ঢাকা ১২:৪৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

জাতিসংঘের নতুন নিষেধাজ্ঞা যুদ্ধ ঘোষণার শামিল: উ. কোরিয়া

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

জাতিসংঘের পক্ষ থেকে সর্বশেষ নিষেধাজ্ঞাকে ‘যুদ্ধ ঘোষণার শামিল’ বলে অভিহিত করেছে উত্তর কোরিয়া। খবর বিবিসির। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এই পদক্ষেপ পুরোপুরিভাবে অর্থনৈতিক অবরোধের সমতুল্য।

কেসিএনএ নিউজ এজেন্সি এই খবর দিয়েছে। বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, ‘উত্তর কোরিয়ার শক্তি বৃদ্ধিই যুক্তরাষ্ট্রকে হতাশ করার একমাত্র উপায়।’ পিয়ংইয়ং -এর ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার প্রতিক্রিয়ায় জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ শুক্রবার নতুন এ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে।

উত্তর কোরিয়ার অন্যতম প্রধান ব্যবসায়িক অংশীদার চীন ও রাশিয়া নিষেধাজ্ঞা প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দিয়েছে। ভোটাভুটিতে পাস হওয়া প্রস্তাবনায় উত্তর কোরিয়ায় তেল সরবরাহ ৯০ শতাংশ কমানোর পদক্ষেপের কথা বলা হয়েছে। পাশাপাশি বিভিন্ন দেশে কর্মরত প্রবাসী শ্রমিকদের ১২ মাসের মধ্যে দেশে ফেরত পাঠানো হবে। উত্তর কোরিয়ার হাজার হাজার নাগরিক চীন ও রাশিয়ায় কর্মরত রয়েছে। উত্তর কোরিয়ার বৈদ্যুতিক ও অন্যান্য যন্ত্রপাতির মতো পণ্য রপ্তানি নিষিদ্ধের পদক্ষেপও প্রস্তাবে বলা হয়েছে।

উত্তর কোরিয়ার ওপর এক বছরে এটি তৃতীয়বারের মতো নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হলো। বৃহস্পতিবার জাতিসংঘে এ বিষয়ে খসড়া প্রস্তাব উত্থাপন করে যুক্তরাষ্ট্র। শুক্রবার নিরাপত্তা পরিষদে প্রস্তাবটি ভোটাভুটিতে সর্বসম্মতভাবে পাস হয়।

উত্তর কোরিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে জাতিসংঘের সর্বশেষ নিষেধাজ্ঞাকে বলা হয়েছে, ‘প্রজাতন্ত্রের সার্বভৌমত্বের লঙ্ঘন এবং যুদ্ধ ঘোষণার শামিল -যা কোরীয় উপদ্বীপ ও বৃহত্তর আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা ধ্বংস করছে।’

এতে আরও বলা হয়, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সম্পূর্ণভাবে ভীত এবং উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক শক্তি সম্পূর্ণ করা-ই এর ঐতিহাসিক কারণ । যুক্তরাষ্ট্র আরও বেশি উন্মত্ত হয়ে উঠছে এবং একের পর এক কঠোর নিষেধাজ্ঞা ও চাপ প্রয়োগের জন্য পদক্ষেপ নিচ্ছে বলেও উল্লেখ করা হয় বিবৃতিতে।

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ভারসাম্যপূর্ণ শক্তি স্থাপনের কথাও বলা হয়েছে বিবৃতিতে। ‘আমরা আমাদের আত্মরক্ষার জন্য পারমাণবিক শক্তি-বৃদ্ধিকরণ অব্যাহত রাখব মূলত মার্কিন পারমাণবিক হুমকি, প্রতারণা এবং প্রতিকূল কর্মসূচির মোকাবেলায় যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ভারসাম্যপূর্ণ ব্যবহারিক শক্তি স্থাপনের জন্য।’

দেশটি ইতোমধ্যেই যুক্তরাষ্ট্র, জাতিসংঘ এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের তরফ থেকে নিষেধাজ্ঞার মধ্যে রয়েছে। এটি ছিল উত্তর কোরিয়ার বিরুদ্ধে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের ১০ম নিষেধাজ্ঞা আরোপ। নতুন প্রস্তাবে তেল ও পেট্রোল আমদানি কমিয়ে আনার কথা বলা হয়।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

