ঢাকা ০২:১৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

বিনা অপরাধে ২৮দিন জেল হাজতে, এএসআই ও কনস্টেবল ক্লোজ

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বিনা অপরাধে ২৮দিন হাজত বাসের পর ময়মনসিংহ আদালত থেকে মুক্তি পেয়েছেন ত্রিশালের কোনাবাড়ি গ্রামের কৃষক নুরুল ইসলাম নবীন (৪৫)। ময়মনসিংহ কারাগার থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে তিনি মুক্তি পেয়েছেন।

আদালতের সিলমোহর ও ম্যাজিস্ট্রেটের স্বাক্ষর জাল করে ভুয়া গ্রেফতারি পরোয়ানার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে ত্রিশাল থানার এএসআই বুলবুল হোসেন ও ময়মনসিংহ কোর্টের কনস্টেবল মিজানুর রহমানকে ক্লোজ করে পুলিশ লাইনে নেয়া হয়েছে। এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন ময়মনসিংহের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এসএ নেওয়াজি।

জানা গেছে, খুলনার শিশু ও নারী নির্যাতন দমন আদালতের ভুয়া গ্রেফতারি পরোয়ানায় নুরুল ইসলামকে গত বছরের ৬ ডিসেম্বর গ্রেফতারের পরদিন তাকে ময়মনসিংহ আদালতে হাজির করলে তাকে জেল হাজতে পাঠিয়ে দেন। নুরুল ইসলামের পরিবার খুলনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আদালতে আবেদন করার পর যাচাই বাছাই শেষে মামলার এজাহারে তার নাম না থাকায় নুরুল ইসলামকে বিজ্ঞ আদালত জামিনে মুক্তি দিয়েছেন।

আদালতের সিলমোহর ও ম্যাজিস্ট্রেটের স্বাক্ষর জাল করে ভুয়া গ্রেফতারি পরোয়ানা ঘটনার চক্রের সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে ত্রিশাল থানার এএসআই বুলবুল হোসেন ও ময়মনসিংহ কোর্টের কনস্টেবল মিজানুর রহমানকে ক্লোজ করে পুলিশ লাইনে পাঠানো হয়েছে।

নুরুল ইসলাম নবীন জানান, গত বছরের ৬ ডিসেম্বর রাতে গ্রামের দোকানে বসে থাকার সময় ত্রিশাল থানার এএসআই বুলবুল হোসেনের নেতৃত্বে পুলিশ সদস্যরা গ্রেফতারি পরোয়ানা দেখিয়ে তাকে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে যান। পরের দিন ময়নমসিংহ আদালতে নেয়া হলে বিজ্ঞ আদালত তাকে জেল হাজতে পাঠিয়ে দেন। ঘটনাটি সন্দেহ হওয়ায় তার ছেলে শামীম মিয়া চলতি বছরের ১ জানুয়ারি খুলনা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আদালতের পেশকারের সাথে যোগাযোগ করে মামলার বিষয় জানতে চান। ওই মামলার কাগজপত্রে দেখতে পান তার বাবা ওই মামলার এজাহারভুক্ত আসামি না।

মিথ্যা মামলায় জেল হাজতে থাকার বিষয়ে আদালতে একটি আবেদন করেন। আবেদনের প্রেক্ষিতে খুলনার অতিরিক্ত দায়রা জজ প্রথম আদালত বিষয়টি খতিয়ে দেখে মামলার এজাহারে নাম না থাকায় তাকে জামিনের নির্দেশ দিয়ে কারাগারে পত্র পাঠিয়েছেন।

ময়মনসিংহ কারাগারের জেলার রফিকুল ইসলাম জানান, খুলনার অতিরিক্ত দায়রা জজ প্রথম আদালত ১ নম্বর স্বারকের একটি পত্রে ত্রিশালের কোনাবড়ি গ্রামের নুরুল ইসলাম নবীনকে জামিনে মুক্তি দেয়ার আদেশ দিয়েছেন। এরই প্রেক্ষিতে তাকে কারাগার থেকে মুক্তি দেয়া হয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

