ঢাকা ০৭:৩৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬, ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
‘বাংলাদেশে একটা বড় খুন হয়েছিল, কাকে দিয়ে করিয়েছিলেন সবটাই জানি’:মমতা ব্যানার্জি রামিসা হত্যা মামলার বিচার দ্রুত সম্পন্ন হবে আশা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ছাত্রশিবিরকে তরুণ সমাজ গঠনে ভূমিকা রাখতে হবে: ডা. শফিকুর রহমান সন্তানেরা যুগ্মসচিব-বুয়েট শিক্ষক, তবুও একা ঘরে মরতে হলো বৃদ্ধ মাকে ‘ইরান সরকারের ভিত্তি নড়ে গেছে, এটি ভেঙে পড়তে বাধ্য’ খলিলুর রহমান জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত ঈদের দিন স্ত্রীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ, স্বামী আটক হামের উপসর্গে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ৮৭৭ বর্তমান সরকার সব মানুষের ধর্মের স্বাধীনতায় বিশ্বাসী: মঈন খান জাতীয় ঐক্য ও দেশ গড়ার প্রত্যয়ে কাজ করছে সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

গ্রেপ্তারের পর বন্দুকযুদ্ধে চরমপন্থী নিহত

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

চুয়াডাঙ্গায় পুলিশের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে কেতু নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন, যিনি চরমপন্থী সংগঠন জনযুদ্ধের শীর্ষ নেতা বলে দাবি করছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীটি। বন্দুকযুদ্ধের সময় এক পরিদর্শকসহ পাঁচ পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন।

মঙ্গলবার দিবাগত রাত দুইটার দিকে চুয়াডাঙ্গা-মেহেরপুর সড়কের ভালাইপুর কবরস্থানের কাছে এই বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটে। নিহত কেতু চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার আকুন্দবাড়িয়া গ্রামের শওকত আলীর ছেলে।

পুলিশ জানায়, মঙ্গলবার ভোরে ঢাকার কেরানীগঞ্জ থেকে কেতুকে গ্রেপ্তার করে চুয়াডাঙ্গা সদর থানা পুলিশের একটি দল। সন্ধ্যায় তাকে ঢাকা থেকে চুয়াডাঙ্গায় আনা হয়।

চুয়াডাঙ্গা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আমির আব্বাস (অপারেশন) জানান, চুয়াডাঙ্গায় আনার পর জিজ্ঞাসাবাদে কেতু অস্ত্র ভান্ডারের সন্ধান দেয়। তার দেয়া তথ্যমতে পুলিশের একটি দল রাতে অস্ত্র উদ্ধার অভিযানে বের হয়। কেতুকে নিয়ে পুলিশের দলটি রাত দুইটার দিকে চুয়াডাঙ্গা-ঝিনাইদহ সড়কের ভালাইপুর মোড়ের একটি কবরস্থানের কাছে পৌঁছলে আগে থেকে ওঁৎ পেতে থাকা কেতুর সহযোগীরা পুলিশের গাড়ি লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণ করে। পুলিশও পাল্টা গুলি চালায়।

প্রায় আধা ঘণ্টা গোলাগুলির এক পর্যায়ে পিছু হটে সন্ত্রাসীরা। পরে ঘটনাস্থলে পুলিশ হেফাজতে থাকা কেতুকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। তাকে উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. আওয়ালিয়ার রহমান তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

বন্দুকযুদ্ধের পর সন্ত্রাসীদের ফেলে যাওয়া একটি রিভলবার, দুই রাউন্ড কার্তুজ, ছয়টি বোমা ও ছয়টি হাসুয়া উদ্ধার করার কথা জানায় পুলিশ।

পুলিশের সহকারী পুলিশ সুপার আহসান হাবীব জানান, নিহত কেতু চরমপন্থী সংগঠন জনযুদ্ধের শীর্ষ নেতা। তার বিরুদ্ধে তিনটি হত্যাসহ ছয়টি মামলা রয়েছে। বন্দুকযুদ্ধের সময় এক পরিদর্শকসহ পাঁচ পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন বলেও জানান তিনি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

‘বাংলাদেশে একটা বড় খুন হয়েছিল, কাকে দিয়ে করিয়েছিলেন সবটাই জানি’:মমতা ব্যানার্জি

গ্রেপ্তারের পর বন্দুকযুদ্ধে চরমপন্থী নিহত

আপডেট সময় ১১:২৬:৪৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৭ ডিসেম্বর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

চুয়াডাঙ্গায় পুলিশের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে কেতু নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন, যিনি চরমপন্থী সংগঠন জনযুদ্ধের শীর্ষ নেতা বলে দাবি করছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীটি। বন্দুকযুদ্ধের সময় এক পরিদর্শকসহ পাঁচ পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন।

মঙ্গলবার দিবাগত রাত দুইটার দিকে চুয়াডাঙ্গা-মেহেরপুর সড়কের ভালাইপুর কবরস্থানের কাছে এই বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটে। নিহত কেতু চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার আকুন্দবাড়িয়া গ্রামের শওকত আলীর ছেলে।

পুলিশ জানায়, মঙ্গলবার ভোরে ঢাকার কেরানীগঞ্জ থেকে কেতুকে গ্রেপ্তার করে চুয়াডাঙ্গা সদর থানা পুলিশের একটি দল। সন্ধ্যায় তাকে ঢাকা থেকে চুয়াডাঙ্গায় আনা হয়।

চুয়াডাঙ্গা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আমির আব্বাস (অপারেশন) জানান, চুয়াডাঙ্গায় আনার পর জিজ্ঞাসাবাদে কেতু অস্ত্র ভান্ডারের সন্ধান দেয়। তার দেয়া তথ্যমতে পুলিশের একটি দল রাতে অস্ত্র উদ্ধার অভিযানে বের হয়। কেতুকে নিয়ে পুলিশের দলটি রাত দুইটার দিকে চুয়াডাঙ্গা-ঝিনাইদহ সড়কের ভালাইপুর মোড়ের একটি কবরস্থানের কাছে পৌঁছলে আগে থেকে ওঁৎ পেতে থাকা কেতুর সহযোগীরা পুলিশের গাড়ি লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণ করে। পুলিশও পাল্টা গুলি চালায়।

প্রায় আধা ঘণ্টা গোলাগুলির এক পর্যায়ে পিছু হটে সন্ত্রাসীরা। পরে ঘটনাস্থলে পুলিশ হেফাজতে থাকা কেতুকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। তাকে উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. আওয়ালিয়ার রহমান তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

বন্দুকযুদ্ধের পর সন্ত্রাসীদের ফেলে যাওয়া একটি রিভলবার, দুই রাউন্ড কার্তুজ, ছয়টি বোমা ও ছয়টি হাসুয়া উদ্ধার করার কথা জানায় পুলিশ।

পুলিশের সহকারী পুলিশ সুপার আহসান হাবীব জানান, নিহত কেতু চরমপন্থী সংগঠন জনযুদ্ধের শীর্ষ নেতা। তার বিরুদ্ধে তিনটি হত্যাসহ ছয়টি মামলা রয়েছে। বন্দুকযুদ্ধের সময় এক পরিদর্শকসহ পাঁচ পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন বলেও জানান তিনি।