ঢাকা ০৭:৩৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬, ২৯ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ট্রাম্পের হুঁশিয়ারির পাল্টা জবাব দিলেন কিউবার প্রেসিডেন্ট বনশ্রীতে স্কুলছাত্রী খুন,পুলিশের সন্দেহের তালিকায় পলাতক রেস্তোরাঁ কর্মী স্বৈরাচারের লোকেরা নির্বাচন ভণ্ডুলের চেষ্টা করবে: ড. মুহাম্মদ ইউনূস গাজীপুরে নবজাতকের লাশ নিয়ে কুকুরের টানাহ্যাঁচড়া, উদ্ধার করল পুলিশ ধর্মকে পুঁজি করে মানুষকে বিভ্রান্ত করা হচ্ছে, ধোঁকা দেওয়া হচ্ছে : খায়রুল কবির খোকন দলে বড় নাম থাকলেও জেতার জন্য সবাইকে আরও দায়িত্ব নিতে হবে: সোহান ২৫ জন বাংলাদেশিকে ক্ষমা করল আমিরাত দেশের ভবিষ্যত গড়ার জন্য গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয় নিশ্চিত করতে হবে : চরমোনাই পীর ব্যালটবাক্স ভরে কোনো নির্দিষ্ট প্রতীকের জয়ের সুযোগ নেই: রুমিন ফারহানা এইচএসসি পাসে নিউরো মেডিসিন বিশেষজ্ঞ , রোগী দেখেন দুই জেলায়

৫৭০ মিলিয়ন ডলার সহায়তা দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাত এবং সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত প্রকল্পের মান উন্নয়নে ৫৭০ মিলিয়ন ডলার দিচ্ছে উন্নয়ন সহযোগী বিশ্বব্যাংক। বাংলাদেশি মুদ্রায় এই অর্থের পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ৪ হাজার ৬০০ কোটি টাকা। শনিবার বিশ্ব ব্যাংকের ঢাকা কার্যালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, শুক্রবার ওয়াশিংটনে অনুষ্ঠিত সংস্থাটির বোর্ড সভায় এই অর্থ সহায়তার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

বিশ্বব্যাংক জানায়, স্বাস্থ্য, পুষ্টি ও জনসংখ্যার মান উন্নয়ন এবং স্বচ্ছতা আনতে সরকারি কেনাকাটার মান উন্নয়নে বাংলাদেশ সরকারের নেওয়া পৃথক দুটি প্রকল্পে এ অর্থ সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। এর মধ্যে স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়ন প্রকল্পে দেওয়া হবে ৫১৫ মিলিয়ন ডলার। এই প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে দেশের স্বাস্থ্য খাতকে শক্তিশালী করবে বিশেষ করে সিলেট ও চট্টগ্রাম বিভাগে স্বাস্থ্য সেবা প্রদানের পরিধি ও গুণগত মান আরো উন্নত করবে। প্রকল্পটি বাস্তবায়নের মাধ্যমে সিলেট ও চট্টগ্রাম বিভাগে প্রায় ১ লাখ ৪৬ হাজার মা’কে স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করা হবে। পাশাপাশি প্রায় ৫০ লাখ শিশুকে টিকা দেওয়া হবে।

অপরদিকে ‘ডিজিটাইজিং ইমপ্লিমেন্টেশন মনিটরিং অ্যান্ড পাবলিক প্রকিউরমেন্ট’ প্রকল্পে বাকি ৫৫ মিলিয়ন ডলার অর্থ সহায়তা দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক।প্রতিবছর সরকারি কেনাকাটায় প্রায় ৭ বিলিয়ন ডলার ব্যয় করে বাংলাদেশ সরকার। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে এসব কেনাকাটায় আরও স্বচ্ছতা চলে আসবে। এছাড়া কেনাকাটার প্রায় ৮০ শতাংশ দরপত্র ই-জিপির আওতায় আসবে।

