ঢাকা ০৪:৪৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬, ৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
আত্মসমর্পণ করলেন জাহের আলভী আ.লীগকে রাজনীতিতে ফিরতে দেওয়া হবে না: মীর শাহে আলম যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তি পাকিস্তানিদের জন্য গর্বের: আতাউল্লাহ তারার সামরিক জীবনে ধর্মীয় অনুশাসন মেনে চলার আহ্বান সেনাপ্রধানের জুবাইদা রহমান রাষ্ট্র গঠনে প্রধানমন্ত্রীর ছায়াসঙ্গী হিসেবে কাজ করছেন : মঈন খান বাবা ‘মুক্তিযুদ্ধে শহীদ’ বলা জামায়াতের সেই এমপির বাবা এখনো বেঁচে আছেন সিলিন্ডার বিস্ফোরণে প্রাণ গেল যুবকের লৌহজংয়ে ভাঙারি ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ কাঁঠাল দিয়ে সিঙ্গারা-সমুচা-কাবাব, ফল হবে দেশের শক্তিশালী রপ্তানি পণ্য: কৃষিমন্ত্রী যুদ্ধ বন্ধে সমঝোতা স্মারকে সই করলেন ট্রাম্প ও পেজেশকিয়ান

সরকার খালেদাকে নেলসন মেন্ডেলা বানিয়েছে,এজন্য ধন্যবাদ: মির্জা আব্বাস

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

দুর্নীতির মামলায় কারাগারে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। দলীয় প্রধানের মুক্তি চেয়ে প্রতিদিনই কর্মসূচি পালন করছে বিএনপি নেতাকর্মীরা। অভিযোগ করা হচ্ছে, সরকার রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে মিথ্যা ও সাজানো মামলায় বিএনপি প্রধানকে কারাগারে রেখেছে। এমন বক্তব্যের মধ্যেই খালেদা জিয়ার ‍মুক্তি চেয়ে আয়োজিত কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়ে বক্তব্য দিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস। যদিও ধন্যবাদের কারণটা ভিন্ন।

আব্বাসের দাবি, ‘আমরা বেগম খালেদা জিয়াকে দেশনেত্রী বানিয়েছিলাম। আপনারা (সরকার) তাকে নেলসন মেন্ডেলা বানিয়ে দিয়েছেন। এজন্য আপনাদেরকে ধন্যবাদ।’ মঙ্গলবার বেলা ১২টার দিকে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে দেশব্যাপী অবস্থান কর্মসূচির অংশ হিসেবে নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এই ধন্যবাদ জানান।

বেলা ১১টা থেকে ১২টা পর্যন্ত দলীয় কার্যালয়ে অবস্থান নিয়ে নেতা-কর্মীরা খালেদা জিয়ার মুক্তি দাবিতে বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দেন। তাদের শ্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে পুরো এলাকা। বিএনপি নেতাকর্মীদের সঙ্গে ২০ দলীয় জোটের শীর্ষ নেতারাও ছিলেন। বেলা ১১টা ১০ মিনিটে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মধ্য দিয়ে অবস্থান কর্মসূচি শুরু হয়।

কর্মসূচিতে অংশ নেয়া নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্য মির্জা আব্বাস বলেন, ‘অবস্থান কর্মসূচির জায়গা পরিবর্তনে আপনাদের কষ্ট হয়েছে। এ জন্য আমরা দায়ী নয়। সরকার দায়ী।’ তিনি বলেন, ‘খালেদা জিয়া বন্দী মানে গণতন্ত্র বন্দী। আমরা আন্দোলনের মাধ্যমে স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব রক্ষা করবো।’

বিএনপিতে ভাঙন ধরানোর ক্ষমতা বাংলাদেশের কারো নেই উল্লেখ করে দলের এই নীতি নির্ধারক বলেন, অনেকে ভেবেছেন কিছু একটা হয়ে যাবে। ইনশাআল্লাহ কিছুই হবে না। সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়ে আব্বান বলেন, ‘আমরা খালেদা জিয়াকে দেশনেত্রী বানিয়েছিলাম। আপনারা তাকে নেলসন মেন্ডেলা বানিয়ে দিয়েছেন। এজন্য আপনাদেরকে ধন্যবাদ।’

স্থায়ী কমিটির আরেক সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, গণতন্ত্রের অতন্দ্র প্রহরী খালেদা জিয়াকে মিথ্যা বানোয়াট মামলায় অন্যায়ভাবে সাজা দিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। সরকার খালেদাকে মিথ্যা বানোয়াটভাবে সাজা দিয়েছে, তারপর কারাগারে অন্যায়ভাবে প্রথম শ্রেণির ডিভিশন থেকে বঞ্চিত করেছে।

কারাগারে যাওয়ায় খালেদা জিয়া আরও শক্তিশালী হয়েছেন দাবি করে খন্দকার মোশাররফ বলেন, তিনি (খালেদা জিয়া) জাতীয় নেতা থেকে আন্তর্জাতিক নেতা হয়েছেন। গতকাল জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে জনসমুদ্র দেখে ভয় পেয়ে সরকার আজ আমাদের পূর্ব নির্ধারিত স্থানে কর্মসূচি করতে দেয়নি। খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে জাতীয়তাবাদী শক্তি নির্বাচনে যাবে। আওয়ামী লীগের কবর রচনা হবে।

আরেক স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ বলেন, নয়াপল্টন দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে অল্প সময়ে হাজার হাজার জনতার উপস্থিতি প্রমাণ করে খালেদা জিয়া দ্রুত ফিরে আসবেন। মিথ্যা বানোয়াট মামলায় আপনারা (সরকার) তাকে জেলে পাঠিয়েছেন। নির্জন কারাগারে পাঠিয়ে প্রমাণ করলেন তারা আইনের শাসনে বিশ্বাস করে না।

একই অনুষ্ঠানে স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেন, বিচারের নামে প্রহসন করে সরকারের ইচ্ছা পূরণ করা হয়েছে। আমরা সুবিচার পাইনি। আমরা আইনের শাসনে বিশ্বাসী। তাই আইনিভাবে মোকাবেলা করছি। তারেক রহমানের নির্দেশে শান্তিপূর্ণ আন্দোলন করছি। এই আন্দোলনেও পুলিশ বাধা দিচ্ছে। গ্রেপ্তার করা হচ্ছে দলের নেতাকর্মীদের।

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সভাপতিত্বে অবস্থান কর্মসূচিতে আরও উপস্থিত ছিলেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান, ভাইস চেয়ারম্যান খন্দকার মাহবুব হোসেন, এ জেড এম জাহিদ হোসেন, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আবদুস সালাম, জয়নাল আবদীন ফারুক, হাবিবুর রহমান হাবিব, আবুল খায়ের ভূইয়া, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী, সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক মিলন, রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, গণশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক অধ্যক্ষ সেলিম ভূইয়া, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুস সালাম আজাদ, শহীদুল ইসলাম বাবুল, তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সহ-সম্পাদক কাদের গণি চৌধুরী, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কাজী আবুল বাশার, যুবদলের সভাপতি সাইফুল আলম নিরব, সাধারণ সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দীন টুকু, সাংগঠনিক সম্পাদক মামুন হাসান প্রমুখ ছিলেন।

২০ দলীয় জোট নেতাদের মধ্যে এলডিপির শাহাদত হোসেন সেলিম, ন্যাপের গোলাম মোস্তফা ভূইয়া, এনপিপির মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তফা, জাগপার খন্দকার লুৎফর রহমান, এনডিপির মঞ্জুর হোসেন ঈশা, লেবার পার্টির মোস্তাফিজুর রহমান, পিজিপির আব্দুল মতিন সাউদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আত্মসমর্পণ করলেন জাহের আলভী

সরকার খালেদাকে নেলসন মেন্ডেলা বানিয়েছে,এজন্য ধন্যবাদ: মির্জা আব্বাস

আপডেট সময় ০৪:৫০:৪৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

দুর্নীতির মামলায় কারাগারে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। দলীয় প্রধানের মুক্তি চেয়ে প্রতিদিনই কর্মসূচি পালন করছে বিএনপি নেতাকর্মীরা। অভিযোগ করা হচ্ছে, সরকার রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে মিথ্যা ও সাজানো মামলায় বিএনপি প্রধানকে কারাগারে রেখেছে। এমন বক্তব্যের মধ্যেই খালেদা জিয়ার ‍মুক্তি চেয়ে আয়োজিত কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়ে বক্তব্য দিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস। যদিও ধন্যবাদের কারণটা ভিন্ন।

আব্বাসের দাবি, ‘আমরা বেগম খালেদা জিয়াকে দেশনেত্রী বানিয়েছিলাম। আপনারা (সরকার) তাকে নেলসন মেন্ডেলা বানিয়ে দিয়েছেন। এজন্য আপনাদেরকে ধন্যবাদ।’ মঙ্গলবার বেলা ১২টার দিকে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে দেশব্যাপী অবস্থান কর্মসূচির অংশ হিসেবে নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এই ধন্যবাদ জানান।

বেলা ১১টা থেকে ১২টা পর্যন্ত দলীয় কার্যালয়ে অবস্থান নিয়ে নেতা-কর্মীরা খালেদা জিয়ার মুক্তি দাবিতে বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দেন। তাদের শ্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে পুরো এলাকা। বিএনপি নেতাকর্মীদের সঙ্গে ২০ দলীয় জোটের শীর্ষ নেতারাও ছিলেন। বেলা ১১টা ১০ মিনিটে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মধ্য দিয়ে অবস্থান কর্মসূচি শুরু হয়।

