ঢাকা ০৪:৫৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে মালয়েশিয়ার সেনাপ্রধান

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

মালয়েশিয়ার সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল তান শ্রি রাজা মোহাম্মদ এফানদি বিন রাজা মোহাম্মদ নুর রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন করেছেন।

শনিবার বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে উখিয়ার টিএন্ডটি এলাকায় অবস্থিত মালয়েশিয়ার ফিল্ড হাসপাতাল ও থাইংখালী শফিউল্লাহকাটা রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন করেন। এ সময় সেনাপ্রধান হাসপাতালের বিভিন্ন সেবাকক্ষ ঘুরে দেখেন।

তিনি চিকিৎসাসেবায় নিয়োজিত চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলেন। পরে হাসপাতালের চিকিৎসাসেবা নিতে আসা রোহিঙ্গাদের দেখভাল করেন। সম্পূর্ণ সামরিক নিরাপত্তাবেষ্টনীতে তিনি প্রায় ঘণ্টাব্যাপী হাসপাতালের কার্যক্রম প্রত্যক্ষ করেন।

পরে সেনাপ্রধান শফিউল্লাহকাটা রোহিঙ্গা ক্যাম্প ঘুরে দেখেন ও রোহিঙ্গাদের সঙ্গে কথা বলেন। তাদের অভাব-অভিযোগ সম্পর্কে জানতে চান। সেনাপ্রধান রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে ফিরে নেওয়া হলে খুশি কি না, এও জানার চেষ্টা করেন। এ সময় বেশ কয়েক রোহিঙ্গা নেতা মালয়েশিয়ান সেনাপ্রধানের সঙ্গে ইংরেজি ভাষায় কথা বলতে দেখা যায়।

শফিউল্লাহকাটা রোহিঙ্গা মাঝি আয়াছুর রহমানের কাছে জানতে চাওয়া হলে মালয়েশিয়ার সেনাপ্রধান কী জানতে চেয়েছেন? জানতে চাইলে সে জানায়, মিয়ানমার সরকার রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিলে যাবে কিনা জানতে চেয়েছেন। এ জবাবে রোহিঙ্গারা বলেছেন, তাদের নাগরিকত্বসহ ৬ দফা দাবি মেনে নেওয়া হলে রোহিঙ্গারা স্বেচ্ছায় মিয়ানমারে ফিরে যাবে।

এ সময় মালয়েশিয়া সেনাপ্রধানের সঙ্গে ছিলেন, ফিল্ড হাসপাতালের টিম লিডার ডা. ফাতাহুল লাহাম মোহাম্মদ, ঢাকার মালয়েশিয়ার হাইকমিশনার নূর আশিকিন বিনতে মুহাম্মদ তাইয়েব, দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা, ইউএনডিপির গুডউইল অ্যাম্বাসেডর তান শ্রি মাইকেল ইও, ছাড়া এ দেশের উচ্চপর্যায়ের সেনা কর্মকর্তারা। সেনাপ্রধান সন্ধ্যা ৭টা ১৫ মিনিটের দিকে কক্সবাজারের উদ্দেশে ক্যাম্প ত্যাগ করেন।

প্রসঙ্গত, প্রায় লক্ষাধিক রোহিঙ্গার চিকিৎসা সম্ভব এই ফিল্ড হাসপাতালটির কার্যক্রম শুরু হয় ২০১৭ সালে ১ ডিসেম্বর।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে মালয়েশিয়ার সেনাপ্রধান

আপডেট সময় ১০:৪৪:০২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ জানুয়ারী ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

মালয়েশিয়ার সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল তান শ্রি রাজা মোহাম্মদ এফানদি বিন রাজা মোহাম্মদ নুর রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন করেছেন।

শনিবার বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে উখিয়ার টিএন্ডটি এলাকায় অবস্থিত মালয়েশিয়ার ফিল্ড হাসপাতাল ও থাইংখালী শফিউল্লাহকাটা রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন করেন। এ সময় সেনাপ্রধান হাসপাতালের বিভিন্ন সেবাকক্ষ ঘুরে দেখেন।

তিনি চিকিৎসাসেবায় নিয়োজিত চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলেন। পরে হাসপাতালের চিকিৎসাসেবা নিতে আসা রোহিঙ্গাদের দেখভাল করেন। সম্পূর্ণ সামরিক নিরাপত্তাবেষ্টনীতে তিনি প্রায় ঘণ্টাব্যাপী হাসপাতালের কার্যক্রম প্রত্যক্ষ করেন।

পরে সেনাপ্রধান শফিউল্লাহকাটা রোহিঙ্গা ক্যাম্প ঘুরে দেখেন ও রোহিঙ্গাদের সঙ্গে কথা বলেন। তাদের অভাব-অভিযোগ সম্পর্কে জানতে চান। সেনাপ্রধান রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে ফিরে নেওয়া হলে খুশি কি না, এও জানার চেষ্টা করেন। এ সময় বেশ কয়েক রোহিঙ্গা নেতা মালয়েশিয়ান সেনাপ্রধানের সঙ্গে ইংরেজি ভাষায় কথা বলতে দেখা যায়।

শফিউল্লাহকাটা রোহিঙ্গা মাঝি আয়াছুর রহমানের কাছে জানতে চাওয়া হলে মালয়েশিয়ার সেনাপ্রধান কী জানতে চেয়েছেন? জানতে চাইলে সে জানায়, মিয়ানমার সরকার রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিলে যাবে কিনা জানতে চেয়েছেন। এ জবাবে রোহিঙ্গারা বলেছেন, তাদের নাগরিকত্বসহ ৬ দফা দাবি মেনে নেওয়া হলে রোহিঙ্গারা স্বেচ্ছায় মিয়ানমারে ফিরে যাবে।

এ সময় মালয়েশিয়া সেনাপ্রধানের সঙ্গে ছিলেন, ফিল্ড হাসপাতালের টিম লিডার ডা. ফাতাহুল লাহাম মোহাম্মদ, ঢাকার মালয়েশিয়ার হাইকমিশনার নূর আশিকিন বিনতে মুহাম্মদ তাইয়েব, দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা, ইউএনডিপির গুডউইল অ্যাম্বাসেডর তান শ্রি মাইকেল ইও, ছাড়া এ দেশের উচ্চপর্যায়ের সেনা কর্মকর্তারা। সেনাপ্রধান সন্ধ্যা ৭টা ১৫ মিনিটের দিকে কক্সবাজারের উদ্দেশে ক্যাম্প ত্যাগ করেন।

প্রসঙ্গত, প্রায় লক্ষাধিক রোহিঙ্গার চিকিৎসা সম্ভব এই ফিল্ড হাসপাতালটির কার্যক্রম শুরু হয় ২০১৭ সালে ১ ডিসেম্বর।