বিশ্বব্যাংকের বাংলাদেশ কান্ট্রি ডিরেক্টর চিমিয়াও ফ্যান বলেন, ‘স্বাস্থ্য খাত এবং সরকারি কেনাকাটার মান উন্নয়ন প্রকল্প দুটি বাস্তবায়নে বিশ্বব্যাংক ও বাংলাদেশ সরকার এক সঙ্গে কাজ করবে। স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়ন এবং সরকারি কেনাকাটায় স্বচ্ছতা ও গতিশীলতা আনতে প্রকল্প দুটি সহায়তা করবে। এটি বাংলাদেশকে মধ্যম আয়ের দেশ হিসেবে গঠনে অনেক বেশি কাজে দেবে।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ট্রাম্পের হুঁশিয়ারির পাল্টা জবাব দিলেন কিউবার প্রেসিডেন্ট

৫৭০ মিলিয়ন ডলার সহায়তা দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক

আপডেট সময় ১২:১৯:৫০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩০ জুলাই ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাত এবং সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত প্রকল্পের মান উন্নয়নে ৫৭০ মিলিয়ন ডলার দিচ্ছে উন্নয়ন সহযোগী বিশ্বব্যাংক। বাংলাদেশি মুদ্রায় এই অর্থের পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ৪ হাজার ৬০০ কোটি টাকা। শনিবার বিশ্ব ব্যাংকের ঢাকা কার্যালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, শুক্রবার ওয়াশিংটনে অনুষ্ঠিত সংস্থাটির বোর্ড সভায় এই অর্থ সহায়তার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

বিশ্বব্যাংক জানায়, স্বাস্থ্য, পুষ্টি ও জনসংখ্যার মান উন্নয়ন এবং স্বচ্ছতা আনতে সরকারি কেনাকাটার মান উন্নয়নে বাংলাদেশ সরকারের নেওয়া পৃথক দুটি প্রকল্পে এ অর্থ সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। এর মধ্যে স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়ন প্রকল্পে দেওয়া হবে ৫১৫ মিলিয়ন ডলার। এই প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে দেশের স্বাস্থ্য খাতকে শক্তিশালী করবে বিশেষ করে সিলেট ও চট্টগ্রাম বিভাগে স্বাস্থ্য সেবা প্রদানের পরিধি ও গুণগত মান আরো উন্নত করবে। প্রকল্পটি বাস্তবায়নের মাধ্যমে সিলেট ও চট্টগ্রাম বিভাগে প্রায় ১ লাখ ৪৬ হাজার মা’কে স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করা হবে। পাশাপাশি প্রায় ৫০ লাখ শিশুকে টিকা দেওয়া হবে।

অপরদিকে ‘ডিজিটাইজিং ইমপ্লিমেন্টেশন মনিটরিং অ্যান্ড পাবলিক প্রকিউরমেন্ট’ প্রকল্পে বাকি ৫৫ মিলিয়ন ডলার অর্থ সহায়তা দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক।প্রতিবছর সরকারি কেনাকাটায় প্রায় ৭ বিলিয়ন ডলার ব্যয় করে বাংলাদেশ সরকার। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে এসব কেনাকাটায় আরও স্বচ্ছতা চলে আসবে। এছাড়া কেনাকাটার প্রায় ৮০ শতাংশ দরপত্র ই-জিপির আওতায় আসবে।

বিশ্বব্যাংকের বাংলাদেশ কান্ট্রি ডিরেক্টর চিমিয়াও ফ্যান বলেন, ‘স্বাস্থ্য খাত এবং সরকারি কেনাকাটার মান উন্নয়ন প্রকল্প দুটি বাস্তবায়নে বিশ্বব্যাংক ও বাংলাদেশ সরকার এক সঙ্গে কাজ করবে। স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়ন এবং সরকারি কেনাকাটায় স্বচ্ছতা ও গতিশীলতা আনতে প্রকল্প দুটি সহায়তা করবে। এটি বাংলাদেশকে মধ্যম আয়ের দেশ হিসেবে গঠনে অনেক বেশি কাজে দেবে।’