কর্মসূচিতে অংশ নেয়া নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্য মির্জা আব্বাস বলেন, ‘অবস্থান কর্মসূচির জায়গা পরিবর্তনে আপনাদের কষ্ট হয়েছে। এ জন্য আমরা দায়ী নয়। সরকার দায়ী।’ তিনি বলেন, ‘খালেদা জিয়া বন্দী মানে গণতন্ত্র বন্দী। আমরা আন্দোলনের মাধ্যমে স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব রক্ষা করবো।’

বিএনপিতে ভাঙন ধরানোর ক্ষমতা বাংলাদেশের কারো নেই উল্লেখ করে দলের এই নীতি নির্ধারক বলেন, অনেকে ভেবেছেন কিছু একটা হয়ে যাবে। ইনশাআল্লাহ কিছুই হবে না। সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়ে আব্বান বলেন, ‘আমরা খালেদা জিয়াকে দেশনেত্রী বানিয়েছিলাম। আপনারা তাকে নেলসন মেন্ডেলা বানিয়ে দিয়েছেন। এজন্য আপনাদেরকে ধন্যবাদ।’

স্থায়ী কমিটির আরেক সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, গণতন্ত্রের অতন্দ্র প্রহরী খালেদা জিয়াকে মিথ্যা বানোয়াট মামলায় অন্যায়ভাবে সাজা দিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। সরকার খালেদাকে মিথ্যা বানোয়াটভাবে সাজা দিয়েছে, তারপর কারাগারে অন্যায়ভাবে প্রথম শ্রেণির ডিভিশন থেকে বঞ্চিত করেছে।

কারাগারে যাওয়ায় খালেদা জিয়া আরও শক্তিশালী হয়েছেন দাবি করে খন্দকার মোশাররফ বলেন, তিনি (খালেদা জিয়া) জাতীয় নেতা থেকে আন্তর্জাতিক নেতা হয়েছেন। গতকাল জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে জনসমুদ্র দেখে ভয় পেয়ে সরকার আজ আমাদের পূর্ব নির্ধারিত স্থানে কর্মসূচি করতে দেয়নি। খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে জাতীয়তাবাদী শক্তি নির্বাচনে যাবে। আওয়ামী লীগের কবর রচনা হবে।

আরেক স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ বলেন, নয়াপল্টন দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে অল্প সময়ে হাজার হাজার জনতার উপস্থিতি প্রমাণ করে খালেদা জিয়া দ্রুত ফিরে আসবেন। মিথ্যা বানোয়াট মামলায় আপনারা (সরকার) তাকে জেলে পাঠিয়েছেন। নির্জন কারাগারে পাঠিয়ে প্রমাণ করলেন তারা আইনের শাসনে বিশ্বাস করে না।

একই অনুষ্ঠানে স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেন, বিচারের নামে প্রহসন করে সরকারের ইচ্ছা পূরণ করা হয়েছে। আমরা সুবিচার পাইনি। আমরা আইনের শাসনে বিশ্বাসী। তাই আইনিভাবে মোকাবেলা করছি। তারেক রহমানের নির্দেশে শান্তিপূর্ণ আন্দোলন করছি। এই আন্দোলনেও পুলিশ বাধা দিচ্ছে। গ্রেপ্তার করা হচ্ছে দলের নেতাকর্মীদের।

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সভাপতিত্বে অবস্থান কর্মসূচিতে আরও উপস্থিত ছিলেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান, ভাইস চেয়ারম্যান খন্দকার মাহবুব হোসেন, এ জেড এম জাহিদ হোসেন, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আবদুস সালাম, জয়নাল আবদীন ফারুক, হাবিবুর রহমান হাবিব, আবুল খায়ের ভূইয়া, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী, সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক মিলন, রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, গণশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক অধ্যক্ষ সেলিম ভূইয়া, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুস সালাম আজাদ, শহীদুল ইসলাম বাবুল, তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সহ-সম্পাদক কাদের গণি চৌধুরী, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কাজী আবুল বাশার, যুবদলের সভাপতি সাইফুল আলম নিরব, সাধারণ সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দীন টুকু, সাংগঠনিক সম্পাদক মামুন হাসান প্রমুখ ছিলেন।

২০ দলীয় জোট নেতাদের মধ্যে এলডিপির শাহাদত হোসেন সেলিম, ন্যাপের গোলাম মোস্তফা ভূইয়া, এনপিপির মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তফা, জাগপার খন্দকার লুৎফর রহমান, এনডিপির মঞ্জুর হোসেন ঈশা, লেবার পার্টির মোস্তাফিজুর রহমান, পিজিপির আব্দুল মতিন সাউদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।