ঢাকা ০৭:৫০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নাফ থেকে ৫ বাংলাদেশিকে নিয়ে গেছে মিয়ানমার বিজিপি

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

মিয়ানমারের সীমান্তরক্ষী পুলিশের (বিজিপি) সদস্যরা নাফ নদীতে বাংলাদেশি জেলেদের ওপর গুলিবর্ষণ করলে এক জেলে আহত হয়েছেন। আর ৫ জেলেকে অপহরণ করে নিয়ে গেছে বিজিপি। আজ শনিবার সকাল সাড়ে আটটার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নের কাঞ্জরপাড়া সংলগ্ন নাফ নদীর পয়েন্ট দিয়ে জলসীমা অতিক্রম করে একদল জেলে মাছ শিকার করছিলেন। এ সময় বিজিপির শীলখালী ঘাঁটির একটি টহল দল স্পিডবোটে এসে ওই জেলেদের লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। এতে বাংলাদেশ সীমান্তে চরজালে মাছ ধরারত কাঞ্জরপাড়ার ফকির মোহাম্মদের ছেলে নুরুল ইসলাম (৩৫) গুলিবিদ্ধ হন।

এরপর মিয়ানমার বিজিপির সদস্যরা স্থানীয় আব্দুল গফুরের ছেলে আজিজুল্লাহ, মৃত আব্দুল শুক্কুরের ছেলে ইয়ার মোহাম্মদ, মৃত নুরুল আলমের ছেলে শাহ আলম, আব্বাসের ছেলে মো. রফিক ও আব্দুল জলিলের ছেলে পেটান আলীকে নৌকা-জালসহ অপহরণ করে নিয়ে যায়।

গুলিবিদ্ধ জেলে নুরুলের অপর সঙ্গীরা তাকে দ্রুত উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য কাঞ্জরপাড়া বাজারে নিয়ে যান। তাকে কুতুপালং শরণার্থী ক্যাম্পে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। ঘটনার সত্যতা দৈনিক আকাশকে নিশ্চিত করেন স্থানীয় মেম্বার আব্দুল গাফ্ফার।

এ ব্যাপারে টেকনাফ ২ বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্নেল এস এম আরিফুল ইসলাম জানান, নাফ নদীতে মাছ শিকার নিষিদ্ধ হলেও জেলেরা চুরি করে জলসীমা অতিক্রম করায় এই ঘটনার সূত্রপাত। তবে অপহৃত জেলেদের ফিরিয়ে আনার ব্যাপারে চেষ্টা চলছে। এদিকে অপহৃত পাঁচ জেলের পরিবারে সৃষ্টি হয়েছে চরম উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পোস্টাল ভোটে অনিয়ম করলে প্রবাসীদের দেশে ফেরত আনার হুঁশিয়ারি ইসির

নাফ থেকে ৫ বাংলাদেশিকে নিয়ে গেছে মিয়ানমার বিজিপি

আপডেট সময় ০৩:২২:২৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ ফেব্রুয়ারী ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

মিয়ানমারের সীমান্তরক্ষী পুলিশের (বিজিপি) সদস্যরা নাফ নদীতে বাংলাদেশি জেলেদের ওপর গুলিবর্ষণ করলে এক জেলে আহত হয়েছেন। আর ৫ জেলেকে অপহরণ করে নিয়ে গেছে বিজিপি। আজ শনিবার সকাল সাড়ে আটটার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নের কাঞ্জরপাড়া সংলগ্ন নাফ নদীর পয়েন্ট দিয়ে জলসীমা অতিক্রম করে একদল জেলে মাছ শিকার করছিলেন। এ সময় বিজিপির শীলখালী ঘাঁটির একটি টহল দল স্পিডবোটে এসে ওই জেলেদের লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। এতে বাংলাদেশ সীমান্তে চরজালে মাছ ধরারত কাঞ্জরপাড়ার ফকির মোহাম্মদের ছেলে নুরুল ইসলাম (৩৫) গুলিবিদ্ধ হন।

এরপর মিয়ানমার বিজিপির সদস্যরা স্থানীয় আব্দুল গফুরের ছেলে আজিজুল্লাহ, মৃত আব্দুল শুক্কুরের ছেলে ইয়ার মোহাম্মদ, মৃত নুরুল আলমের ছেলে শাহ আলম, আব্বাসের ছেলে মো. রফিক ও আব্দুল জলিলের ছেলে পেটান আলীকে নৌকা-জালসহ অপহরণ করে নিয়ে যায়।

গুলিবিদ্ধ জেলে নুরুলের অপর সঙ্গীরা তাকে দ্রুত উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য কাঞ্জরপাড়া বাজারে নিয়ে যান। তাকে কুতুপালং শরণার্থী ক্যাম্পে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। ঘটনার সত্যতা দৈনিক আকাশকে নিশ্চিত করেন স্থানীয় মেম্বার আব্দুল গাফ্ফার।

এ ব্যাপারে টেকনাফ ২ বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্নেল এস এম আরিফুল ইসলাম জানান, নাফ নদীতে মাছ শিকার নিষিদ্ধ হলেও জেলেরা চুরি করে জলসীমা অতিক্রম করায় এই ঘটনার সূত্রপাত। তবে অপহৃত জেলেদের ফিরিয়ে আনার ব্যাপারে চেষ্টা চলছে। এদিকে অপহৃত পাঁচ জেলের পরিবারে সৃষ্টি হয়েছে চরম উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা।