ঢাকা ০৯:৪১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

ওভারে ছয় ছক্কায় রেকর্ড বইয়ে হোয়াইটলি

অাকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

দলের জয়ের জন্য তখন চাই ৫ ওভারে ৯৮ রান। কিছু একটা না করলেই নয়। রস হোয়াইটলি যা করলেন, সেটির নজির ক্রিকেট ইতিহাসেই বিরল। এক ওভারেই মারলেন ছয় ছক্কা! একটি ওয়াইডসহ ওই ওভার থেকে এসেছে ৩৭ রান।রোববার ইংল্যান্ডের ন্যাটওয়েস্ট টি-টোয়েনিট ব্লাস্টে এই কীর্তি গড়েছেন হোয়াইটলি। ইয়র্কশায়ারের বিপক্ষে অবশ্য জেতাতে পারেননি উস্টারশায়ারকে। এক ওভারে ৩৭ রানের পরও হোয়াইটলির দল হেরেছে ৩৭ রানে।

হেডিংলিতে ডেভিড উইলির ৫৫ বলে ১১৮ রানের বিস্ফোরক ইনিংসে ইয়র্কশায়ার তুলেছিল ২৩৩ রান। উস্টারশায়ার তুলতে পারে ১৯৬।উস্টারশায়ারের ওপেনার জো ক্লার্ক করেছেন ৩২ বলে ৫১। পাঁচে নেমে হোয়াইটলি ফিরেছেন ২৬ বলে ৬৫ করে। ৮ ছক্কার ইনিংসে এক ওভারেই মেরেছেন ৬টি ছক্কা।ইনিংসের সেটি ১৬তম ওভার। ঝড় বয়ে যাওয়া বোলারের নাম কার্ল কারভার। টানা চারটি ছক্কা হজমের পর তরুণ বাঁহাতি স্পিনার পঞ্চম বলটি করেন ওয়াইড। পরের দুই বলে হোয়াইটলি মারেন আরও দুটি ছক্কা।

স্বীকৃত ক্রিকেটে ওভারে ছয় ছক্কার ষষ্ঠ ঘটনা এটি। প্রথম মেরেছিলেন স্যার গ্যারি সোবার্স। ছয় ছক্কার সবচেয়ে বিখ্যাত উদাহরণ সেটি। ১৯৬৮ সালে কাউন্টি ক্রিকেটে নটিংহ্যামশায়ারের হয়ে সোবার্স ছয় ছক্কা মেরেছিলেন গ্ল্যামরগনের বাঁহাতি স্পিনার ম্যালকম ন্যাশের বলে। ১৯৮৫ সালে রঞ্জি ট্রফির ম্যাচে বাঁহাতি স্পিনার তিলক রাজের বলে ছয় ছক্কা মেরেছিলেন রবি শাস্ত্রি।

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ছয় ছক্কা প্রথম দেখেছে হার্শেল গিবসের ব্যাটে ২০০৭ বিশ্বকাপে নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে। ওই বছরই টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে স্টুয়ার্ট ব্রডের ওভারে ছয় ছক্কা মারেন যুবরাজ সিং।হোয়াইটলির আগে সবশেষটি ছিল ইংল্যান্ডের টি-টোয়েন্টি ব্লাস্টেই। ২০১৩ সালে ইয়র্কশায়ারের বিপক্ষে মেরেছিলেন ল্যাঙ্কাশায়ারের জর্ডান ক্লার্ক।ঝড় তুলে হোয়াইটলির কণ্ঠে ছিল বোলারের জন্য সহানুভূতি।

“এভাবে ব্যাট করার উপযুক্ত সময় ছিল তখন। আমি ঠিক করেছিলাম, গিয়েই মারতে হবে। প্রথমটি মাঝ ব্যাটে লাগার পর চালিয়ে যেতে চেয়েছি। কখনোই ভাবিনি পেশাদার ক্রিকেটে এমন কিছু করতে পারব। বোলারের ভাগ্য খারাপ, লেগ সাইডে সীমানা ছোট ছিল।”

