ঢাকা ০৬:৫৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

তুরস্কের অভিযানে সিরিয়া ভেঙে যাবে: যুক্তরাষ্ট্র

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

সিরিয়ার আফরিনে তুরস্কের অভিযানের কারণে দেশটি ভেঙে যেতে পারে আশংকা প্রকাশ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্টের মুখপাত্র হেদার নোয়ার্ত বৃহস্পতিবার এক বক্তব্যে এ আশংকার কথা জানান। খবর আনাদলু এজেন্সির।

হেদার নোয়ার্ত বলেন, সিরিয়ায় বর্তমানে মোটামুটি স্থিতিশীলতা বিরাজ করছে। কিন্তু তুরস্কের অভিযানের কারণেই নাগরিকরা আফরিন অঞ্চল ছেড়ে পালিয়ে যাচ্ছে। স্থিতিশীলতা নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। অভিযান অব্যাহত থাকলে সিরিয়ায় ভাঙন সৃষ্টি হতে পারে।

এদিকে সিরিয়ার আফরিনে সেনা অভিযানের মাধ্যমে সন্ত্রাসীদের নির্মূল করতে তুরস্ক একাই যথেষ্ট বলে মন্তব্য করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোগান। এ অভিযানে আফরিন অঞ্চলে সাধারণ নাগরিকদের নিরাপত্তার বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, সাধারণ নাগরিকদের নিরাপত্তায় তুরস্ক সজাগ রয়েছে। শুক্রবার তুরস্কের রাজধানী আঙ্কারায় নিজ দলের এক সভায় এরদোগান এসব কথা বলেন।

আফরিন অঞ্চলে পরিচালিত অভিযান ইতিমধ্যে আজাজ অঞ্চলেও বিস্তৃত করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন এরদোগান। তবে অন্য কোনো দেশের সঙ্গে সংঘাতে জড়ানোর ইচ্ছা তুরস্কের নেই জানিয়েছে তিনি বলেন, তুরস্ক অন্য কোনো দেশের সঙ্গে সংঘাতে জড়াবে না। তবে যদি কেউ সামরিক আগ্রাসন চালায় তাহলে তাদের মোকাবেলা করা হবে।

আফরিন ও আজাজে তুরস্কের অভিযানের লক্ষ্য হচ্ছে দেশটির সীমান্তবর্তী এলাকার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। এরদোগান বলেন, সন্ত্রাসীরা পর্যায়ক্রমে প্রস্তুতি নিচ্ছিল এবং তুরস্কের সীমান্তের দিকে এগোচ্ছিল, যা তুরস্কের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি। তবে এসব হুমকি মোকাবেলায় তুরস্ক একাই যথেষ্ট জানিয়ে এরদোগান বলেন, তুরস্ক এসব সন্ত্রাসীর দমনে একাই যথেষ্ট। এজন্য কোনো দেশের সহায়তার প্রয়োজন নেই। আমি পরিষ্কার ভাষায় বলছি, আমাদের অভিযান আমাদের নিরাপত্তার জন্য, সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে।

আফরিন ও আজাজ অঞ্চলে অভিযান শেষ হওয়ার পর তুর্কি বাহিনী মানজিব প্রদেশেও অভিযান চালাবে বলে জানান এরদোগান।

অন্যদিকে সিরিয়ার আফরিনের তুরস্কের সেনাবাহিনীর পরিচালিত অভিযানের মধ্যে সেখানকার সাধারণ নাগরিকদের মাঝে খাদ্য সহায়তা ও চিকিৎসাসেবা দিচ্ছে সেনাবাহিনী। একই সঙ্গে পিকেকে ও অন্যান্য সন্ত্রাসীদের ভয়ে বাড়িছাড়া মানুষকে তাদের ঘরবাড়িতে স্থানান্তর করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে তুর্কি সেনাবাহিনী।

খবরে বলা হয়েছে, আফরিনে আদামা এলাকায় অভিযান শেষে সেনাবাহিনী গ্রামবাসীদের মধ্যে খাবার বিতরণ করেছে। এছাড়া সেনাবাহিনীর ডাক্তাররা স্থানীয়দের চিকিৎসাসেবা দিচ্ছে।

তুর্কি সেনাপ্রধান হুলুসি আকন বলেন, তুরিস্কের সীমান্তবর্তী এলাকায় শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য এ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। সন্ত্রাসীদের নিষ্ঠুরতা থেকে সাধারণ মানুষকে নিরাপত্তা ও শান্তি দিতে চেষ্টা করছে সেনাবাহিনী।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