বিনা অপরাধে ২৮দিন জেল হাজতে, এএসআই ও কনস্টেবল ক্লোজ

আপডেট সময় ১২:২৭:৪৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৫ জানুয়ারী ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বিনা অপরাধে ২৮দিন হাজত বাসের পর ময়মনসিংহ আদালত থেকে মুক্তি পেয়েছেন ত্রিশালের কোনাবাড়ি গ্রামের কৃষক নুরুল ইসলাম নবীন (৪৫)। ময়মনসিংহ কারাগার থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে তিনি মুক্তি পেয়েছেন।

আদালতের সিলমোহর ও ম্যাজিস্ট্রেটের স্বাক্ষর জাল করে ভুয়া গ্রেফতারি পরোয়ানার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে ত্রিশাল থানার এএসআই বুলবুল হোসেন ও ময়মনসিংহ কোর্টের কনস্টেবল মিজানুর রহমানকে ক্লোজ করে পুলিশ লাইনে নেয়া হয়েছে। এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন ময়মনসিংহের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এসএ নেওয়াজি।

জানা গেছে, খুলনার শিশু ও নারী নির্যাতন দমন আদালতের ভুয়া গ্রেফতারি পরোয়ানায় নুরুল ইসলামকে গত বছরের ৬ ডিসেম্বর গ্রেফতারের পরদিন তাকে ময়মনসিংহ আদালতে হাজির করলে তাকে জেল হাজতে পাঠিয়ে দেন। নুরুল ইসলামের পরিবার খুলনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আদালতে আবেদন করার পর যাচাই বাছাই শেষে মামলার এজাহারে তার নাম না থাকায় নুরুল ইসলামকে বিজ্ঞ আদালত জামিনে মুক্তি দিয়েছেন।

আদালতের সিলমোহর ও ম্যাজিস্ট্রেটের স্বাক্ষর জাল করে ভুয়া গ্রেফতারি পরোয়ানা ঘটনার চক্রের সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে ত্রিশাল থানার এএসআই বুলবুল হোসেন ও ময়মনসিংহ কোর্টের কনস্টেবল মিজানুর রহমানকে ক্লোজ করে পুলিশ লাইনে পাঠানো হয়েছে।

নুরুল ইসলাম নবীন জানান, গত বছরের ৬ ডিসেম্বর রাতে গ্রামের দোকানে বসে থাকার সময় ত্রিশাল থানার এএসআই বুলবুল হোসেনের নেতৃত্বে পুলিশ সদস্যরা গ্রেফতারি পরোয়ানা দেখিয়ে তাকে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে যান। পরের দিন ময়নমসিংহ আদালতে নেয়া হলে বিজ্ঞ আদালত তাকে জেল হাজতে পাঠিয়ে দেন। ঘটনাটি সন্দেহ হওয়ায় তার ছেলে শামীম মিয়া চলতি বছরের ১ জানুয়ারি খুলনা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আদালতের পেশকারের সাথে যোগাযোগ করে মামলার বিষয় জানতে চান। ওই মামলার কাগজপত্রে দেখতে পান তার বাবা ওই মামলার এজাহারভুক্ত আসামি না।

মিথ্যা মামলায় জেল হাজতে থাকার বিষয়ে আদালতে একটি আবেদন করেন। আবেদনের প্রেক্ষিতে খুলনার অতিরিক্ত দায়রা জজ প্রথম আদালত বিষয়টি খতিয়ে দেখে মামলার এজাহারে নাম না থাকায় তাকে জামিনের নির্দেশ দিয়ে কারাগারে পত্র পাঠিয়েছেন।

ময়মনসিংহ কারাগারের জেলার রফিকুল ইসলাম জানান, খুলনার অতিরিক্ত দায়রা জজ প্রথম আদালত ১ নম্বর স্বারকের একটি পত্রে ত্রিশালের কোনাবড়ি গ্রামের নুরুল ইসলাম নবীনকে জামিনে মুক্তি দেয়ার আদেশ দিয়েছেন। এরই প্রেক্ষিতে তাকে কারাগার থেকে মুক্তি দেয়া হয়েছে।