ঢাকা ০৪:৪২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬, ৩০ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
টাকা খেয়ে ভোট দিলে নেতা এসে রাস্তা খেয়ে ফেলবে: আখতার হোসেন সুষ্ঠু নির্বাচনে জার্মানির সহায়তা চাইলেন জামায়াত আমির জাতীয় পতাকা হাতে প্যারাস্যুট জাম্প, গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে বাংলাদেশ বরেণ্য লোকসংগীতশিল্পী ও মুক্তিযুদ্ধের কণ্ঠযোদ্ধা মলয় কুমার মারা গেছেন ভবিষ্যৎ অর্থনীতির শক্ত ভিত্তি গড়ার দায়িত্ব সরকারের : আশিক মাহমুদ গণভোটে ‘হ্যাঁ’র পক্ষে বিএনপি : নজরুল ইসলাম খান অবিলম্বে মার্কিন নাগরিকদের ইরান ত্যাগের নির্দেশ প্রতারণা করে অর্থ আদায়, ৫১ হাজার সিমসহ ৫ চীনা নাগরিক গ্রেপ্তার সংসদে আর নৃত্যগীত হবে না, মানুষের উন্নয়নের কথা বলা হবে: সালাহউদ্দিন আলোচনার মাধ্যমে সমাধান খুঁজতে বাংলাদেশকে অনুরোধ আইসিসির, অনড় বিসিবি

প্রধান বিচারপতির হাতে বিচারকদের শৃঙ্খলাবিধির খসড়া

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

নিম্ন আদালতের বিচারকদের চাকরির শৃঙ্খলা সংক্রান্ত বিধিমালার গেজেট প্রকাশের জন্য তৈরি করা খসড়া প্রধান বিচারপতির কাছে হস্তান্তর করেছেন আইনমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আনিসুল হক। প্রধান বিচারপতি দেখার পর নিয়ম অনুযায়ী তা রাষ্ট্রপতির কাছে যাবে।

বৃহস্পতিবার বিকেলে সুপ্রিম কোর্টের এক বৈঠক শেষে আইনমন্ত্রী প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার (এসকে) সিনহার কাছে বিধিমালার খসড়া হস্তান্তর করেন। বৈঠকের পর আইনমন্ত্রী জানিয়েছেন, আজকে আমি বিধিমালার খসড়া প্রধান বিচারপতির কাছে হস্তান্তর করেছি। এটি এখন তিনি দেখবেন। পরে তা রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠানো হবে। রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের পর এটি গেজেট আকারে প্রকাশ করা হবে।

বিকেল সাড়ে তিনটা থেকে চারটা পর্যন্ত তিনি প্রধান বিচারপতির সঙ্গে বৈঠক করেন। এর আগে গত ২০ জুলাই বৃহস্পতিবারও প্রধান বিচারপতির সঙ্গে বৈঠক করেছেন আইনমন্ত্রী। ওই বৈঠকের পর তিনি সাংবাদিকদের বলেছিলেন, অধস্তন আদালতের বিচারকদের চাকরির শৃঙ্খলা সংক্রান্ত বিধিমালা গেজেট আকারে প্রকাশের খুব কাছাকাছি চলে এসেছে । নিম্ন আদালতের এই বিধিমালার গেজেট প্রকাশে রাষ্ট্রপক্ষকে ২২ বার সময় দিয়েছেন আপিল বিভাগ।

১৯৯৯ সালের ২ ডিসেম্বর মাসদার হোসেন মামলায় ১২ দফা নির্দেশনা দিয়ে রায় দেয়া হয়। ওই রায়ের আলোকে নিম্ন আদালতের বিচারকদের চাকরির শৃঙ্খলা সংক্রান্ত বিধিমালা প্রণয়নের নির্দেশনা ছিল। ১২ দফার মধ্যে ইতোমধ্যে কয়েক দফা বাস্তবায়ন করেছে সরকার। এজন্য বারবার আদেশ দিতে হয়েছে আপিল বিভাগকে। এমনকি ২০০৪ সালে আদালত অবমাননার মামলাও করতে হয়েছে বাদী পক্ষকে। এরপর ২০০৭ সালের ১ নভেম্বর বিগত তত্ত্বাবধায়ক সরকারে সময় বিচার বিভাগকে নির্বাহী বিভাগ থেকে পৃথক ঘোষণা করা হয়।

২০১৫ সালের ১৫ মার্চ আপিল বিভাগ চার সপ্তাহ সময় দেন সরকারকে। এরপর গত বছরের ৭ মে আইন মন্ত্রণালয় থেকে একটি খসড়া শৃঙ্খলাবিধি তৈরি করে সুপ্রিম কোর্টে পাঠানো হয়। কিন্তু তা মাসদার হোসেন মামলার রায়ের আলোকে না হওয়ায় সুপ্রিম কোর্ট কর্তৃপক্ষ একটি কমিটি গঠন করে আলাদা একটি শৃঙ্খলাবিধি তৈরি করেন।