জাতিসংঘের নতুন নিষেধাজ্ঞা যুদ্ধ ঘোষণার শামিল: উ. কোরিয়া

আপডেট সময় ০৯:৫৪:৩৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৪ ডিসেম্বর ২০১৭

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

জাতিসংঘের পক্ষ থেকে সর্বশেষ নিষেধাজ্ঞাকে ‘যুদ্ধ ঘোষণার শামিল’ বলে অভিহিত করেছে উত্তর কোরিয়া। খবর বিবিসির। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এই পদক্ষেপ পুরোপুরিভাবে অর্থনৈতিক অবরোধের সমতুল্য।

কেসিএনএ নিউজ এজেন্সি এই খবর দিয়েছে। বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, ‘উত্তর কোরিয়ার শক্তি বৃদ্ধিই যুক্তরাষ্ট্রকে হতাশ করার একমাত্র উপায়।’ পিয়ংইয়ং -এর ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার প্রতিক্রিয়ায় জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ শুক্রবার নতুন এ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে।

উত্তর কোরিয়ার অন্যতম প্রধান ব্যবসায়িক অংশীদার চীন ও রাশিয়া নিষেধাজ্ঞা প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দিয়েছে। ভোটাভুটিতে পাস হওয়া প্রস্তাবনায় উত্তর কোরিয়ায় তেল সরবরাহ ৯০ শতাংশ কমানোর পদক্ষেপের কথা বলা হয়েছে। পাশাপাশি বিভিন্ন দেশে কর্মরত প্রবাসী শ্রমিকদের ১২ মাসের মধ্যে দেশে ফেরত পাঠানো হবে। উত্তর কোরিয়ার হাজার হাজার নাগরিক চীন ও রাশিয়ায় কর্মরত রয়েছে। উত্তর কোরিয়ার বৈদ্যুতিক ও অন্যান্য যন্ত্রপাতির মতো পণ্য রপ্তানি নিষিদ্ধের পদক্ষেপও প্রস্তাবে বলা হয়েছে।

উত্তর কোরিয়ার ওপর এক বছরে এটি তৃতীয়বারের মতো নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হলো। বৃহস্পতিবার জাতিসংঘে এ বিষয়ে খসড়া প্রস্তাব উত্থাপন করে যুক্তরাষ্ট্র। শুক্রবার নিরাপত্তা পরিষদে প্রস্তাবটি ভোটাভুটিতে সর্বসম্মতভাবে পাস হয়।

উত্তর কোরিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে জাতিসংঘের সর্বশেষ নিষেধাজ্ঞাকে বলা হয়েছে, ‘প্রজাতন্ত্রের সার্বভৌমত্বের লঙ্ঘন এবং যুদ্ধ ঘোষণার শামিল -যা কোরীয় উপদ্বীপ ও বৃহত্তর আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা ধ্বংস করছে।’

এতে আরও বলা হয়, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সম্পূর্ণভাবে ভীত এবং উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক শক্তি সম্পূর্ণ করা-ই এর ঐতিহাসিক কারণ । যুক্তরাষ্ট্র আরও বেশি উন্মত্ত হয়ে উঠছে এবং একের পর এক কঠোর নিষেধাজ্ঞা ও চাপ প্রয়োগের জন্য পদক্ষেপ নিচ্ছে বলেও উল্লেখ করা হয় বিবৃতিতে।

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ভারসাম্যপূর্ণ শক্তি স্থাপনের কথাও বলা হয়েছে বিবৃতিতে। ‘আমরা আমাদের আত্মরক্ষার জন্য পারমাণবিক শক্তি-বৃদ্ধিকরণ অব্যাহত রাখব মূলত মার্কিন পারমাণবিক হুমকি, প্রতারণা এবং প্রতিকূল কর্মসূচির মোকাবেলায় যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ভারসাম্যপূর্ণ ব্যবহারিক শক্তি স্থাপনের জন্য।’

দেশটি ইতোমধ্যেই যুক্তরাষ্ট্র, জাতিসংঘ এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের তরফ থেকে নিষেধাজ্ঞার মধ্যে রয়েছে। এটি ছিল উত্তর কোরিয়ার বিরুদ্ধে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের ১০ম নিষেধাজ্ঞা আরোপ। নতুন প্রস্তাবে তেল ও পেট্রোল আমদানি কমিয়ে আনার কথা বলা হয়।