অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:
অবশেষে শেষ হলো অপেক্ষার পালা। রংপুর সিটি করপোরেশনের মেয়র নির্বাচিত হলেন জাতীয় পার্টির প্রার্থী মোস্তাফিজার রহমান। বেসরকারি ফলে, আওয়ামী লীগের প্রার্থী সরফুদ্দীন আহমেদের চেয়ে প্রায় ৯৮ হাজার বেশি ভোট পেয়ে নিশ্চিত করলেন মেয়র পদ। জয়ের পর রংপুরবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি পূরণের আশ্বাস দেন মোস্তাফিজার রহমান।
এদিকে, ধানের শীষ প্রতীকে ৩৫ হাজার একশ’ ৩৬ ভোট পাওয়া বিএনপির প্রার্থী কাওসার জামান বাবলা ফলাফল প্রত্যাখ্যান করেছেন।
কর্মী-সমর্থকদের উচ্ছ্বাসই যেন জানান দিচ্ছে শেষ হলো প্রতীক্ষার পালা। সব জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে রংপুর সিটি করপোরেশনের মেয়র নির্বাচিত হলেন জাতীয় পার্টির প্রার্থী মোস্তাফিজার রহমান।
টানা ৮ ঘণ্টার ভোটগ্রহণ শেষে বিকেল ৪টায় শুরু হয় গণনা। এরপর যতই সময় গড়ায়, ততই উৎকণ্ঠা বাড়তে থাকে প্রার্থী ও তাদের কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে। ভোটগণনার সময় একটি কেন্দ্রের বাইরে কিছুটা উত্তেজনাও ছিলো। তবে বড় ধরণের বিশৃঙ্খলা চোখে পড়েনি।
ভোট গণনা শেষে একশ’ ৯৩টি কেন্দ্রের সবগুলোর ফল ঘোষণা করা হয়। বেসরকারি এই ফলাফলে, লাঙ্গল প্রতীকে মোস্তাফিজার রহমান পেয়েছেন ১ লাখ ১৯ হাজার ৬’শ ১৯ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী, নৌকা প্রতীকে সরফুদ্দীন আহমেদ ঝন্টু পেয়েছেন ৪৫ হাজার ৭শ’ ৮৪ ভোট। এছাড়া, ধানেরশীষ প্রতীকে বিএনপির প্রার্থী কাওসার জামান বাবলা পেয়েছেন ২৫ হাজার ৩শ’ ৩৯ ভোট।
মেয়র নির্বাচিত করায় রংপুর নগরবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান মোস্তাফিজার রহমান। আশ্বাস দেন, উন্নয়নের দেয়া প্রতিশ্রুতি পূরণের।
এদিকে, ভোটের ফলাফল প্রত্যাখ্যান করেছে বিএনপির মেয়রপ্রার্থী কাওসার জামান বাবলা।
২শ’ ৩ দশমিক ছয় তিন বর্গ কিলোমিটারের রংপুর সিটি করপোরেশনের দ্বিতীয় নির্বাচন হলেও দলীয় প্রতীকে এবারই প্রথম। এবারে নগর পিতা হওয়ার লড়াইয়ে অংশ নেন সাতজন। এছাড়া নগরীর ৩৩টি ওয়ার্ড কাউন্সিলর পদে ২শ ১১ জন এবং ১১টি নারী কাউন্সিলর পদে ৬৫ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 



















