ঢাকা ০৬:৪৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬, ৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

সক্ষমতা বেড়েছে, আমরা আর পরনির্ভরশীল নই: প্রধানমন্ত্রী

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, সব দিক থেকে বাংলাদেশের সক্ষমতা বেড়েছে। একটা সময় আমরা বাজেট প্রণয়নে বিদেশি দাতা গোষ্ঠীর ওপর নির্ভরশীল হলেও এখন আর সেই অবস্থা নেই। এখন বাংলাদেশ নিজেই বাজেট প্রণয়ন করতে সক্ষম।

বৃহস্পতিবার সকালে নিজ কার্যালয়ে এক অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। ‘ভূমি পুনরুদ্ধার ও সংরক্ষণ উন্নয়নে প্রস্তাবিত পাইলট প্রকল্পের রূপরেখা উপস্থাপন’ অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিচ্ছিলেন প্রধানমন্ত্রী।

দেশের অচল নৌরুটগুলো চালুর ওপর তাগিদ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, নৌরুটগুলো যত চালু ও কার্যকর করতে পারবো, তত সস্তায় পণ্য সরবরাহ করা যাবে।

নদীপথগুলো সংরক্ষণে সংশ্লিষ্টদের আন্তরিক হয়ে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের নদীগুলোর প্রবাহ নিশ্চিতে ক্যাপিটাল ড্রেজিং ও মেনটেইন্যান্স ড্রেজিং দুটিই করতে হবে।

কোনো কোনো এলাকায় নদীর ভয়াবহ ভাঙনের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী পদ্মা নদীকে ‘কীর্তিনাশা’ বলার পেছনের গল্প বলেন। তিনি বলেন, রাজবাড়ীর এক রাজা পদ্মা নদীর তীরে তার প্রাসাদ নির্মাণ করতে চেয়েছিলেন। পরপর সাতবার প্রাসাদ নির্মাণ করলেও তা নদীগর্ভে চলে যায়। পরে তিনি এই নদীকে ‘কীর্তিনাশা’ মন্তব্য করে তিনি চলে যান অন্য কোথাও।

প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে নদী ড্রেজিংয়ে নিজের বিভিন্ন অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ড্রেজিংয়ের ব্যাপারে লক্ষ্য করেছি, একটা জায়গা ড্রেজিং করে অন্য জায়গায় মাটি ফেলে রাখা হয়। এতে ড্রেজিংয়ে সুফল আসে না। এজন্য তিনি নদী খননের পর মাটি যেন আবার নদীতে না পড়ে সে ব্যবস্থার দিকে জোর দেয়ার তাগিদ দেন।

নদী ড্রেজিংয়ের সময় দুই পাশে পর্যাপ্ত জায়গা রাখার পরামর্শ দেন শেখ হাসিনা। তিনি বলেন এতে নদী অতিরিক্ত পানি ধারণ করতে পারবে এবং যখন পানি থাকবে না তখন সেখানে কৃষকরা চাষবাষ করতে পারবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

সক্ষমতা বেড়েছে, আমরা আর পরনির্ভরশীল নই: প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় ০১:৫৪:০১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, সব দিক থেকে বাংলাদেশের সক্ষমতা বেড়েছে। একটা সময় আমরা বাজেট প্রণয়নে বিদেশি দাতা গোষ্ঠীর ওপর নির্ভরশীল হলেও এখন আর সেই অবস্থা নেই। এখন বাংলাদেশ নিজেই বাজেট প্রণয়ন করতে সক্ষম।

বৃহস্পতিবার সকালে নিজ কার্যালয়ে এক অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। ‘ভূমি পুনরুদ্ধার ও সংরক্ষণ উন্নয়নে প্রস্তাবিত পাইলট প্রকল্পের রূপরেখা উপস্থাপন’ অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিচ্ছিলেন প্রধানমন্ত্রী।

দেশের অচল নৌরুটগুলো চালুর ওপর তাগিদ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, নৌরুটগুলো যত চালু ও কার্যকর করতে পারবো, তত সস্তায় পণ্য সরবরাহ করা যাবে।

নদীপথগুলো সংরক্ষণে সংশ্লিষ্টদের আন্তরিক হয়ে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের নদীগুলোর প্রবাহ নিশ্চিতে ক্যাপিটাল ড্রেজিং ও মেনটেইন্যান্স ড্রেজিং দুটিই করতে হবে।

কোনো কোনো এলাকায় নদীর ভয়াবহ ভাঙনের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী পদ্মা নদীকে ‘কীর্তিনাশা’ বলার পেছনের গল্প বলেন। তিনি বলেন, রাজবাড়ীর এক রাজা পদ্মা নদীর তীরে তার প্রাসাদ নির্মাণ করতে চেয়েছিলেন। পরপর সাতবার প্রাসাদ নির্মাণ করলেও তা নদীগর্ভে চলে যায়। পরে তিনি এই নদীকে ‘কীর্তিনাশা’ মন্তব্য করে তিনি চলে যান অন্য কোথাও।

প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে নদী ড্রেজিংয়ে নিজের বিভিন্ন অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ড্রেজিংয়ের ব্যাপারে লক্ষ্য করেছি, একটা জায়গা ড্রেজিং করে অন্য জায়গায় মাটি ফেলে রাখা হয়। এতে ড্রেজিংয়ে সুফল আসে না। এজন্য তিনি নদী খননের পর মাটি যেন আবার নদীতে না পড়ে সে ব্যবস্থার দিকে জোর দেয়ার তাগিদ দেন।

নদী ড্রেজিংয়ের সময় দুই পাশে পর্যাপ্ত জায়গা রাখার পরামর্শ দেন শেখ হাসিনা। তিনি বলেন এতে নদী অতিরিক্ত পানি ধারণ করতে পারবে এবং যখন পানি থাকবে না তখন সেখানে কৃষকরা চাষবাষ করতে পারবে।