ঢাকা ০১:৫৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬, ২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার নীতিমালায় পরিবর্তন আনার কথা ভাবছে সরকার: ববি হাজ্জাজ মগবাজারে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাস দুর্ঘটনায় ৮ শিক্ষার্থী আহত মধ্যপ্রাচ্যের বিকল্প শ্রমবাজারের সন্ধানে সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা আছে সরকারের : প্রধানমন্ত্রী ইরান যুদ্ধ প্রায় শেষের পথে: ট্রাম্প শিল্পে জ্বালানি দক্ষতায় ২০০ কোটি টাকার বিনিয়োগ মার্কিন নৌ অবরোধ পূর্ণাঙ্গভাবে কার্যকর, দাবি সেন্টকমের তারেক রহমান সবসময় গ্রামীণ জনপদ ও কৃষকের উন্নয়ন নিয়ে ভাবেন : রিজভী ইসরায়েলের সঙ্গে প্রতিরক্ষা চুক্তি স্থগিত করল ইতালি ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণে রাজনৈতিক বিবেচনা বা অনিয়মের সুযোগ নেই: আইনমন্ত্রী ‘খেলাধুলার মাধ্যমে দেশপ্রেম ও ভ্রাতৃত্ববোধ জাগ্রত করতে হবে’

বিনা অপরাধে ২৮দিন জেল হাজতে, এএসআই ও কনস্টেবল ক্লোজ

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বিনা অপরাধে ২৮দিন হাজত বাসের পর ময়মনসিংহ আদালত থেকে মুক্তি পেয়েছেন ত্রিশালের কোনাবাড়ি গ্রামের কৃষক নুরুল ইসলাম নবীন (৪৫)। ময়মনসিংহ কারাগার থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে তিনি মুক্তি পেয়েছেন।

আদালতের সিলমোহর ও ম্যাজিস্ট্রেটের স্বাক্ষর জাল করে ভুয়া গ্রেফতারি পরোয়ানার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে ত্রিশাল থানার এএসআই বুলবুল হোসেন ও ময়মনসিংহ কোর্টের কনস্টেবল মিজানুর রহমানকে ক্লোজ করে পুলিশ লাইনে নেয়া হয়েছে। এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন ময়মনসিংহের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এসএ নেওয়াজি।

জানা গেছে, খুলনার শিশু ও নারী নির্যাতন দমন আদালতের ভুয়া গ্রেফতারি পরোয়ানায় নুরুল ইসলামকে গত বছরের ৬ ডিসেম্বর গ্রেফতারের পরদিন তাকে ময়মনসিংহ আদালতে হাজির করলে তাকে জেল হাজতে পাঠিয়ে দেন। নুরুল ইসলামের পরিবার খুলনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আদালতে আবেদন করার পর যাচাই বাছাই শেষে মামলার এজাহারে তার নাম না থাকায় নুরুল ইসলামকে বিজ্ঞ আদালত জামিনে মুক্তি দিয়েছেন।

আদালতের সিলমোহর ও ম্যাজিস্ট্রেটের স্বাক্ষর জাল করে ভুয়া গ্রেফতারি পরোয়ানা ঘটনার চক্রের সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে ত্রিশাল থানার এএসআই বুলবুল হোসেন ও ময়মনসিংহ কোর্টের কনস্টেবল মিজানুর রহমানকে ক্লোজ করে পুলিশ লাইনে পাঠানো হয়েছে।

নুরুল ইসলাম নবীন জানান, গত বছরের ৬ ডিসেম্বর রাতে গ্রামের দোকানে বসে থাকার সময় ত্রিশাল থানার এএসআই বুলবুল হোসেনের নেতৃত্বে পুলিশ সদস্যরা গ্রেফতারি পরোয়ানা দেখিয়ে তাকে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে যান। পরের দিন ময়নমসিংহ আদালতে নেয়া হলে বিজ্ঞ আদালত তাকে জেল হাজতে পাঠিয়ে দেন। ঘটনাটি সন্দেহ হওয়ায় তার ছেলে শামীম মিয়া চলতি বছরের ১ জানুয়ারি খুলনা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আদালতের পেশকারের সাথে যোগাযোগ করে মামলার বিষয় জানতে চান। ওই মামলার কাগজপত্রে দেখতে পান তার বাবা ওই মামলার এজাহারভুক্ত আসামি না।

মিথ্যা মামলায় জেল হাজতে থাকার বিষয়ে আদালতে একটি আবেদন করেন। আবেদনের প্রেক্ষিতে খুলনার অতিরিক্ত দায়রা জজ প্রথম আদালত বিষয়টি খতিয়ে দেখে মামলার এজাহারে নাম না থাকায় তাকে জামিনের নির্দেশ দিয়ে কারাগারে পত্র পাঠিয়েছেন।