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

ওভারে ছয় ছক্কায় রেকর্ড বইয়ে হোয়াইটলি

আপডেট সময় ০১:৫৭:১৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ জুলাই ২০১৭

অাকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

দলের জয়ের জন্য তখন চাই ৫ ওভারে ৯৮ রান। কিছু একটা না করলেই নয়। রস হোয়াইটলি যা করলেন, সেটির নজির ক্রিকেট ইতিহাসেই বিরল। এক ওভারেই মারলেন ছয় ছক্কা! একটি ওয়াইডসহ ওই ওভার থেকে এসেছে ৩৭ রান।রোববার ইংল্যান্ডের ন্যাটওয়েস্ট টি-টোয়েনিট ব্লাস্টে এই কীর্তি গড়েছেন হোয়াইটলি। ইয়র্কশায়ারের বিপক্ষে অবশ্য জেতাতে পারেননি উস্টারশায়ারকে। এক ওভারে ৩৭ রানের পরও হোয়াইটলির দল হেরেছে ৩৭ রানে।

হেডিংলিতে ডেভিড উইলির ৫৫ বলে ১১৮ রানের বিস্ফোরক ইনিংসে ইয়র্কশায়ার তুলেছিল ২৩৩ রান। উস্টারশায়ার তুলতে পারে ১৯৬।উস্টারশায়ারের ওপেনার জো ক্লার্ক করেছেন ৩২ বলে ৫১। পাঁচে নেমে হোয়াইটলি ফিরেছেন ২৬ বলে ৬৫ করে। ৮ ছক্কার ইনিংসে এক ওভারেই মেরেছেন ৬টি ছক্কা।ইনিংসের সেটি ১৬তম ওভার। ঝড় বয়ে যাওয়া বোলারের নাম কার্ল কারভার। টানা চারটি ছক্কা হজমের পর তরুণ বাঁহাতি স্পিনার পঞ্চম বলটি করেন ওয়াইড। পরের দুই বলে হোয়াইটলি মারেন আরও দুটি ছক্কা।

স্বীকৃত ক্রিকেটে ওভারে ছয় ছক্কার ষষ্ঠ ঘটনা এটি। প্রথম মেরেছিলেন স্যার গ্যারি সোবার্স। ছয় ছক্কার সবচেয়ে বিখ্যাত উদাহরণ সেটি। ১৯৬৮ সালে কাউন্টি ক্রিকেটে নটিংহ্যামশায়ারের হয়ে সোবার্স ছয় ছক্কা মেরেছিলেন গ্ল্যামরগনের বাঁহাতি স্পিনার ম্যালকম ন্যাশের বলে। ১৯৮৫ সালে রঞ্জি ট্রফির ম্যাচে বাঁহাতি স্পিনার তিলক রাজের বলে ছয় ছক্কা মেরেছিলেন রবি শাস্ত্রি।

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ছয় ছক্কা প্রথম দেখেছে হার্শেল গিবসের ব্যাটে ২০০৭ বিশ্বকাপে নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে। ওই বছরই টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে স্টুয়ার্ট ব্রডের ওভারে ছয় ছক্কা মারেন যুবরাজ সিং।হোয়াইটলির আগে সবশেষটি ছিল ইংল্যান্ডের টি-টোয়েন্টি ব্লাস্টেই। ২০১৩ সালে ইয়র্কশায়ারের বিপক্ষে মেরেছিলেন ল্যাঙ্কাশায়ারের জর্ডান ক্লার্ক।ঝড় তুলে হোয়াইটলির কণ্ঠে ছিল বোলারের জন্য সহানুভূতি।

“এভাবে ব্যাট করার উপযুক্ত সময় ছিল তখন। আমি ঠিক করেছিলাম, গিয়েই মারতে হবে। প্রথমটি মাঝ ব্যাটে লাগার পর চালিয়ে যেতে চেয়েছি। কখনোই ভাবিনি পেশাদার ক্রিকেটে এমন কিছু করতে পারব। বোলারের ভাগ্য খারাপ, লেগ সাইডে সীমানা ছোট ছিল।”