ঢাকা ১০:৫১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ১২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সম্প্রীতি বজায় রেখে নেতাদের রাজনীতি করার আহ্বান ডেপুটি স্পিকারের টাকা ছাপিয়ে ঋণ নয়, প্রাইভেট সেক্টরকে রক্ষা করাই নীতি: অর্থমন্ত্রী ২-৩ বছরের মধ্যে শিক্ষার নতুন কারিকুলাম বাস্তবায়ন সম্ভব : গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী হকারদের পুনর্বাসনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ‘ফেলুদা’খ্যাত অভিনেতা বিপ্লব মারা গেছেন আচরণবিধি লঙ্ঘনে শাস্তি পেলেন নাহিদা-শারমিন পৃষ্ঠপোষকতার অর্থনীতি থেকে বেরিয়ে আসতে কাজ করছে সরকার : অর্থমন্ত্রী কুমিল্লায় মহাসড়কের পাশে মিলল কাস্টমস কর্মকর্তার রক্তাক্ত মরদেহ অর্থনীতি মজবুত করতে প্রাণিসম্পদ খাত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ : প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী হাজার চেষ্টা করলেও আ.লীগ হতে পারবেন না: বিএনপিকে জামায়াত আমির

বিয়ের দাবিতে ছাত্রলীগ নেতার বাড়িতে যুবলীগ নেতার স্ত্রী

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

বাংলা ভাষায় একটি কথা আছে ‘পিরিতে মজিলে মন কেবা মুচি কেবা ডোম।’ এই রকমই একটি ঘটনা ঘটেছে কুষ্টিয়ার খোকসায়। বিয়ের দাবিতে ছাত্রলীগ সভাপতি সায়েম হোসেন সুজনের বাড়িতে অবস্থান নিয়েছেন যুবলীগ নেতার স্ত্রী জুয়েনা হোসেন লিমা। তবে সুজনের পরিবারের সদস্যরা আগে থেকে সংবাদ পেয়ে বাড়িতে তালা দিয়ে পালিয়ে গেছেন বলে খবর পাওয়া গেছে। বুধবার সন্ধ্যায় শহরের চুনিয়াপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

জানা যায়, কুষ্টিয়ার খোকসা উপজেলা যুবলীগের সাবেক আহ্বায়ক আবু ওবাইদা সাফির সঙ্গে প্রায় ১২ বছর আগে ঢাকার কেরানীগঞ্জের দেলোয়ার হোসেনের মেয়ে জুয়েনা হোসেন লিমার বিয়ে হয়। তাদের ঘরে লাব্বিব মাহমুদ লিপু (১০) নামে একটি ছেলেসন্তানও আছে।

গত দেড় বছর আগে সাফি জেলে থাকাবস্থায় তার স্ত্রী লিমার সঙ্গে উপজেলা ছাত্রলীগ সভাপতি সায়েম হোসেন সুজনের পরকীয়ার সম্পর্ক হয়। সম্প্রতি তাদের দুজনের অন্তরঙ্গ মুহূর্তের ছবি মোবাইলে ছড়িয়ে পড়ে। নিজ দলের নেতার সঙ্গে পরকীয়ার সম্পর্কটি জানাজানি হলে গত জানুয়ারি মাসে আবু ওবাইদা সাফি তার স্ত্রী লিমাকে তালাক দেন। এর পর লিমা ঢাকার কেরানীগঞ্জে তার বাবার বাড়িতে চলে যান।

সংসার ভাঙার পর সুজনকে বিয়ের জন্য চাপ দিতে থাকে রিমা। কিন্তু সুজন বিয়ে না করে নানা তালবাহানা করেন। গত সপ্তাহে সুজন বিয়ে করতে পারবে না বলে লিমাকে জানিয়ে দেন। কোনো উপায়ন্ত না পেয়ে বুধবার সন্ধ্যায় লিমা চুনিয়াপাড়ায় সুজনের বাড়িতে চলে আসেন। কিন্তু সুজনের পরিবারের সদস্যরা বাড়িতে তালা দিয়ে চলে যান।

পরে তালা ভেঙে ঘরের ভেতর প্রবেশ করেন লিমা। বর্তমানে বাড়িতে লিমা একাই অবস্থান করছেন।

জুয়েনা হোসেন লিমা জানান, সুজনের সঙ্গে দুই বছর ধরে তার সম্পর্ক চলে আসছে। এই সম্পর্কের কারণেই আগের সংসার ভেঙে গেছে। এখন সুজন বিয়ে করতে রাজি হচ্ছে না। তাই বাধ্য হয়েই সুজনের বাড়িতে এই অবস্থায় আসতে হয়েছে।

