ঢাকা ০৪:১৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ ও মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে ক্রীড়ার বিকল্প নেই: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী যেকোনো দুর্যোগে দল-মতের ঊর্ধ্বে উঠে কাজ করতে হবে: জুবাইদা রহমান নেতাকর্মীকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান রিজভীর ভাইরাল ভিডিওর নারীকে ‘দ্বিতীয় স্ত্রী’ দাবি জামায়াত এমপির প্রবাসী কার্ডধারীদের ভূমি সেবা সহজ করতে ভূমিমন্ত্রীর নির্দেশ মানবতাবিরোধী অপরাধে মোজাফফরকে ট্রাইব্যুনালে হাজিরের নির্দেশ নারায়ণগঞ্জে আর্জেন্টিনা-ব্রাজিল সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ, আহত ৮ রাজধানীতে স্ত্রী হত্যায় স্বামীর মৃত্যুদণ্ড সাইবার বুলিং শক্ত হাতে দমনে সরকার বদ্ধপরিকর: তথ্য উপদেষ্টা মুন্সীগঞ্জে চাচাতো ভাইকে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে হত্যাচেষ্টা, অভিযুক্ত গ্রেফতার

৫৭০ মিলিয়ন ডলার সহায়তা দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাত এবং সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত প্রকল্পের মান উন্নয়নে ৫৭০ মিলিয়ন ডলার দিচ্ছে উন্নয়ন সহযোগী বিশ্বব্যাংক। বাংলাদেশি মুদ্রায় এই অর্থের পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ৪ হাজার ৬০০ কোটি টাকা। শনিবার বিশ্ব ব্যাংকের ঢাকা কার্যালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, শুক্রবার ওয়াশিংটনে অনুষ্ঠিত সংস্থাটির বোর্ড সভায় এই অর্থ সহায়তার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

বিশ্বব্যাংক জানায়, স্বাস্থ্য, পুষ্টি ও জনসংখ্যার মান উন্নয়ন এবং স্বচ্ছতা আনতে সরকারি কেনাকাটার মান উন্নয়নে বাংলাদেশ সরকারের নেওয়া পৃথক দুটি প্রকল্পে এ অর্থ সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। এর মধ্যে স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়ন প্রকল্পে দেওয়া হবে ৫১৫ মিলিয়ন ডলার। এই প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে দেশের স্বাস্থ্য খাতকে শক্তিশালী করবে বিশেষ করে সিলেট ও চট্টগ্রাম বিভাগে স্বাস্থ্য সেবা প্রদানের পরিধি ও গুণগত মান আরো উন্নত করবে। প্রকল্পটি বাস্তবায়নের মাধ্যমে সিলেট ও চট্টগ্রাম বিভাগে প্রায় ১ লাখ ৪৬ হাজার মা’কে স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করা হবে। পাশাপাশি প্রায় ৫০ লাখ শিশুকে টিকা দেওয়া হবে।

অপরদিকে ‘ডিজিটাইজিং ইমপ্লিমেন্টেশন মনিটরিং অ্যান্ড পাবলিক প্রকিউরমেন্ট’ প্রকল্পে বাকি ৫৫ মিলিয়ন ডলার অর্থ সহায়তা দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক।প্রতিবছর সরকারি কেনাকাটায় প্রায় ৭ বিলিয়ন ডলার ব্যয় করে বাংলাদেশ সরকার। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে এসব কেনাকাটায় আরও স্বচ্ছতা চলে আসবে। এছাড়া কেনাকাটার প্রায় ৮০ শতাংশ দরপত্র ই-জিপির আওতায় আসবে।

বিশ্বব্যাংকের বাংলাদেশ কান্ট্রি ডিরেক্টর চিমিয়াও ফ্যান বলেন, ‘স্বাস্থ্য খাত এবং সরকারি কেনাকাটার মান উন্নয়ন প্রকল্প দুটি বাস্তবায়নে বিশ্বব্যাংক ও বাংলাদেশ সরকার এক সঙ্গে কাজ করবে। স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়ন এবং সরকারি কেনাকাটায় স্বচ্ছতা ও গতিশীলতা আনতে প্রকল্প দুটি সহায়তা করবে। এটি বাংলাদেশকে মধ্যম আয়ের দেশ হিসেবে গঠনে অনেক বেশি কাজে দেবে।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ ও মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে ক্রীড়ার বিকল্প নেই: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

৫৭০ মিলিয়ন ডলার সহায়তা দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক

আপডেট সময় ১২:১৯:৫০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩০ জুলাই ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাত এবং সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত প্রকল্পের মান উন্নয়নে ৫৭০ মিলিয়ন ডলার দিচ্ছে উন্নয়ন সহযোগী বিশ্বব্যাংক। বাংলাদেশি মুদ্রায় এই অর্থের পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ৪ হাজার ৬০০ কোটি টাকা। শনিবার বিশ্ব ব্যাংকের ঢাকা কার্যালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, শুক্রবার ওয়াশিংটনে অনুষ্ঠিত সংস্থাটির বোর্ড সভায় এই অর্থ সহায়তার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

বিশ্বব্যাংক জানায়, স্বাস্থ্য, পুষ্টি ও জনসংখ্যার মান উন্নয়ন এবং স্বচ্ছতা আনতে সরকারি কেনাকাটার মান উন্নয়নে বাংলাদেশ সরকারের নেওয়া পৃথক দুটি প্রকল্পে এ অর্থ সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। এর মধ্যে স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়ন প্রকল্পে দেওয়া হবে ৫১৫ মিলিয়ন ডলার। এই প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে দেশের স্বাস্থ্য খাতকে শক্তিশালী করবে বিশেষ করে সিলেট ও চট্টগ্রাম বিভাগে স্বাস্থ্য সেবা প্রদানের পরিধি ও গুণগত মান আরো উন্নত করবে। প্রকল্পটি বাস্তবায়নের মাধ্যমে সিলেট ও চট্টগ্রাম বিভাগে প্রায় ১ লাখ ৪৬ হাজার মা’কে স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করা হবে। পাশাপাশি প্রায় ৫০ লাখ শিশুকে টিকা দেওয়া হবে।

অপরদিকে ‘ডিজিটাইজিং ইমপ্লিমেন্টেশন মনিটরিং অ্যান্ড পাবলিক প্রকিউরমেন্ট’ প্রকল্পে বাকি ৫৫ মিলিয়ন ডলার অর্থ সহায়তা দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক।প্রতিবছর সরকারি কেনাকাটায় প্রায় ৭ বিলিয়ন ডলার ব্যয় করে বাংলাদেশ সরকার। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে এসব কেনাকাটায় আরও স্বচ্ছতা চলে আসবে। এছাড়া কেনাকাটার প্রায় ৮০ শতাংশ দরপত্র ই-জিপির আওতায় আসবে।

বিশ্বব্যাংকের বাংলাদেশ কান্ট্রি ডিরেক্টর চিমিয়াও ফ্যান বলেন, ‘স্বাস্থ্য খাত এবং সরকারি কেনাকাটার মান উন্নয়ন প্রকল্প দুটি বাস্তবায়নে বিশ্বব্যাংক ও বাংলাদেশ সরকার এক সঙ্গে কাজ করবে। স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়ন এবং সরকারি কেনাকাটায় স্বচ্ছতা ও গতিশীলতা আনতে প্রকল্প দুটি সহায়তা করবে। এটি বাংলাদেশকে মধ্যম আয়ের দেশ হিসেবে গঠনে অনেক বেশি কাজে দেবে।’