তুরস্কের অভিযানে সিরিয়া ভেঙে যাবে: যুক্তরাষ্ট্র

আপডেট সময় ০৫:৩৫:২৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জানুয়ারী ২০১৮

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

সিরিয়ার আফরিনে তুরস্কের অভিযানের কারণে দেশটি ভেঙে যেতে পারে আশংকা প্রকাশ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্টের মুখপাত্র হেদার নোয়ার্ত বৃহস্পতিবার এক বক্তব্যে এ আশংকার কথা জানান। খবর আনাদলু এজেন্সির।

হেদার নোয়ার্ত বলেন, সিরিয়ায় বর্তমানে মোটামুটি স্থিতিশীলতা বিরাজ করছে। কিন্তু তুরস্কের অভিযানের কারণেই নাগরিকরা আফরিন অঞ্চল ছেড়ে পালিয়ে যাচ্ছে। স্থিতিশীলতা নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। অভিযান অব্যাহত থাকলে সিরিয়ায় ভাঙন সৃষ্টি হতে পারে।

এদিকে সিরিয়ার আফরিনে সেনা অভিযানের মাধ্যমে সন্ত্রাসীদের নির্মূল করতে তুরস্ক একাই যথেষ্ট বলে মন্তব্য করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোগান। এ অভিযানে আফরিন অঞ্চলে সাধারণ নাগরিকদের নিরাপত্তার বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, সাধারণ নাগরিকদের নিরাপত্তায় তুরস্ক সজাগ রয়েছে। শুক্রবার তুরস্কের রাজধানী আঙ্কারায় নিজ দলের এক সভায় এরদোগান এসব কথা বলেন।

আফরিন অঞ্চলে পরিচালিত অভিযান ইতিমধ্যে আজাজ অঞ্চলেও বিস্তৃত করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন এরদোগান। তবে অন্য কোনো দেশের সঙ্গে সংঘাতে জড়ানোর ইচ্ছা তুরস্কের নেই জানিয়েছে তিনি বলেন, তুরস্ক অন্য কোনো দেশের সঙ্গে সংঘাতে জড়াবে না। তবে যদি কেউ সামরিক আগ্রাসন চালায় তাহলে তাদের মোকাবেলা করা হবে।

আফরিন ও আজাজে তুরস্কের অভিযানের লক্ষ্য হচ্ছে দেশটির সীমান্তবর্তী এলাকার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। এরদোগান বলেন, সন্ত্রাসীরা পর্যায়ক্রমে প্রস্তুতি নিচ্ছিল এবং তুরস্কের সীমান্তের দিকে এগোচ্ছিল, যা তুরস্কের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি। তবে এসব হুমকি মোকাবেলায় তুরস্ক একাই যথেষ্ট জানিয়ে এরদোগান বলেন, তুরস্ক এসব সন্ত্রাসীর দমনে একাই যথেষ্ট। এজন্য কোনো দেশের সহায়তার প্রয়োজন নেই। আমি পরিষ্কার ভাষায় বলছি, আমাদের অভিযান আমাদের নিরাপত্তার জন্য, সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে।

আফরিন ও আজাজ অঞ্চলে অভিযান শেষ হওয়ার পর তুর্কি বাহিনী মানজিব প্রদেশেও অভিযান চালাবে বলে জানান এরদোগান।

অন্যদিকে সিরিয়ার আফরিনের তুরস্কের সেনাবাহিনীর পরিচালিত অভিযানের মধ্যে সেখানকার সাধারণ নাগরিকদের মাঝে খাদ্য সহায়তা ও চিকিৎসাসেবা দিচ্ছে সেনাবাহিনী। একই সঙ্গে পিকেকে ও অন্যান্য সন্ত্রাসীদের ভয়ে বাড়িছাড়া মানুষকে তাদের ঘরবাড়িতে স্থানান্তর করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে তুর্কি সেনাবাহিনী।

খবরে বলা হয়েছে, আফরিনে আদামা এলাকায় অভিযান শেষে সেনাবাহিনী গ্রামবাসীদের মধ্যে খাবার বিতরণ করেছে। এছাড়া সেনাবাহিনীর ডাক্তাররা স্থানীয়দের চিকিৎসাসেবা দিচ্ছে।

তুর্কি সেনাপ্রধান হুলুসি আকন বলেন, তুরিস্কের সীমান্তবর্তী এলাকায় শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য এ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। সন্ত্রাসীদের নিষ্ঠুরতা থেকে সাধারণ মানুষকে নিরাপত্তা ও শান্তি দিতে চেষ্টা করছে সেনাবাহিনী।