ঢাকা ১০:৩০ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী যে ভাষায় কথা বলেন, তা রাজনৈতিক সংস্কৃতি নয়: প্রতিমন্ত্রী পরীক্ষা দিয়ে লাইনে দাঁড়িয়ে ড্রাইভিং লাইসেন্স নিলেন জাইমা রহমান ‘এক দফা’ ঘোষণার নেপথ্য ঘটনা তুলে ধরে বিস্ফোরক পোস্ট আব্দুল কাদেরের হাসিনা দেশে আসলে কী পদক্ষেপ নেওয়া হবে, জানালেন নাহিদ গুমে শাস্তি যাবজ্জীবন, মন্ত্রিসভায় চূড়ান্ত অনুমোদন গুজব প্রতিরোধে এফবিআইয়ের সহযোগিতা চাইলেন আইজিপি ভোটার তালিকা পাওয়ার পর রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তারিখ: ইসি সচিব

পাকিস্তানে ধর্ষণ-হত্যার দায়ে এক আসামিকে ৪ বার মৃত্যুদণ্ড

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

লাহোরের ছয় বছরের শিশু জয়নব আনসারি ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় অভিযুক্ত ইমরান আলিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে পাকিস্তানের একটি আদালত। শনিবার পাকিস্তানের একটি দুর্নীতি দমন আদালত ইমরানকে (২৪) অপহরণ, ধর্ষণ, হত্যা ও সন্ত্রাসবাদের অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত করে সবগুলোতে আলাদাভাবে মৃত্যুদণ্ড দেয়।

এছাড়াও তাকে সমকামিতার অভিযোগে যাবজ্জীবন, অন্য একটি অভিযোগে সাত বছরের কারাদণ্ড এবং ২০ লাখ রুপি জরিমানা করা হয়েছে বলে জানায় পাকিস্তানের দৈনিক ডন।

নিরাপত্তার জন্য লাহোরের কেন্দ্রীয় কারাগারে বিশেষ আদালত বসিয়ে এই রায় দেওয়া হয়। রায় ঘোষণার সময় জয়নবের পিতা হাজী মুহাম্মদ আমিন আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

রায়ের বিরুদ্ধে আপিলের জন্য ইমরানকে ১৫ দিনের সময় দেওয়া হয়েছে বলে জানান রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী জেনারেল এহতেশাম কাদির। ইমরান শুরুতে অভিযোগ অস্বীকার করলেও পরে নিজের অপরাধ স্বীকার করে নেন।

ডন জানায়, গত ১৪ ফেব্রুয়ারি ইমরান আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়। এরপর তার আইনজীবী মামলা থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেন।

গত ৯ জানুয়ারি লাহোরের দক্ষিণের কাসুর শহরের একটি ময়লার ভাগাড় থেকে ছোট্ট জয়নবের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। ৪ জানুয়ারি থেকেই নিখোঁজ ছিল জয়নব। পরে জানা যায়, মক্তবে কোরআন পড়া শেষে বাড়ি ফেরার পথে সে অপহৃত হয়। ওমরাহ পালন করতে ওই সময় তার পিতা-মাতা সৌদি আরবে ছিলেন।

ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনে জয়নবকে ধর্ষণের পর শ্বাসরোধে হত্যার কথা বলা হয়। যে ভাগাড়ে জয়নবের মৃতদেহ পাওয়া যায় সেটা তার বাড়ি থেকে দুই কিলোমিটার দূরে। পুলিশি তদন্তে একটি সিসিটিভি ফুটেজ পাওয়া যায়। সেখানে জয়নবকে এক ব্যক্তির হাত ধরে চলে যেতে দেখা যায়।

জয়নবের মৃতদেহ উদ্ধারের পর পুলিশের ব্যর্থতার বিরুদ্ধে স্থানীয়রা বিক্ষোভ শুরু করে। বিক্ষুব্ধ জনতার সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষে দুই বিক্ষোভকারী গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যায়।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির

পাকিস্তানে ধর্ষণ-হত্যার দায়ে এক আসামিকে ৪ বার মৃত্যুদণ্ড

আপডেট সময় ০৯:৩৬:৫৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০১৮

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

লাহোরের ছয় বছরের শিশু জয়নব আনসারি ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় অভিযুক্ত ইমরান আলিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে পাকিস্তানের একটি আদালত। শনিবার পাকিস্তানের একটি দুর্নীতি দমন আদালত ইমরানকে (২৪) অপহরণ, ধর্ষণ, হত্যা ও সন্ত্রাসবাদের অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত করে সবগুলোতে আলাদাভাবে মৃত্যুদণ্ড দেয়।

এছাড়াও তাকে সমকামিতার অভিযোগে যাবজ্জীবন, অন্য একটি অভিযোগে সাত বছরের কারাদণ্ড এবং ২০ লাখ রুপি জরিমানা করা হয়েছে বলে জানায় পাকিস্তানের দৈনিক ডন।

নিরাপত্তার জন্য লাহোরের কেন্দ্রীয় কারাগারে বিশেষ আদালত বসিয়ে এই রায় দেওয়া হয়। রায় ঘোষণার সময় জয়নবের পিতা হাজী মুহাম্মদ আমিন আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

রায়ের বিরুদ্ধে আপিলের জন্য ইমরানকে ১৫ দিনের সময় দেওয়া হয়েছে বলে জানান রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী জেনারেল এহতেশাম কাদির। ইমরান শুরুতে অভিযোগ অস্বীকার করলেও পরে নিজের অপরাধ স্বীকার করে নেন।

ডন জানায়, গত ১৪ ফেব্রুয়ারি ইমরান আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়। এরপর তার আইনজীবী মামলা থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেন।

গত ৯ জানুয়ারি লাহোরের দক্ষিণের কাসুর শহরের একটি ময়লার ভাগাড় থেকে ছোট্ট জয়নবের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। ৪ জানুয়ারি থেকেই নিখোঁজ ছিল জয়নব। পরে জানা যায়, মক্তবে কোরআন পড়া শেষে বাড়ি ফেরার পথে সে অপহৃত হয়। ওমরাহ পালন করতে ওই সময় তার পিতা-মাতা সৌদি আরবে ছিলেন।

ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনে জয়নবকে ধর্ষণের পর শ্বাসরোধে হত্যার কথা বলা হয়। যে ভাগাড়ে জয়নবের মৃতদেহ পাওয়া যায় সেটা তার বাড়ি থেকে দুই কিলোমিটার দূরে। পুলিশি তদন্তে একটি সিসিটিভি ফুটেজ পাওয়া যায়। সেখানে জয়নবকে এক ব্যক্তির হাত ধরে চলে যেতে দেখা যায়।

জয়নবের মৃতদেহ উদ্ধারের পর পুলিশের ব্যর্থতার বিরুদ্ধে স্থানীয়রা বিক্ষোভ শুরু করে। বিক্ষুব্ধ জনতার সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষে দুই বিক্ষোভকারী গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যায়।