লিমার সাবেক স্বামী যুবলীগ নেতা আবু ওবাইদা সাফি জানান, দেড় বছর আগে আমি জেলে থাকার সুযোগ নিয়ে সুজন আমার স্ত্রীর সঙ্গে পরকীয়ার সম্পর্ক গড়ে তোলে। কিছু দিন আগে ওদের সম্পর্কের বিষয়টি জানাজানি হলে পরে আমি সুজনের হাত ধরে অনেক অনুরোধ করেছি। ওকে বারবার বলেছি, আমাদের সুখের সংসার ভাঙার দরকার নেই। কিন্তু দুজনই আমার কথা শুনেনি। আমার রাজনৈতিক ক্যারিয়ারে অনেক ক্ষতি হয়েছে। ওরা যা খুশি করুক, আমি আমার ছেলেকে ফেরত চাই।

সায়েম হোসেন সুজনের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

বিয়ের দাবিতে ছাত্রলীগ নেতার বাড়িতে যুবলীগ নেতার স্ত্রী

আপডেট সময় ০৭:৩৯:৩৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

বাংলা ভাষায় একটি কথা আছে ‘পিরিতে মজিলে মন কেবা মুচি কেবা ডোম।’ এই রকমই একটি ঘটনা ঘটেছে কুষ্টিয়ার খোকসায়। বিয়ের দাবিতে ছাত্রলীগ সভাপতি সায়েম হোসেন সুজনের বাড়িতে অবস্থান নিয়েছেন যুবলীগ নেতার স্ত্রী জুয়েনা হোসেন লিমা। তবে সুজনের পরিবারের সদস্যরা আগে থেকে সংবাদ পেয়ে বাড়িতে তালা দিয়ে পালিয়ে গেছেন বলে খবর পাওয়া গেছে। বুধবার সন্ধ্যায় শহরের চুনিয়াপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

জানা যায়, কুষ্টিয়ার খোকসা উপজেলা যুবলীগের সাবেক আহ্বায়ক আবু ওবাইদা সাফির সঙ্গে প্রায় ১২ বছর আগে ঢাকার কেরানীগঞ্জের দেলোয়ার হোসেনের মেয়ে জুয়েনা হোসেন লিমার বিয়ে হয়। তাদের ঘরে লাব্বিব মাহমুদ লিপু (১০) নামে একটি ছেলেসন্তানও আছে।

গত দেড় বছর আগে সাফি জেলে থাকাবস্থায় তার স্ত্রী লিমার সঙ্গে উপজেলা ছাত্রলীগ সভাপতি সায়েম হোসেন সুজনের পরকীয়ার সম্পর্ক হয়। সম্প্রতি তাদের দুজনের অন্তরঙ্গ মুহূর্তের ছবি মোবাইলে ছড়িয়ে পড়ে। নিজ দলের নেতার সঙ্গে পরকীয়ার সম্পর্কটি জানাজানি হলে গত জানুয়ারি মাসে আবু ওবাইদা সাফি তার স্ত্রী লিমাকে তালাক দেন। এর পর লিমা ঢাকার কেরানীগঞ্জে তার বাবার বাড়িতে চলে যান।

সংসার ভাঙার পর সুজনকে বিয়ের জন্য চাপ দিতে থাকে রিমা। কিন্তু সুজন বিয়ে না করে নানা তালবাহানা করেন। গত সপ্তাহে সুজন বিয়ে করতে পারবে না বলে লিমাকে জানিয়ে দেন। কোনো উপায়ন্ত না পেয়ে বুধবার সন্ধ্যায় লিমা চুনিয়াপাড়ায় সুজনের বাড়িতে চলে আসেন। কিন্তু সুজনের পরিবারের সদস্যরা বাড়িতে তালা দিয়ে চলে যান।

পরে তালা ভেঙে ঘরের ভেতর প্রবেশ করেন লিমা। বর্তমানে বাড়িতে লিমা একাই অবস্থান করছেন।

জুয়েনা হোসেন লিমা জানান, সুজনের সঙ্গে দুই বছর ধরে তার সম্পর্ক চলে আসছে। এই সম্পর্কের কারণেই আগের সংসার ভেঙে গেছে। এখন সুজন বিয়ে করতে রাজি হচ্ছে না। তাই বাধ্য হয়েই সুজনের বাড়িতে এই অবস্থায় আসতে হয়েছে।

লিমার সাবেক স্বামী যুবলীগ নেতা আবু ওবাইদা সাফি জানান, দেড় বছর আগে আমি জেলে থাকার সুযোগ নিয়ে সুজন আমার স্ত্রীর সঙ্গে পরকীয়ার সম্পর্ক গড়ে তোলে। কিছু দিন আগে ওদের সম্পর্কের বিষয়টি জানাজানি হলে পরে আমি সুজনের হাত ধরে অনেক অনুরোধ করেছি। ওকে বারবার বলেছি, আমাদের সুখের সংসার ভাঙার দরকার নেই। কিন্তু দুজনই আমার কথা শুনেনি। আমার রাজনৈতিক ক্যারিয়ারে অনেক ক্ষতি হয়েছে। ওরা যা খুশি করুক, আমি আমার ছেলেকে ফেরত চাই।

সায়েম হোসেন সুজনের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।