ময়মনসিংহ কারাগারের জেলার রফিকুল ইসলাম জানান, খুলনার অতিরিক্ত দায়রা জজ প্রথম আদালত ১ নম্বর স্বারকের একটি পত্রে ত্রিশালের কোনাবড়ি গ্রামের নুরুল ইসলাম নবীনকে জামিনে মুক্তি দেয়ার আদেশ দিয়েছেন। এরই প্রেক্ষিতে তাকে কারাগার থেকে মুক্তি দেয়া হয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার নীতিমালায় পরিবর্তন আনার কথা ভাবছে সরকার: ববি হাজ্জাজ

বিনা অপরাধে ২৮দিন জেল হাজতে, এএসআই ও কনস্টেবল ক্লোজ

আপডেট সময় ১২:২৭:৪৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৫ জানুয়ারী ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বিনা অপরাধে ২৮দিন হাজত বাসের পর ময়মনসিংহ আদালত থেকে মুক্তি পেয়েছেন ত্রিশালের কোনাবাড়ি গ্রামের কৃষক নুরুল ইসলাম নবীন (৪৫)। ময়মনসিংহ কারাগার থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে তিনি মুক্তি পেয়েছেন।

আদালতের সিলমোহর ও ম্যাজিস্ট্রেটের স্বাক্ষর জাল করে ভুয়া গ্রেফতারি পরোয়ানার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে ত্রিশাল থানার এএসআই বুলবুল হোসেন ও ময়মনসিংহ কোর্টের কনস্টেবল মিজানুর রহমানকে ক্লোজ করে পুলিশ লাইনে নেয়া হয়েছে। এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন ময়মনসিংহের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এসএ নেওয়াজি।

জানা গেছে, খুলনার শিশু ও নারী নির্যাতন দমন আদালতের ভুয়া গ্রেফতারি পরোয়ানায় নুরুল ইসলামকে গত বছরের ৬ ডিসেম্বর গ্রেফতারের পরদিন তাকে ময়মনসিংহ আদালতে হাজির করলে তাকে জেল হাজতে পাঠিয়ে দেন। নুরুল ইসলামের পরিবার খুলনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আদালতে আবেদন করার পর যাচাই বাছাই শেষে মামলার এজাহারে তার নাম না থাকায় নুরুল ইসলামকে বিজ্ঞ আদালত জামিনে মুক্তি দিয়েছেন।

আদালতের সিলমোহর ও ম্যাজিস্ট্রেটের স্বাক্ষর জাল করে ভুয়া গ্রেফতারি পরোয়ানা ঘটনার চক্রের সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে ত্রিশাল থানার এএসআই বুলবুল হোসেন ও ময়মনসিংহ কোর্টের কনস্টেবল মিজানুর রহমানকে ক্লোজ করে পুলিশ লাইনে পাঠানো হয়েছে।

নুরুল ইসলাম নবীন জানান, গত বছরের ৬ ডিসেম্বর রাতে গ্রামের দোকানে বসে থাকার সময় ত্রিশাল থানার এএসআই বুলবুল হোসেনের নেতৃত্বে পুলিশ সদস্যরা গ্রেফতারি পরোয়ানা দেখিয়ে তাকে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে যান। পরের দিন ময়নমসিংহ আদালতে নেয়া হলে বিজ্ঞ আদালত তাকে জেল হাজতে পাঠিয়ে দেন। ঘটনাটি সন্দেহ হওয়ায় তার ছেলে শামীম মিয়া চলতি বছরের ১ জানুয়ারি খুলনা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আদালতের পেশকারের সাথে যোগাযোগ করে মামলার বিষয় জানতে চান। ওই মামলার কাগজপত্রে দেখতে পান তার বাবা ওই মামলার এজাহারভুক্ত আসামি না।

মিথ্যা মামলায় জেল হাজতে থাকার বিষয়ে আদালতে একটি আবেদন করেন। আবেদনের প্রেক্ষিতে খুলনার অতিরিক্ত দায়রা জজ প্রথম আদালত বিষয়টি খতিয়ে দেখে মামলার এজাহারে নাম না থাকায় তাকে জামিনের নির্দেশ দিয়ে কারাগারে পত্র পাঠিয়েছেন।

ময়মনসিংহ কারাগারের জেলার রফিকুল ইসলাম জানান, খুলনার অতিরিক্ত দায়রা জজ প্রথম আদালত ১ নম্বর স্বারকের একটি পত্রে ত্রিশালের কোনাবড়ি গ্রামের নুরুল ইসলাম নবীনকে জামিনে মুক্তি দেয়ার আদেশ দিয়েছেন। এরই প্রেক্ষিতে তাকে কারাগার থেকে মুক্তি দেয়া হয়েছে।