ঢাকা ১২:০৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬, ১২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সম্প্রীতি বজায় রেখে নেতাদের রাজনীতি করার আহ্বান ডেপুটি স্পিকারের টাকা ছাপিয়ে ঋণ নয়, প্রাইভেট সেক্টরকে রক্ষা করাই নীতি: অর্থমন্ত্রী ২-৩ বছরের মধ্যে শিক্ষার নতুন কারিকুলাম বাস্তবায়ন সম্ভব : গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী হকারদের পুনর্বাসনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ‘ফেলুদা’খ্যাত অভিনেতা বিপ্লব মারা গেছেন আচরণবিধি লঙ্ঘনে শাস্তি পেলেন নাহিদা-শারমিন পৃষ্ঠপোষকতার অর্থনীতি থেকে বেরিয়ে আসতে কাজ করছে সরকার : অর্থমন্ত্রী কুমিল্লায় মহাসড়কের পাশে মিলল কাস্টমস কর্মকর্তার রক্তাক্ত মরদেহ অর্থনীতি মজবুত করতে প্রাণিসম্পদ খাত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ : প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী হাজার চেষ্টা করলেও আ.লীগ হতে পারবেন না: বিএনপিকে জামায়াত আমির

আত্মহত্যা নয়, দিয়াজকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে : সিআইডি

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগ নেতা দিয়াজ ইরফান চৌধুরীকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) চট্টগ্রাম অঞ্চলের সহকারী পুলিশ সুপার হুমায়ুন কবীর। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এই ছাত্রলীগ নেতার দ্বিতীয় ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হওয়ার চিকিৎসকের বরাত দিয়ে রোববার তিনি এই তথ্য জানান।

দিয়াজ হত্যা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা হুমায়ুন বলেন, “ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন এখনো হাতে পাইনি। তবে ময়না তদন্তকারী চিকিৎসক বলেছেন, দিয়াজের মৃত্যু শ্বাসরোধজনিত হত্যাকাণ্ড।” তবে দ্বিতীয় ময়নাতদন্ত কর্মকর্তা ও ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ফরেনসিক বিভাগের প্রধান ডা. সোহেল মাহমুদ প্রতিবেদনের বিষয়ে কিছু বলতে রাজি হননি। তিনি বলেন, “গত বৃহস্পতিবার সিআইডি আমাদের কাছ থেকে প্রতিবেদন নিয়ে গেছে।”

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি দিয়াজ কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সম্পাদক ছিলেন। গত বছরের ২০ নভেম্বরে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ২ নম্বর গেইট এলাকার বাসা থেকে ঝুলন্ত অবস্থায় দিয়াজের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। লাশ উদ্ধারের পর দিয়াজের অনুসারী ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা দাবি করেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের টেন্ডার নিয়ে জটিলতার জেরে দিয়াজকে হত্যা করে লাশ ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে।

এর মধ্যে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রথম ময়নাতদন্তের পর ২৩ নভেম্বর চিকিৎসকরা ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় এই সহ-সম্পাদক ‘আত্মহত্যা করেছেন’ বলে জানান। কিন্তু ওই ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন প্রত্যাখ্যান করে ২৪ নভেম্বর চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ নেতা টিপু ও সহকারী প্রক্টর আনোয়ার হোসেন চৌধুরীসহ ১০ জনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন দিয়াজের মা জাহেদা আমিন চৌধুরী। পরে আদালতের নির্দেশে দ্বিতীয় ময়নাতদন্তের জন্য দিয়াজের মরদেহ কবর থেকে উত্তোলন করা হয়। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আবার ময়নাতদন্তের পর চিকিৎসকরা দিয়াজের দেহে জখম পাওয়ার কথা জানান।

গত ২০ মার্চ ডা. সোহেল মাহমুদের নেতৃত্বে ফরেনসিক বিভাগের একটি টিম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে সাংবাদিকদের বলেছিলেন, একমাসের মধ্যে দিয়াজের দ্বিতীয় ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন দেয়া হবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

আত্মহত্যা নয়, দিয়াজকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে : সিআইডি

আপডেট সময় ০৮:২৩:০৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ জুলাই ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগ নেতা দিয়াজ ইরফান চৌধুরীকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) চট্টগ্রাম অঞ্চলের সহকারী পুলিশ সুপার হুমায়ুন কবীর। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এই ছাত্রলীগ নেতার দ্বিতীয় ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হওয়ার চিকিৎসকের বরাত দিয়ে রোববার তিনি এই তথ্য জানান।

দিয়াজ হত্যা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা হুমায়ুন বলেন, “ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন এখনো হাতে পাইনি। তবে ময়না তদন্তকারী চিকিৎসক বলেছেন, দিয়াজের মৃত্যু শ্বাসরোধজনিত হত্যাকাণ্ড।” তবে দ্বিতীয় ময়নাতদন্ত কর্মকর্তা ও ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ফরেনসিক বিভাগের প্রধান ডা. সোহেল মাহমুদ প্রতিবেদনের বিষয়ে কিছু বলতে রাজি হননি। তিনি বলেন, “গত বৃহস্পতিবার সিআইডি আমাদের কাছ থেকে প্রতিবেদন নিয়ে গেছে।”

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি দিয়াজ কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সম্পাদক ছিলেন। গত বছরের ২০ নভেম্বরে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ২ নম্বর গেইট এলাকার বাসা থেকে ঝুলন্ত অবস্থায় দিয়াজের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। লাশ উদ্ধারের পর দিয়াজের অনুসারী ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা দাবি করেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের টেন্ডার নিয়ে জটিলতার জেরে দিয়াজকে হত্যা করে লাশ ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে।

এর মধ্যে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রথম ময়নাতদন্তের পর ২৩ নভেম্বর চিকিৎসকরা ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় এই সহ-সম্পাদক ‘আত্মহত্যা করেছেন’ বলে জানান। কিন্তু ওই ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন প্রত্যাখ্যান করে ২৪ নভেম্বর চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ নেতা টিপু ও সহকারী প্রক্টর আনোয়ার হোসেন চৌধুরীসহ ১০ জনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন দিয়াজের মা জাহেদা আমিন চৌধুরী। পরে আদালতের নির্দেশে দ্বিতীয় ময়নাতদন্তের জন্য দিয়াজের মরদেহ কবর থেকে উত্তোলন করা হয়। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আবার ময়নাতদন্তের পর চিকিৎসকরা দিয়াজের দেহে জখম পাওয়ার কথা জানান।

গত ২০ মার্চ ডা. সোহেল মাহমুদের নেতৃত্বে ফরেনসিক বিভাগের একটি টিম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে সাংবাদিকদের বলেছিলেন, একমাসের মধ্যে দিয়াজের দ্বিতীয় ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন দেয়া হবে।