ঢাকা ০২:০৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬, ২৮ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ট্রাম্পের হুঁশিয়ারির পাল্টা জবাব দিলেন কিউবার প্রেসিডেন্ট বনশ্রীতে স্কুলছাত্রী খুন,পুলিশের সন্দেহের তালিকায় পলাতক রেস্তোরাঁ কর্মী স্বৈরাচারের লোকেরা নির্বাচন ভণ্ডুলের চেষ্টা করবে: ড. মুহাম্মদ ইউনূস গাজীপুরে নবজাতকের লাশ নিয়ে কুকুরের টানাহ্যাঁচড়া, উদ্ধার করল পুলিশ ধর্মকে পুঁজি করে মানুষকে বিভ্রান্ত করা হচ্ছে, ধোঁকা দেওয়া হচ্ছে : খায়রুল কবির খোকন দলে বড় নাম থাকলেও জেতার জন্য সবাইকে আরও দায়িত্ব নিতে হবে: সোহান ২৫ জন বাংলাদেশিকে ক্ষমা করল আমিরাত দেশের ভবিষ্যত গড়ার জন্য গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয় নিশ্চিত করতে হবে : চরমোনাই পীর ব্যালটবাক্স ভরে কোনো নির্দিষ্ট প্রতীকের জয়ের সুযোগ নেই: রুমিন ফারহানা এইচএসসি পাসে নিউরো মেডিসিন বিশেষজ্ঞ , রোগী দেখেন দুই জেলায়

গ্রেপ্তারের পর বন্দুকযুদ্ধে চরমপন্থী নিহত

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

চুয়াডাঙ্গায় পুলিশের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে কেতু নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন, যিনি চরমপন্থী সংগঠন জনযুদ্ধের শীর্ষ নেতা বলে দাবি করছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীটি। বন্দুকযুদ্ধের সময় এক পরিদর্শকসহ পাঁচ পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন।

মঙ্গলবার দিবাগত রাত দুইটার দিকে চুয়াডাঙ্গা-মেহেরপুর সড়কের ভালাইপুর কবরস্থানের কাছে এই বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটে। নিহত কেতু চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার আকুন্দবাড়িয়া গ্রামের শওকত আলীর ছেলে।

পুলিশ জানায়, মঙ্গলবার ভোরে ঢাকার কেরানীগঞ্জ থেকে কেতুকে গ্রেপ্তার করে চুয়াডাঙ্গা সদর থানা পুলিশের একটি দল। সন্ধ্যায় তাকে ঢাকা থেকে চুয়াডাঙ্গায় আনা হয়।

চুয়াডাঙ্গা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আমির আব্বাস (অপারেশন) জানান, চুয়াডাঙ্গায় আনার পর জিজ্ঞাসাবাদে কেতু অস্ত্র ভান্ডারের সন্ধান দেয়। তার দেয়া তথ্যমতে পুলিশের একটি দল রাতে অস্ত্র উদ্ধার অভিযানে বের হয়। কেতুকে নিয়ে পুলিশের দলটি রাত দুইটার দিকে চুয়াডাঙ্গা-ঝিনাইদহ সড়কের ভালাইপুর মোড়ের একটি কবরস্থানের কাছে পৌঁছলে আগে থেকে ওঁৎ পেতে থাকা কেতুর সহযোগীরা পুলিশের গাড়ি লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণ করে। পুলিশও পাল্টা গুলি চালায়।

প্রায় আধা ঘণ্টা গোলাগুলির এক পর্যায়ে পিছু হটে সন্ত্রাসীরা। পরে ঘটনাস্থলে পুলিশ হেফাজতে থাকা কেতুকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। তাকে উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. আওয়ালিয়ার রহমান তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

বন্দুকযুদ্ধের পর সন্ত্রাসীদের ফেলে যাওয়া একটি রিভলবার, দুই রাউন্ড কার্তুজ, ছয়টি বোমা ও ছয়টি হাসুয়া উদ্ধার করার কথা জানায় পুলিশ।

পুলিশের সহকারী পুলিশ সুপার আহসান হাবীব জানান, নিহত কেতু চরমপন্থী সংগঠন জনযুদ্ধের শীর্ষ নেতা। তার বিরুদ্ধে তিনটি হত্যাসহ ছয়টি মামলা রয়েছে। বন্দুকযুদ্ধের সময় এক পরিদর্শকসহ পাঁচ পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন বলেও জানান তিনি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ট্রাম্পের হুঁশিয়ারির পাল্টা জবাব দিলেন কিউবার প্রেসিডেন্ট

গ্রেপ্তারের পর বন্দুকযুদ্ধে চরমপন্থী নিহত

আপডেট সময় ১১:২৬:৪৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৭ ডিসেম্বর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

চুয়াডাঙ্গায় পুলিশের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে কেতু নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন, যিনি চরমপন্থী সংগঠন জনযুদ্ধের শীর্ষ নেতা বলে দাবি করছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীটি। বন্দুকযুদ্ধের সময় এক পরিদর্শকসহ পাঁচ পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন।

মঙ্গলবার দিবাগত রাত দুইটার দিকে চুয়াডাঙ্গা-মেহেরপুর সড়কের ভালাইপুর কবরস্থানের কাছে এই বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটে। নিহত কেতু চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার আকুন্দবাড়িয়া গ্রামের শওকত আলীর ছেলে।

পুলিশ জানায়, মঙ্গলবার ভোরে ঢাকার কেরানীগঞ্জ থেকে কেতুকে গ্রেপ্তার করে চুয়াডাঙ্গা সদর থানা পুলিশের একটি দল। সন্ধ্যায় তাকে ঢাকা থেকে চুয়াডাঙ্গায় আনা হয়।

চুয়াডাঙ্গা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আমির আব্বাস (অপারেশন) জানান, চুয়াডাঙ্গায় আনার পর জিজ্ঞাসাবাদে কেতু অস্ত্র ভান্ডারের সন্ধান দেয়। তার দেয়া তথ্যমতে পুলিশের একটি দল রাতে অস্ত্র উদ্ধার অভিযানে বের হয়। কেতুকে নিয়ে পুলিশের দলটি রাত দুইটার দিকে চুয়াডাঙ্গা-ঝিনাইদহ সড়কের ভালাইপুর মোড়ের একটি কবরস্থানের কাছে পৌঁছলে আগে থেকে ওঁৎ পেতে থাকা কেতুর সহযোগীরা পুলিশের গাড়ি লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণ করে। পুলিশও পাল্টা গুলি চালায়।

প্রায় আধা ঘণ্টা গোলাগুলির এক পর্যায়ে পিছু হটে সন্ত্রাসীরা। পরে ঘটনাস্থলে পুলিশ হেফাজতে থাকা কেতুকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। তাকে উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. আওয়ালিয়ার রহমান তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

বন্দুকযুদ্ধের পর সন্ত্রাসীদের ফেলে যাওয়া একটি রিভলবার, দুই রাউন্ড কার্তুজ, ছয়টি বোমা ও ছয়টি হাসুয়া উদ্ধার করার কথা জানায় পুলিশ।

পুলিশের সহকারী পুলিশ সুপার আহসান হাবীব জানান, নিহত কেতু চরমপন্থী সংগঠন জনযুদ্ধের শীর্ষ নেতা। তার বিরুদ্ধে তিনটি হত্যাসহ ছয়টি মামলা রয়েছে। বন্দুকযুদ্ধের সময় এক পরিদর্শকসহ পাঁচ পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন বলেও জানান তিনি।