে যেতে পারে। এসময় তাৎক্ষনিক ভাবে ঘরোয়া চিকিৎসার মাধ্যমে জ্বালাপোড়া কিছুটা কমানো সম্ভব।

ঠাণ্ডা পানি: শরীরের কোনো অংশ পুড়ে গেলে সেখানে খুব ভালো করে ঠাণ্ডা পানি ঢালুন। মনে রাখবেন- কখনই বরফ ঘষা যাবে না।

অ্যালোভেরা: পুড়ে যাওয়া স্থানে অ্যালোভেরার জল লাগান। জ্বালাপোড়া কমে যাবে এবং ঠাণ্ডা অনুভব হবে। অ্যালোভেরার রস ক্ষত শুকাতে অসাধারণ কাজ করে।

দই: ক্ষতের জ্বালাপোড়া কমাতে দই বা কাঁচাদুধ বিশেষভাবে কাজ করে।পুড়ে যাওয়া অংশে ৩০-৪০ মিনিট দই দিয়ে রাখুন। এতে জ্বালাপোড়া তো কমবেই, ফোসকা পড়বে না।

মধু: পুড়ে যাওয়ার অংশে মধু লাগাতে পারলে জ্বালাপোড়া অনেক কমে যাবে। সঙ্গে পোড়া দাগও হওয়ার সম্ভাবনা কমে যাবে।

টুথপেস্ট: টুথপেস্ট শুধু দাঁত মাজার ক্ষেত্রেই ব্যবহার হয় না। পুড়ে যাওয়া স্থানে টুথপেস্ট লাগালে উপকার পাবেন শতভাগ।

কলার: খোসা কলার খোসা জ্বালাপোড়া কমাতে খুবই উপকারী। পুড়ে যাওয়া স্থানে কলার খোসা অ্যান্টিসেপটিক হিসেবে কাজ করে।