ঢাকা ০৫:৪১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬, ৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
আত্মসমর্পণ করলেন জাহের আলভী আ.লীগকে রাজনীতিতে ফিরতে দেওয়া হবে না: মীর শাহে আলম যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তি পাকিস্তানিদের জন্য গর্বের: আতাউল্লাহ তারার সামরিক জীবনে ধর্মীয় অনুশাসন মেনে চলার আহ্বান সেনাপ্রধানের জুবাইদা রহমান রাষ্ট্র গঠনে প্রধানমন্ত্রীর ছায়াসঙ্গী হিসেবে কাজ করছেন : মঈন খান বাবা ‘মুক্তিযুদ্ধে শহীদ’ বলা জামায়াতের সেই এমপির বাবা এখনো বেঁচে আছেন সিলিন্ডার বিস্ফোরণে প্রাণ গেল যুবকের লৌহজংয়ে ভাঙারি ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ কাঁঠাল দিয়ে সিঙ্গারা-সমুচা-কাবাব, ফল হবে দেশের শক্তিশালী রপ্তানি পণ্য: কৃষিমন্ত্রী যুদ্ধ বন্ধে সমঝোতা স্মারকে সই করলেন ট্রাম্প ও পেজেশকিয়ান

শর্টফিল্মের শুটিং করতে গিয়ে ট্রেনের নিচে

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

পরীক্ষায় ফল খারাপ হয়েছে, অবসাদে রেললাইনে বসে কাঁদছেন এক কলেজ পড়ুয়া। সান্ত্বনা দিচ্ছেন বন্ধু। শর্টফিল্মে এমনই দৃশ্যে অভিনয় করছিলেন কলেজছাত্র- শৈশব দলুই (২০) ও সুনীল তাঁতি (১৯)।

সোমবার দুপুরে পশ্চিমবঙ্গের দমদম-বেলঘরিয়া স্টেশনের মাঝখানে তা মোবাইলবন্দি করছিলেন আর এক বন্ধু সৌম্যদ্বীপ সাঁতরা। কানে যায়নি ট্রেনের বাঁশি। আপ বজবজ-নৈহাটি লোকাল ছিন্নভিন্ন করে দিয়ে গেল শৈশব-সুনীলকে। লাফ মেরে কোনও ক্রমে বেঁচেছেন সৌম্যদ্বীপ।

লাইনে শুয়ে স্টান্ট, চলন্ত ট্রেনের সামনে নিজস্বী, মোবাইল কানে লাইন পারাপার— ট্রেনে বিপদ ডেকে আনার এমন অজস্র উদাহরণের সঙ্গে এ বার যোগ হলো অসাবধানী শুটিংও।

সোমবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে পানিহাটি পাটবাড়ির লেনের বাসিন্দা তিন বন্ধু সোদপুর থেকে ট্রেনে উঠে বেলঘরিয়ায় নামেন। সেখান থেকে এক কিলোমিটার হেঁটে দমদম স্টেশনের দিকে সিসিআর সেতুর নিচে যান।

পুলিশ সূত্রের খবর, একটি শর্টফিল্মের শুটিং করছিলেন তারা। দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে তিন নম্বর লাইনে আসে বজবজ-নৈহাটি লোকাল। ছিটকে পড়েন শৈশব এবং সুনীল। একজনের শরীর খানিকটা হিঁচড়ে নিয়ে যায় ট্রেনের চাকা। অন্য জনের মাথায় আঘাত লাগে। স্থানীয় লোকজনই জিআরপিতে খবর দেন। তারাই দেহ উদ্ধার করে।

প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, একাধিক বার হর্ন দিয়েছিলেন ট্রেনচালক। কিন্তু শুটিং-এ ব্যস্ত থাকায় তা সুনীলদের কানে যায়নি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আত্মসমর্পণ করলেন জাহের আলভী

শর্টফিল্মের শুটিং করতে গিয়ে ট্রেনের নিচে

আপডেট সময় ০১:৪৮:৫১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০১৮

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

পরীক্ষায় ফল খারাপ হয়েছে, অবসাদে রেললাইনে বসে কাঁদছেন এক কলেজ পড়ুয়া। সান্ত্বনা দিচ্ছেন বন্ধু। শর্টফিল্মে এমনই দৃশ্যে অভিনয় করছিলেন কলেজছাত্র- শৈশব দলুই (২০) ও সুনীল তাঁতি (১৯)।

সোমবার দুপুরে পশ্চিমবঙ্গের দমদম-বেলঘরিয়া স্টেশনের মাঝখানে তা মোবাইলবন্দি করছিলেন আর এক বন্ধু সৌম্যদ্বীপ সাঁতরা। কানে যায়নি ট্রেনের বাঁশি। আপ বজবজ-নৈহাটি লোকাল ছিন্নভিন্ন করে দিয়ে গেল শৈশব-সুনীলকে। লাফ মেরে কোনও ক্রমে বেঁচেছেন সৌম্যদ্বীপ।

লাইনে শুয়ে স্টান্ট, চলন্ত ট্রেনের সামনে নিজস্বী, মোবাইল কানে লাইন পারাপার— ট্রেনে বিপদ ডেকে আনার এমন অজস্র উদাহরণের সঙ্গে এ বার যোগ হলো অসাবধানী শুটিংও।

সোমবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে পানিহাটি পাটবাড়ির লেনের বাসিন্দা তিন বন্ধু সোদপুর থেকে ট্রেনে উঠে বেলঘরিয়ায় নামেন। সেখান থেকে এক কিলোমিটার হেঁটে দমদম স্টেশনের দিকে সিসিআর সেতুর নিচে যান।

পুলিশ সূত্রের খবর, একটি শর্টফিল্মের শুটিং করছিলেন তারা। দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে তিন নম্বর লাইনে আসে বজবজ-নৈহাটি লোকাল। ছিটকে পড়েন শৈশব এবং সুনীল। একজনের শরীর খানিকটা হিঁচড়ে নিয়ে যায় ট্রেনের চাকা। অন্য জনের মাথায় আঘাত লাগে। স্থানীয় লোকজনই জিআরপিতে খবর দেন। তারাই দেহ উদ্ধার করে।

প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, একাধিক বার হর্ন দিয়েছিলেন ট্রেনচালক। কিন্তু শুটিং-এ ব্যস্ত থাকায় তা সুনীলদের কানে যায়নি।