২০০৭ সালের ১০ জানুয়ারি আপিল বিভাগ বিচার বিভাগ পৃথকীকরণ সংক্রান্ত চারটি বিধিমালা সাত দিনের মধ্যে গেজেট আকারে প্রকাশের নির্দেশ দেন। এ সংক্রান্ত মামলাটি আপিল বিভাগে বিচারাধীন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রধান বিচারপতির হাতে বিচারকদের শৃঙ্খলাবিধির খসড়া

আপডেট সময় ০১:২৯:০৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ জুলাই ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

নিম্ন আদালতের বিচারকদের চাকরির শৃঙ্খলা সংক্রান্ত বিধিমালার গেজেট প্রকাশের জন্য তৈরি করা খসড়া প্রধান বিচারপতির কাছে হস্তান্তর করেছেন আইনমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আনিসুল হক। প্রধান বিচারপতি দেখার পর নিয়ম অনুযায়ী তা রাষ্ট্রপতির কাছে যাবে।

বৃহস্পতিবার বিকেলে সুপ্রিম কোর্টের এক বৈঠক শেষে আইনমন্ত্রী প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার (এসকে) সিনহার কাছে বিধিমালার খসড়া হস্তান্তর করেন। বৈঠকের পর আইনমন্ত্রী জানিয়েছেন, আজকে আমি বিধিমালার খসড়া প্রধান বিচারপতির কাছে হস্তান্তর করেছি। এটি এখন তিনি দেখবেন। পরে তা রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠানো হবে। রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের পর এটি গেজেট আকারে প্রকাশ করা হবে।

বিকেল সাড়ে তিনটা থেকে চারটা পর্যন্ত তিনি প্রধান বিচারপতির সঙ্গে বৈঠক করেন। এর আগে গত ২০ জুলাই বৃহস্পতিবারও প্রধান বিচারপতির সঙ্গে বৈঠক করেছেন আইনমন্ত্রী। ওই বৈঠকের পর তিনি সাংবাদিকদের বলেছিলেন, অধস্তন আদালতের বিচারকদের চাকরির শৃঙ্খলা সংক্রান্ত বিধিমালা গেজেট আকারে প্রকাশের খুব কাছাকাছি চলে এসেছে । নিম্ন আদালতের এই বিধিমালার গেজেট প্রকাশে রাষ্ট্রপক্ষকে ২২ বার সময় দিয়েছেন আপিল বিভাগ।

১৯৯৯ সালের ২ ডিসেম্বর মাসদার হোসেন মামলায় ১২ দফা নির্দেশনা দিয়ে রায় দেয়া হয়। ওই রায়ের আলোকে নিম্ন আদালতের বিচারকদের চাকরির শৃঙ্খলা সংক্রান্ত বিধিমালা প্রণয়নের নির্দেশনা ছিল। ১২ দফার মধ্যে ইতোমধ্যে কয়েক দফা বাস্তবায়ন করেছে সরকার। এজন্য বারবার আদেশ দিতে হয়েছে আপিল বিভাগকে। এমনকি ২০০৪ সালে আদালত অবমাননার মামলাও করতে হয়েছে বাদী পক্ষকে। এরপর ২০০৭ সালের ১ নভেম্বর বিগত তত্ত্বাবধায়ক সরকারে সময় বিচার বিভাগকে নির্বাহী বিভাগ থেকে পৃথক ঘোষণা করা হয়।

২০১৫ সালের ১৫ মার্চ আপিল বিভাগ চার সপ্তাহ সময় দেন সরকারকে। এরপর গত বছরের ৭ মে আইন মন্ত্রণালয় থেকে একটি খসড়া শৃঙ্খলাবিধি তৈরি করে সুপ্রিম কোর্টে পাঠানো হয়। কিন্তু তা মাসদার হোসেন মামলার রায়ের আলোকে না হওয়ায় সুপ্রিম কোর্ট কর্তৃপক্ষ একটি কমিটি গঠন করে আলাদা একটি শৃঙ্খলাবিধি তৈরি করেন।

২০০৭ সালের ১০ জানুয়ারি আপিল বিভাগ বিচার বিভাগ পৃথকীকরণ সংক্রান্ত চারটি বিধিমালা সাত দিনের মধ্যে গেজেট আকারে প্রকাশের নির্দেশ দেন। এ সংক্রান্ত মামলাটি আপিল বিভাগে বিচারাধীন।